৬ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Home / দেশ / পাবনা পৌর বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

পাবনা পৌর বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মোবারক বিশ্বাস ঃ নিরপেক্ষ নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন, সৌদি দুতাবাস কর্মকর্তার হত্যা রহস্য উদঘাটন, বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীকে ফেরত ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সকল রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল পাবনা পৌর শাখা কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসাবে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। গতকাল রবিবার দুপুর পৌনে ১২ টায় পাবনা জেলা বিএনপি’র কার্যালয় থেকে পৌর বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক ও জেলা বিএনপি’র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক ও পাবনা পৌর মেয়র সাবেক জেলা বিএনপি’র সাংগাঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মিন্টুর নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিএনপি’র কার্যালয়ে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পৌর বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিকের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, পৌর মেয়র কামরুল হাসান মিন্টু, সাবেক জেলা বিএনপি’র যুগ্ন সম্পাদক সাব্বির আহম্মেদ, সাবেক পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম বাদশা, জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারন সম্পাদক মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু, মোশারফ হোসেন সভাপতি তাতী দল পাবনা জেলা শাখা ও কেন্দ্রীয় তাঁতী দলের যুগ্ন সম্পাদক, জেলা বিএনপির সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক তপন সাহা, সাবেক জেলা বিএনপি আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ শফিকুর রহমান, জেলা বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম কিরন, সাবেক জেলা বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক ফেরদাউস মঞ্জু, মোঃ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, সাইফুল ইবনে সাকি, সাধারন সম্পাদক জেলা সেচ্ছাসেবক দল মোঃ আব্দুল লতিফ সরকার, মোঃ ফিরোজ হোসেন সভাপতি জেলা মুক্তিযোদ্ধা দল পাবনা, জেলা বিএনপির সদস্য শরিফুল ইসলাম শরিফ, পৌর বিএনপির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমান পিটার, সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাছিম, মহিলা দলের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও পৌর কমিশনার তমা ইসলাম পু®প, মোন্তাজ চেয়ারম্যান, আব্দুল আওয়াল মন্টু, কায়েম হোসেন, আশরাফ প্রাং, হাফিজুর রহমান নুরপা, আব্দুর রশিদ, শ্রী আশিষ বসাক, দেলোয়ার,  জেলা যুবদলের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রাকিব রানা, আরিফুর রহমান ডিটো, প্রচার সম্পাদক মতিয়ার রহমান হীরা।  জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন স্বপন, যুগ্ন সম্পাদক এএসএম হালিম, সানাউল¬াহ বাবু, আমিরুল ইসলাম নিক্স্রন, সাংগাঠনিক সম্পাদক হাসানুর রহমান রনি, সদর থানা সভাপতি দেলোয়ার হোসেন খাঁন রানা, সাধারন সম্পাদক মনির হোসেন, পৌর সাধারন সম্পাদক ইমতিয়াজ  রাঙা, দেলোয়ার হোসেন রানা, আলেপ, আজাদ, হারুন, চঞ্চল, আজাদ,মহসীন, উদ্দিন, ডাবলু, বিকাশ যুবদল নেতা মোবারক বিশ্বাস, বাদশা, লাল,তনু,লিটন, সাকিব, মুন্না,মিঠু,সৈকত,আলিম,কামাল, আরজু, প্রিন্স, বিপ্ল¬ব,আমিন। শেখ টুটুল, সিরাজ হোসেন, তারেকুজ্জান, জাহাঙ্গির হোসেন, রাশেদ রশিদ খাঁন সুফল, তাহাজ্জদ হোসেন তুষার, নাসির হোসেন, জাহিদ হাসান রানা, ছাত্র সংসদের ভিপি আব্দুল¬াহ আল হাসান মিঠু।  