আপডেট :»Wednesday - 21 February 2018.-
  বাংলা-

পাবনায় রূপালী জুয়েলার্স এ দুধুর্ষ চুরি ২০ লাখ টাকার ক্ষতি ৭ শ্রমিক আটক

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাস ঃ শহরের সোনাপট্টি জুয়েলার্স এর দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতি-সাধন। শহরে সোনাপট্টি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ ভবনের সিড়ির পাশে রূপালি জুয়েলার্স এ গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে। রূপালি জুয়েলার্স এর মালিক ফারুক হোসেনের ভাই হীরা জুয়েলার্স এর মালিক মোঃ সুইট জানায়, গত শুক্রবার ফারুক বিকাল ৫টার সময় দোকান বন্ধ করে ইফতারি করার জন্য বাড়ি যায়। শনিবার সকাল ১০ টায় দোকান খুলে দেখতে পায় দোকানের শোকেচের কাঁচ ভাঙ্গা। ভিতরে গিয়ে দেখতে পায় দোকানের পিছনে কেঁচি গেটের তালা এসিড দিয়ে খোলা। ভিতরের কাঁঠের দরজার তালা ভেঙ্গে ঢুকে সিন্দুকে থাকা নগদ ১ লক্ষ টাকা সহ ১৫ থেকে ১৮ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। সুইট আরো জানায়, দোকানে থাকা রূপার গহনার কোনো ক্ষতি হয় নাই। প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে জানা যায়। ঘটনাস্থলে পাবনা থানার অফিস ইনচার্জ আফজাল হোসেন পরিদর্শন করেছেন। তদন্ত অফিসার এস.আই জিয়া জানায়, ঘটনাস্থল থেকে চোরের ব্যবহারকৃত হাতুড়ি, পক্ষাস, ছেনীসহ কিছু যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়েছে। দোকানের ৭ জন কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। আশা করছি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে চুরির মুল রহস্য উৎঘাটন করা হবে- মামলা প্রক্রিয়াধীন। বাংলাদেশ জুয়েলারী মালিক সমিতির সভাপতি পাবনা জেলা শাখার সভাপতি কামরুল আনাম রিপন জানায়, মূল রহস্য উৎঘাটন করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানান। এদিকে ৭ জন শ্রমিক আটকের ঘটনায় সদর উপজেলা স্বর্ণশিল্প শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শফিকুল ইসলাম ইরাক-এর নেতৃত্বে সকল শ্রমিকবৃন্দ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দের বৈঠক চলছিল।

তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হতে হবে
…………এডঃশিমুল বিশ্বাস

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাস ঃ বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী এডঃ শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন দেশ আজ গভীর সংকটে নিমজ্জিত। মানুষ আজ আওয়ামী দুঃশাসনে অতিষ্ঠ। দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে মানুষের নাভিশ্বাস ঘটছে। দেশের মানুষকে আজ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হতে হবে। নইলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশবাসী দুর্বার গণ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে বিদায় করে দেবে। তিনি আরো বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রীদের দেশপ্রেমের সার্টিফিকেট না দিয়ে নিজেই পদত্যাগ করে দেশপ্রেমের প্রমাণ দিতে পারেন। ঈদের পরই তীব্র আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারী এ সরকারের পতন ঘটানো হবে।
গতকাল পাবনা জেলা বিএনপির ইফতার মাহফিলের প্রধান অতিথির বক্তব্যতে তিনি এ সব কথা বলেন। পাবনা জেলা বিএনপির সভাপতি মেজর অব কেএস মাহমুদের সভাপত্বিতে ইফতার মাহফিলে আরো বক্ত্য দেন কেন্দ্রী বিএনপির সহ-তথ্য ওগবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব,পাবনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তোতা, সাংগাঠনিক সম্পাদক মাহমুদুন্নবী স্বপনসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা
চাটমোহরে অমৃতকুন্ডা হাটে চলছে নীরব চাঁদাবাজি!