ফরিদ আহম্মেদ বাবু, মেহেদী হাসান, আরিফ হোসেন লনি, দীপঙ্কর সরকার জীতু, সজীব হোসেন, রোমিও, বাধন, পাপ্পু, গোলাপ, বিল¬াল, তপু, মামুন, সাদ্দাম, আমিন, লিটন, জহুরুল ইসলাম সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে দেশের সকল হত্যাকান্ডের বিচার দাবী করেন। সেই সাথে দলীয় নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার মুক্তির জোর দাবী করেন।  অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক  জেলা বিএনপি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেলা যুবদল মোঃ আব্দুল হাশেম

পাবনা ঈশ্বরদীতে ২০২ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক জন গ্রেফতার
মোবারক বিশ্বাস ঃ পাবনা র‌্যাব-১২সিপিসি-২ সদস্যরা গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় ঈশ্বরদী উপজেলার ঝাউদিয়া ঈদগাহ মাঠের সন্নিকটে ২০২ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। পাবনা র‌্যাব ক্যাম্প জানায়, তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জনতে পারেন সাড়া ঝাউদিয়া ঈদগাহ মাঠের পশ্চিমে এক মাদক ব্যবসায়ী ফেন্সিডিল বিক্রয়ের উদ্দেশে অবস্থান করছে। খবর পেয়ে পাবনা ক্যাম্পের অধিনায়ক কমান্ডার তানভীর আনোয়ার এর নির্দেশে ডিএডি নাদিম হায়দারের নেতৃত্বে একটি অভিযান দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় সেখানে উপস্থিত হয়ে অভিযান দল ঈশ্বরদী উপজেলার মাইজদা পুরাতন রেল ষ্টেশনের মোঃ তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম সরকার ওরফে ঘোরত (২৭)কে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে ২০২ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানায় গ্রেফতারকৃতকে ফেন্সিডিলসহ সোপর্দ করে মাদক আইনে একটি মামলা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ফেন্সিডিলের বাজার মূল্য প্রায় লাখ টাকা বলে অভিযান দল জানায়।

পাবনা মানসিক হাসপাতালের দুর্নীতির শেষ কোথায়॥ প্রতিষ্ঠানটিকে দেখভালো করা যাদের দায়িত্ব তারাই বড় দুর্নীতিবাজ।
মোবারক বিশ্বাস ঃ  পাবনা মানসিক হাসপাতালে টেন্ডার নিয়ে চলছে ঘাপলা ও অনিয়মের মহোৎসব। টেন্ডার বাছাই কমিটি বিশেষ সুবিধা নিয়ে পছন্দের ও দলীয় ঠিকাদারকে কাজ পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। এ নিয়ে চলছে ঠিকাদারদের মধ্যে নানা গুঞ্জন। আরো জানা যায়, “ঘ” গ্র“পের নির্বাচিত ঠিকাদার মোঃ আব্দুল আওয়ালকে বিশেষ রফার মাধ্যমে কাজ পাওয়ার সহযোগিতা করেছে বাছাই কমিটি। “ঘ” গ্র“পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোঃ আব্দুল আওয়াল এর নিজস্ব কোন প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদারী ট্রেড লাইসেন্স নাই। অথচ ভুয়া ট্রেড লাইসেন্সের কপি দিয়ে “ঘ” গ্র“পের কাজ বাগিয়ে নিয়েছেন। এ নিয়ে বাছাই কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। টেন্ডারে শর্ত স্বরূপ পাবনা মানসিক হাসপাতালে বিশেষ কয়েকটি গ্র“পে অংশ গ্রহণ করতে হলে অংশগ্রহণকারীকে কমপক্ষে পৌর সভার প্রথম শ্রেণীর ট্রেড লাইসেন্স এর অধিকারী হতে হবে। কিন্তু “ঘ” গ্র“পের ঠিকাদার যে প্রথম শ্রেণীর ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করেছেন সেটা ইউনিয়ন পরিষদের থেকে নেওয়া। ইউনিয়ন পরিষদ প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদারী ট্রেড লাইসেন্স দিতে পারে না। এদিকে “ক” গ্র“পের ডায়েট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান মোঃ রবিউল হোসেন সর্বচ্চ দর দাতা দাতা হিসাবে এবারে কাজ পেয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে মানসিক হাসপাতালের কর্তা ব্যাক্তিরা অবৈধ সুযোগ গ্রহণ করে সর্বচ্চ দরদাতাকেই কাজ দিয়েছেন। সর্বনিম্ন দরদাতা মোঃ আব্দুল আওয়ালের দরপত্র বাতিল করে রবিউল হোসেনকে কাজ দিয়েছেন কতৃপক্ষ।  