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাস ঃ ঈদ উপলক্ষ্যে চাটমোহরের অমৃতকুন্ডা (রেলবাজার) হাটে চলছে নীরব চাঁদাবাজি। উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে খাজনা আদায়ের নামে এই চাঁদাবাজি চলছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। এই হাটের খাজনা আদায়ের বাস্তব চিত্র যেন ‘মগের মল্লুক’। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নীরব ভুমিকার কারণে হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতারা হাট ইজারাদারের লোকজনের নিকট জিম্মি হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার সর্ববৃহৎ হাট ‘অমৃতকুন্ডা হাট’টি ইজারা পান অমৃতকুন্ডা গ্রামের তাহের সরকারের ছেলে মোঃ তৈয়ব আলী। সকল কাজের কাজী তৎকালীন ইউএনও পুর্বের বছরের চেয়ে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা কম ইজারা মুল্যে হাটটি ইজারা দেন তৈয়ব আলীকে। ইজারা পাওয়ার পর তৈয়ব আলী সকল নিয়ম-কানুনকে উপেক্ষা করে হাটের গরু, পাট ও চৈতালী ফসলের অংশসহ বেশ কিছু অংশ (নির্ধারিত স্থান) সাব-ইজারা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হাটে প্রকাশ্যে জনসম্মুখে বিভিন্ন পন্য সামগ্রীর মুল্য তালিকা সম্বলিত সাইনবোর্ড প্রদর্শনের বিধান থাকলেও ওই হাটে কোন সাইনবোর্ড নেই। ফলে হাটে কোন দ্রব্যের খাজনা কত তা নির্দিষ্ট ভাবে ক্রেতা-বিক্রেতারা জানতে পারছে না। এই সুযোগে হাট ইজারাদারের লোকজন ইচ্ছেমতো খাজনা আদায় করছেন। ক্রেতা-বিক্রেতা কর্তৃক প্রকৃত খাজনা জানতে চাওয়া কিংবা অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের প্রতিবাদ করায় ইজারাদারের লোকজন কর্তৃক ক্রেতা-বিক্রেতা লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটছে অহরহ। সরেজমিনে হাট ঘুরে দেখা গেছে, হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়রে নিকট থেকেই খাজনা আদায় করা হচ্ছে। যা রীতিমতো নিয়ম পরিপন্থি। হাটে আগত বেশির ভাগ ক্রেতা-বিক্রেতার অভিযোগ, হাটে খাজনা আদায়ের চিত্র যেন ‘মগের মল্লুক’। এব্যাপারে হাট ইজারাদার মোঃ তৈয়ব আলীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমি নতুন এসেছি। ইজারাদার সাব-ইজারা দিলে ওই হাটের ইজারা আইনগত ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব। হাটের ক্রেতা-বিক্রেতারা এব্যাপারে জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পাবনা চাটমোহরে দুই পুলিশ কর্মকর্তার
আচারনে গ্রামবাসী হতভম্ব!