আর এই অনিয়ম গুলো নিয়মে পরিণত হয়েছে সরকার দলীয় নেতাদের চাপ ও টাকার জোরে। শুধু তাই নয় এ সব ঠিকাদারগন যখন মালামাল হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন তখন কর্তপক্ষকে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা ও টাকার বান্ডিল দিয়ে অফিসের মধ্যে বসিয়ে রাখেন। পাবনার ঐতিহ্যবাহি এ প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির শেষ কোথাই। হাসপাতালটি শহরের এক কর্ণারে অবস্থিত হওয়ায় সচেতন মহল দেখারও সুযোগ পাই না। ফলে দুর্নীতিবাজরা অবাধে দুর্নীতি করে পার পেয়ে যায়। একদিকে ঠিকাদার মালামাল সরবরাহ না করেই বিল তুলছে। অন্যদিকে দায়িত্বশিল কতৃপক্ষের পকেট ভারি হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠান যেন টাকা বানানোর মেশিনে পরিণত হয়েছে। প্রচলিত রয়েছে পাবনা মানসিক হাসপাতালের তত্বাবধায়ক হিসাবে ডাঃ দীপক কুমার ঘোষ যোগদান করার পর থেকেই একটি মহল বিশেষ সুবিধা আদাই করে যাচ্ছেন। তার ইশারাই অনেক দুর্নিতীবাজ ঠিকাদার বর্তমানে পাবনা মানসিক হাসপাতালে রাম রাজত্ব কায়েম করছেন। ভুক্তভুগীদের দাবী জেলার আইন শৃংখলা বাহিনীসহ প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিরা মানসিক হাসপাতালের দিকে সু-দৃষ্টি রাখেন।

নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে সাঁথিয়ায় ঘর জামাইদের চেয়ারম্যান……
মোবারক বিশ্বাস ঃ  পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় ঘর জামাইদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত। ২৭ সদস্য বিশিষ্ট্য ঘর জামাই ঐক্যবদ্ধ কমিটি গঠন। অবিশ্বাস্য হলেও ঘটনাটি সত্য। গত ২৮ জুন রাতে উপজেলার ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়নের পাগলা কমিউনিটি ক্লিনিক মাঠে পাগলা, আত্রাইশুকা ও বিষ্ণুবাড়িয়া গ্রামের ঘর জামাইদের এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য সুরুজ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভিন্ন ধর্মী অনুষ্ঠান কে কেন্দ্র করে  পূর্ব থেকেই গ্রাম বাসির মধ্যে উৎসাহ ও উৎদ্দীপনা বিরাজ করছিল। এ সভা উপলক্ষে সকাল থেকে গ্রামে মাইকের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হয়। সভা শুরুর অনেক আগেই শত শত মানুষ কৌতুহলি এ অনুষ্ঠান দেখতে আসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ঘর জামাইরা সভায় বলেন এলাকার লোকেরা আমাদেরকে ঘর জামাই ভেবে অনেক মান অপমান করে থাকে এমন কি স্ত্রী ও তাদের পরিবারের হাতে আমাদের নির্যাতিত হতে হয়। এ অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরী। তাদের এ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ২৭ সদস্য বিশিষ্ট্য একটি ঘর জামাই কমিটি করার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত শেষে কণ্ঠ ভোটে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থেকে আসা পাগলা গ্রামের শহিদের ঘর জামাই রবিউল ইসলাম (রবি) অরফে ঠাকুর (৩৮) কে ঘর জামাই ঐক্যবদ্ধ কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। ঐ মুহুর্তে তাদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে নিয়ে অন্য ঘর জামাইরা আনন্দে আতœহারা হয়ে পড়ে। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে রাত ভর আনন্দ প্রকাশ ও খাবারের আয়োজন করা হয়। এমন ব্যাতিক্রমধর্মী কমিটির বিষয়ে ইউপি সদস্য সুরুজ মিয়ার নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, ঘর জামাইদের কষ্ট ও নির্যাতনে কথা বিবেচনা করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নিয়োগ বানিজ্যের নামে লাখ লাখ টাকা লুটপাটের অভিযোগ
মোবারক বিশ্বাস ঃ  পাবনার চাটমোহরের দেড়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজা চন্দ্রনাথ ও বাবু শম্ভুনাথ (আরসিএন এন্ড বিএসএন) হাইস্কুলে নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা লুটপাট চলছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত অভিভাবক সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লি¬ষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে এবং সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রোববার পাবনা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঐ স্কুলে তদন্ত করেন বলে জানা গেছে। লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, সম্প্রতি ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর ৪টি শাখা অনুমোদন করে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। অথচ কোন শাখাতেই অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় ছাত্র-ছাত্রী নেই। শুধুমাত্র আর্থিক সুবিধা নিয়ে শিক্ষক নিয়োগের আয়োজন করা হয়েছে। শাখা অনুমোদনেও লাখ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। এই শিক্ষক নিয়োগের জন্য স্থানীয় যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি সরকারী বিজ্ঞাপনের তালিকাভুক্ত পত্রিকা নয়। সেকশন অনুমোদনের জন্য সে প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থী নেই, যার সত্যতা যাচাই বাছাইয়ের জন্য গত ১১ জুন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. হাফিজুর রহমান  বিদ্যালয় পরিদর্শন করে দেখতে পান এবং পরিদর্শন খাতায় তা লিপিবদ্ধ  করেন। অভিযোগে আরোও জানা যায়, স্কুল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের ভায়রা মো. শামসুল আলম ম্যানেজিং কমিটির ২/৩ জন সদস্য নিয়ে নিয়োগ বানিজ্যে মেতে উঠেছেন।
ইতোপূর্বে এডহক কমিটির সভাপতি থাকাকালেও তিনি নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে পকেটস্থ করেছেন। স্কুলের ইংরেজী ও বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক নিয়োগেও ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্ণীতির আশ্রয় গ্রহন করা হয়েছে। এ দুটি পদ সভাপতি কতৃক মনোনীত প্রার্থীকেই নিয়োগের পাঁয়তারা চলছে। যদিও যোগ্য প্রার্থী নেই। চাটমোহরের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুধু নিয়োগ বানিজ্যই নয়। বিভিন্ন উন্ন্য়ন প্রকল্পেও ব্যাপক দূর্ণীতি করা হচ্ছে। বিভিন্ন ভূয়া ও মনগড়া বিল ভাইচারের নামে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকসহ কতিপয় সদস্য হাজার হাজার টাকা লুটপাট করছেন। ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতা ও সংসদ সদস্যের ভায়রা স্কুল কমিটির সভাপতি ও সদস্য হওয়ার কারনে এ সকল অনিয়ম ও দূর্ণীতি সহজলভ্য হয়ে গেছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছেন।

পাবনায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে রুচি ২য় বিভাগ ফুটবল লীগ
মোবারক বিশ্বাস ঃ  পাবনা শহীদ এডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে আজ রোববার থেকে শুরু হচ্ছে রুচি ২য় বিভাগ ফুটবল লীগ। পাবনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় স্কয়ার কনজুমার প্রডাক্টস লিমিটেড লীগের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার রাতে পাবনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন স্কয়ার কনজুমার প্রডাক্টস লিমিটেডের এজিএম আবু তাহের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার টয়লেট্রিজের ব্যবস্থাপক মো: আব্দুল