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাস ঃ পাবনা চাটমোহরে সরকারি রাস্তার পার্শ্বে দোকান ঘর নিমার্ণ করাকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের ঘটনায় দুই পলিশ কর্মকর্তার আচারনে হতভম্ব হয়ে পড়ে এলাকাবাসী। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শামসুল আলমসহ ২ নিরীহ ব্যক্তিকে আটক করে অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে। গত সোমবার সকালে উপজেলার দোদারিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শামসূল আলম ওই গ্রামের মৃত কাদের সরকারের ছেলে। সরেজমিনে ওই গ্রামে গিয়ে জানা যায়, দোদারিয়া চৌরাস্তার মোড়ে সরকারি রাস্তার গা ঘেঁষে প্রায় একবছর আগে আহসান সরকারের ছেলে গোরা সরকার একটি দোকানঘর নির্মাণ করে। ওই দিন গোরা সরকারের সহোদর ভাই আব্দুস সাত্তার পুর্বের নির্মিত দোকান ঘর সরিয়ে অনুস্থলে আরো একটি ঘর নির্মাণ করতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে চাটমোহর থানার এসআই ময়েনের নেতৃত্বে এএসআই আনোয়ার ও আজাহার আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। এলাকাবাসী উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ঘটনাস্থলে এসেই এসআই ময়েন ও সিভিল পোশাক পরিহিত এএসআই আনোয়ার উপস্থিত জনতার উপর চড়াও হয়। এসময় ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা এলাকাবাসীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ বেধড়ক মারপিট করে। এর প্রতিবাদ করলে শামসুল আলমকে ঘটনাস্থলেই বেধড়ক মারপিটসহ অপর দুই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশের বেপরোয়া লাঠিচার্জে অন্তত: ১০ জন নারী-পুরুষ কমবেশি আহত হন। পরে দেন দরবার শেষে মোটা টাকার বিনিময়ে আটককৃত ব্যক্তিদের থানা থেকে ছেড়ে দেন ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা। এলাকাবাসী সাংবাদিকদের নিকট এর প্রতিকার দাবি করেন। এব্যাপারে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা দাবি করেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সামান্য লাঠিচার্জ করা হয়েছে মাত্র। কোন গালিগালাজ করা হয়নি। উল্লেখ্য, চাটমোহর থানার এসআই ময়েনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে।

রজব মেম্বরকে রুখবে কে?
পাবনা চাটমোহর অমৃতকুন্ডা হাটে চলছে জুয়া
থানার বখরা ১২ হাজার টাকা

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাস ঃ পাবনা চাটমোহরে অমৃতকুন্ডা (রেলবাজার) হাটে বাধাহীন ভাবে চলছে জমজমাট জুয়ার আসর। থানা পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে স্থানীয় সাবেক মেম্বর গং’র নেতৃত্বে এই আসর চলছে। জুয়ার আসরের অদুরে রয়েছে অমৃতকুন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মুলগ্রাম ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে দিবালোকে ও রেলবাজার মমতাজের বাড়ির পাশে চলা জুয়ার আসরে অংশগ্রহনকারীদের হৈ-হুল্লার কারণে শিক্ষার পরিবেশ চরম ভাবে ব্যহত হচ্ছে। রজব মেম্বর থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করায় এলাকাবাসীর কোন প্রতিবাদই কাজে আসছে না।
সুত্র জানায়, প্রতি হাটের দিনে (সপ্তাহের রোববার) এই আসরে ১০ লক্ষাধিক টাকার জুয়া খেলা চলে। সাধারণত ৩ টি ইভেন্টে চলে জুয়ার আসর। জুয়ার আসরে যোগ দিয়ে এলাকার শত শত লোক নিঃস্ব হচ্ছে। প্রকাশ্য দিবালোকে জুয়া খেলা চললেও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। থানা পুলিশের একটি সুত্র জানায়, এই জুয়ার আসর থেকে থানা পুলিশের মাসিক আয় হচ্ছে ১২ হাজার টাকা। এর একটি অংশ যায় পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে। একাধিক শিক্ষক নাম না প্রকাশ করা শর্তে জানায়, জুয়ার আসরে অংশ নেওয়া লোকজন প্রায়ই বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। জুয়াড়–দের হৈহুল্লার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঠিকমতো পাঠদান দেওয়া যায় না। স্কুল ক্যাম্পাসের অদুরে বসা জুয়ার আসর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে বিরুপ প্রভাব ফেলছে বলে দাবি করেন ওই শিক্ষকরা। জনৈক শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যেভাবে প্রকাশ্যে জুয়ার আসর চলছে তা দেখে মনে হয় না দেশে প্রশাসন কিংবা আইনের কোন প্রয়োগ আছে। এলাকাবাসী জুয়ার আসর বন্ধ করতে পাবনা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পাবনায় বিশেষ বরাদ্দের ৫ হাজার মেট্রিকটন সার
কালোবাজারে : কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাস ঃ জেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্টরা যোগসাজশ করে পাবনা জেলার জন্য বিশেষ বরাদ্দের ৫ হাজার মেট্রিকটন সার কালো বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এই সার বরাদ্দের কাগজ বিক্রি করে সংশ্লিষ্ট ডিলার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, পাবনা সদর উপজেলার আশরাফুল আলম, আটঘরিয়া উপজেলার উষা এন্টারপ্রাইজ এবং সুজানগর উপজেলার আশা এন্টারপ্রাইজ তিন নামে লাইসেন্স হলেও এর মুল মালিক পাবনা শহরের বলরামপুরের আশরাফুল আলম ঠান্ডু। সার বিতরণ কমিটির সভাপতি, সদস্য সচিব বাদেও আরও দুইজন সদস্য রয়েছেন তারা হলেন ফার্টিলাইজার এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইদ্রিস আলী বিশ্বাস এবং এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী আলহাজ্ব আবুল হোসের খান মোহন। গত মে থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সার বিতরণ কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক এবং সদস্য সচিব জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা যোগসাজসে কমিটির অপর দুইজনকে না জানিয়ে আশরাফুল আলমের নিয়ন্ত্রণাধীন তিনটি লাইসেন্সের বিপরীতে প্রায় ৫ হাজার টন সার বরাদ্দ দেন। উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান হোসেন জানান, স্পেশাল বরাদ্দকৃত সার পাবনায় পৌছেনি। বরাদ্দকৃত সারের মধ্যে রয়েছে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি।
বিশ্বস্ত সুত্র জানায়, এই ৫ হাজার টন সার কালোবাজারে বিক্রি করে প্রায় এক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আশরাফুল আলম ঠান্ডু। খোজ নিয়ে জানা যায়, কেজিতে ২ টাকা লাভ হলে ৫ হাজার মেট্রিকটন সারে লাভ হয় এক কোটি টাকা। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা উভয়ই নিজের দপ্তর থেকে তথ্য দিতে অস্বীকার করেন এবং একে অপরের কাছ থেকে তথ্য নিতে বলেন। জেলা প্রশাসক এবং উপ-পরিচালকদ্বয় সাংবাদিককে তথ্য না দিয়ে বরং তথ্য গোপন করার মত অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। তবে গত তিন মাসের স্পেশাল ভাবে বরাদ্দকৃত সারের হদিস খোঁজ করা হলেই থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে ।