হান্নান, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী, আবুল কালাম আজাদ, শহীদুল হক মানিক প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারে রুচি ২য় বিভাগ ফুটবল লীগে মোট ৩৯টি খেলা হবে এবং মোট ১৬টি দল এতে অংশ নেবে। ১ম পর্ব ও ২য় পর্বের খেলা লীগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ১ম পর্বে ৪টি গ্র“প এবং ২য় পর্বে ২টি গ্র“পের মধ্যে লীগ পদ্ধতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। ১ জুলাই রোব্বার বিকেল ৪টায় শহীদ এডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে খেলার উদ্বোধন করবেন পাবনার জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান।

একসাথে ৩৫০০ জন মুসুল্লী নামাজ পড়তে পারবে চড়াডাঙ্গা বায়তুল হামদ জামে মসজিদে
মোবারক বিশ্বাস ঃ  একসাথে ৩৫০০ জন মুসুল্লী নামাজ পড়তে পারবে চড়াডাঙ্গা বায়তুল হামদ জামে মসজিদে সৌন্দর্য্যকরন কাজ উদ্বোধন করেন মর্জিনা-লতিফ ট্রাষ্টের মহাসচিব পাবনা সদর উপজেলার চড়াডাঙ্গা দরবার শরীফ বায়তুল হামদ জামে মসজিদের সৌন্দর্য্যকরন কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। মর্জিনা-লতিফ ট্রাষ্টের মহাসচিব ও পাবনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ বিশ্বাস শুক্রবার(৩০ জুন) মসজিদের টাইল্স ফিটিংস এর মাধ্যমে এই কাজ উদ্বোধন করেন। এ উপলেক্ষ এক সুধী সমাবশে মহাসচিব বলেন, পাবনা তথা এই অঞ্চলের মধ্যে অত্যাধুনিক নির্মান শৈলি সম্বলিত এই মসজিদ নির্মাণে পাবনাকে দেশ তথা বিশ্ববাসীর কাছে নতুন ভাবে পরিচিতি করেছে। অত্যন্ত ব্যয়বহুল এই মসজিদ এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে পাবনার ধনাঢ্য ব্যক্তি সহ সমাজের বিভিন্ন মানুষকে সহযোগিতা করার আহবান জানান। তিনি মসজিদের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করনে ২০১২ সালের জন্য প্রাথমিক ভাবে মর্জিনা-লতিফ ট্রাষ্টের পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেন। ইতিমধ্যে ৫ লক্ষ টাকা মসজিদ কমিটির কাছে দেওয়া হয়েছে। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পাবনা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও ট্রাষ্ট সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন, ট্রাষ্ট সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রবিউল মার্কেট এন্ড এপার্টমেন্টের স্বত্তাধিকারী আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম,ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ খান, লতিফ রিয়েল এষ্টেট লিঃ পাবনা শাখার জেনারেল ম্যানেজার ও ট্রাষ্টের যুগ্ম মহাসচিব মোঃ মাহবুব হোসেন খান (বাবলু),চড়াডাঙ্গা কোরআন সুন্নাহ মিশনের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল বাশার মোহাম্মদ জুলফিকার আলী, কোরআন সুন্নাহ মিশনের তত্বাবধায়ক আলহাজ্ব জিল্লুর রহমান বনি ইয়ামিন,পাবনা সদর গোরস্থান জামে মসজিদের ঈমাম আল:আবু তাহের প্রমুখ। উল্লেখ্য ১৯৯৪ সালে ৪০ বিঘা জমির উপর বায়তুল হামদ জামে মসজিদে নির্মাণ কাজ শুরু করেন চড়াডাঙ্গা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল হাই। আধুনিক নির্মাণ শৈলিতে কারুকার্য সম্বলিত এই মসজিদটিতে এক সঙ্গে ৩,৫০০ মুসুল্লী প্রতি তলায় নামাজ আদায় করতে পারবেন। বর্তমানে মসজিদের নীচ তলার নির্মাণ কাজ প্রায় ৬০% সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে টাইলস ফিটিংস সহ জানালা-দরজা ও অন্যান্য কাজ চলছে।

চাটমোহরে ট্রেনের টিকিট এখন ভ্রাম্যমান চা-ষ্টল ও মুদি দোকানে