পাবনা ডিবি পুলিশের হাতে অস্ত্র
গুলিসহ অস্ত্র বিক্রেতা আটক

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাস ঃ পাবনা ডিবি পুলিশ গত শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশী পিস্তল ৩ রাউন্ড পিস্তলের গুলি ও ১টি ম্যাগজিনসহ এক অস্ত্র ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। ডিবি পুলিশের এসআই ইয়াসিন আরাফাত জানান, তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন পাবনা ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষিপুর ইউনিয়নের চরকুরুলিয়া গ্রামে কািতপয় ব্যাক্তি অস্ত্র ক্রয় বিক্রয় করছে। খবর পেয়ে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার শামিম হোসেন, ডিবি পুলিশের এসআই ইয়াসিন আরাফাতসহ সঙ্গিয় পুলিশ সদস্যরা শনিবার রাত পৌনে ১১ টায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। অভিযান দল চরকুরুলিয়া বাজারে পৌছে সালাম নামে একজনকে গ্রেফতার করলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। তার দেহ তল্লাশি করে একটি বিদেশী পিস্তল ৩ রাউন্ড গুলি ও ১টি ম্যাগজিন উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত লক্ষিপুর ইউনিয়নের কুরুলিয়া গ্রামের মোঃ গনি মালিথার ছেলে মো সালাম (৩২)। গ্রেফতারকৃতকে ঈশ্বরদী থানায় অস্ত্র গুলিসহ সোর্পদ পুর্বক অভিযান দল ঈশ্বরদী থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*