মোবারক বিশ্বাসঃ পাবনার চাটমোহর রেলস্টেশনে দীর্ঘদিন যাবৎ টিকিট কালোবাজারীদের দখলে রয়েছে। স্টেশন মাষ্টারদের যোগসাজসে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারী হচ্ছে। বর্তমানে চাটমোহর রেলস্টেশনে আসনসহ টিকিট সোনার হরিনের মত হয়ে গেছে। আলাদা রেল মন্ত্রনালয় গঠন হওয়ার পরেও ট্রেনের টিকিট কালোবাজারী হওয়ার ব্যাপারে দেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশ হলেও গত কয়েক মাস পূর্বে টিকিট কালোবাজারীদের হাতে যেন না যেতে পারে সে জন্য রেল মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী অগ্রিম ৩ দিনের টিকিট ছাড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। এর পরেও থেমে নেই টিকিট কালেবাজারীর এই রমরমা ব্যবসা। প্রতিদিন ৫ টা টিকিট কালোবাজারে বিক্রি করতে পারলেই ৫’শ থেকে ১ হাজার টাকা হাত খরচ চলে আসছে ব্লাকাদের। আর এসকল আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট প্রকাশ্যেই পাওয়া যাচ্ছে রেলস্টেশনের উপর ভ্রাম্যমান চা-ষ্টল ও মুদি দোকান মালিক অথবা চা-ষ্টলের কাষ্টমারের কাছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্টেশন স্টাফ জানান, স্টেশন মাষ্টার গাজী গোলাম ফেরদৌস ৩ দিন পূর্বেই রাত ১২ টার পর এসে গোপনে কম্পিউটার ওপেন করেন এবং সমস্ত টিকিট বের করে রাতেই এসকল চিহ্নিত ব্লাকারদের হাতে পৌচ্ছে দিয়ে চলে যান। সকালে যাত্রী সাধারন টিকিট চাইলে কম্পিউটার ওপেন করে “সিট খালি নেই” লেখাটি যাত্রীদের দেখিয়ে দেন। সিট কোথায় গেল যাত্রীরা জানতে চাইলে যাত্রীদের লক্ষ্য করে মাষ্টার সাহেব আক্রমণত্বক ভাষা ও গালমন্দ করে থাকেন। আর এনিয়ে স্টেশন কতৃপক্ষের সাথে দূ-দূরন্ত থেকে আগত সাধারন যাত্রীদের প্রতি নিয়তই চলছে বাক-বিতন্ডা। ঢাকা গামী সকল ট্রেনের এসি কম্পাউন্ডের যে কয়টি আসন আছে, সব কয়টি আসনই তার নিজ তবিয়্যতে রাখেন এবং চাইলে তিনি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নাম ব্যবহার করেন। সাধারনত যেসকল নাম ব্যবহার করা হয় তারা হলেন,  আটঘরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ইশারত আলী, আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, চাটমোহর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড, একেএম সামসুদ্দিন খবির, চাটমোহর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড, সাখোওয়াত হোসেন সাখো, পাবনা জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন ক্লার্ক, চিপ জুডসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও রেলের বিভিন্ন উর্দ্ধতন কর্মকর্তার নামে টিকিট বুক আছে বলে জানান। তার এই অপকর্ম যখন ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে তখন এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে তার বিরুদ্ধে মিছিল সমাবেশও করেছে। সরজমিনে রেলবাজার স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় বখাটে কিছু যুবক এই টিকিট প্রকাশ্যে রেল কাউন্টারের বাহিরে উচ্চ দামে কালোবাজারে বিক্রি করছে। রেল কাউন্টারে তিন দিন আগে গিয়ে টিকিট পাওয়া না গেলেও এসকল কালোবাজারীদের কাছে পাওয়া যায় সকল ট্রেনের টিকিট। ঢাকা গামী প্রতিটি ট্রেনের টিকিট ২’শ ৫০ টাকা থেকে ৩’শ ৫০ টাকায় আসন বরাদ্ধসহ কালোবাজারীদের কাছে পাওয়া যায়। এ টিকিট গুলো অবশ্য প্রকাশ্যে কালোবাজারীরা বিক্রি করছে। যেন মনে হয় চাটমোহর রেলস্টেশনের ভ্রাম্যমান টিকিট কাউন্টার। চাটমোহর রেলস্টেশনের মাষ্টার গাজী গোলাম ফেরদৌসসহ এসকল চিহ্নিত কালোবাজারীদের গ্রেফতার এবং আইন অনুয়ায়ী তাদের কঠোর শাস্তির দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী। চাটমোহর স্টেশনে অবস্থানরত কয়েকজন যাত্রী সাধারন জানান, এ সপ্তাহে দু’দিন ঢাকা যাচ্ছি, তিন দিন আগে এসেও আসনসহ টিকিট পায়নি। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা যাত্রীরা ৪/৫ দিন আগে আসনসহ টিকিট সংগ্রহ করতে এলেও তারা পায় না। আর দূর দুরান্তের যাত্রীরা তো টিকিট পাওয়া প্রশ্নই উঠে না। এব্যাপারে মূলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি প্রথমে ঐ সকল দূর্ণীতিবাজ রেল কর্মকর্তা ও মাষ্টারের অপসারণ চাই এবং দেশের আইন অনুয়ায়ী কালোবাজারীদের কঠোর শাস্তি হওয়ার প্রয়োজন। ট্রেনের টিকিট কালোবাজারের ব্যাপারে রেলওয়ের পশ্চিম যোনের বিভাগীয় বানিজ্যিক কর্মকর্তা (ডি,সি,ও)’র সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। এব্যাপারে চাটমোহর রেলস্টেশনের মাষ্টার গাজী গোলাম ফেরদৌস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দম্ভের সাথে বলেন, সাংবাদিকরা সাংঘাতিক এবিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারবেন না বলে এড়িয়ে যান। অবহেলিত এলাকাবাসী দ্রুত স্টেশনের দূর্ণীতি রোধের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের উর্দ্ধস্তন কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মানব মুক্তি সংস্থার উদ্যোগে ‘‘ প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের মাঝে সহায়ক উপকরন বিতরন”
মোবারক বিশ্বাস ঃ  ইউরোপিয়ান কমিশন ফর হিউমেনিটেরিয়ান এইড এন্ড সিভিল প্রটেকশন এবং একশনএইড বাংলাদেশ’র সহযোগিতায় ‘‘একটি দুর্যোগ সহনশীল ভবিষ্যৎ: কার্যকর ঝুঁকি হ্রাসের জন্য কমিউনিটি এবং প্রতিষ্ঠান সমূহকে সংগঠিত ও উদ্বুদ্ধকরণ ডিপিকো ৬ প্রকল্প’র আওতায় বিগত ১৯-২০ জুন ২০১২ পাবনা জেলার বেড়া উপজেলাধীন হাটুরিয়া নাকালিয়া ইউনিয়নের চর নাগদা ও চর নাকালিয়া গ্রামের ৭৮ জন প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক নারী পুরুষের মাঝে বিতরন করা হয় সম্মানজনক ও আরামদায়ক জীবন-যাপনে সহায়ক বিভিন্ন ধরণের উপকরণ; যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো হুইল চেয়ার, ক্র্যাচ, সাদাছড়ি, টয়েলেট চেয়ার এবং ওয়াকিং স্টিক। উপকরন বিতরন ও উপকরণ ব্যবহারে করনীয় বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানব মুক্তি সংস্থার উপ-পরিচালক এস এম আমির হোসাইন, ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম ও জাহানারা ইসলাম; একশনএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার ওবাইদুল ইসলাম মুন্না, মুবদিউল মুহিত; হেলপএজ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান এবং মানব মুক্তি সংস্থার ডিপিকো- ৬ প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ গোলাম রাব্বানী। শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য, বয়স ও অন্যান্য পরিবেশ ও পরিস্থিতির কারণে দৈনন্দিন জীবন-যাপনে অনেক প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা তথা বিশেষ পরিচর্যার প্রয়োজন হয়। এই পরিচর্যার প্রক্রিয়াকে সহজ ও মর্যাদাপূর্ণ করার মানসেই এমন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উন্নয়নের মূলধারায় প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়টিকে অধিক গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়েছে এই কার্যক্রমের মাধ্যমে। উল্লেখ্য যে প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ, তাদের চাহিদা যাচাই এবং সেই অনুযায়ী সহায়ক উপকরণ বরাদ্দের সার্বিক প্রক্রিয়ায় কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করেছে হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশনাল, হেল্পএইজ ইন্টারন্যাশনাল এবং নারী কনসোর্টিয়াম।

আরও পড়ুন...

CAB 6 ward Participants

ধুমপান মুক্ত, ক্লিন ও গ্রীন সিটি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে তৃণমূল পর্যায়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগের দাবি

ক্যাব ৬নং পূর্বষোল শহর ওয়ার্ড কমিটির অরিয়েন্টেশন সম্পন্ন ধুমপান মুক্ত, ক্লিন ও গ্রীন সিটি ও নিরাপদ …