Home / দেশ / ইউজিসি কর্তৃক উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়নে বাকৃবি’র ১১ টি প্রকল্প অনুমোদিত|

ইউজিসি কর্তৃক উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়নে বাকৃবি’র ১১ টি প্রকল্প অনুমোদিত|

মোশাররফ হোসেন শুভ, ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের(বাকৃবি) উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন অনুষদ কর্তৃক দাখিলকৃত প্রকল্পের মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশণ(ইউজিসি) ১১টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছেন । এ উপলক্ষে গত বুধবার (৪এপ্রিল২০১২)ভাইস-চ্যান্সেলর সচিবালয়ের সভা কক্ষে হায়ার এডুকেশণ কোয়ালিটি এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট(HEQEP) প্রকল্পসমূহের এসপিএমদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয় । সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল হক।এ সময় প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ শামসুদ্দীন, প্রকল্পের এসপিএম প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল হালিম খান, প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল খালেক পাটোয়ারী, প্রফেসর ড. মু.আবুল কাসেম, প্রফেসর ড. মোঃ জসিম উদ্দিন খান, প্রফেসর ড. আবু তাহের মোঃ জিয়া উদ্দিন, জিটিআই পরিচালক প্রফেসর ড. জাবেদ আলী মির্জা, প্রফেসর ড. মোঃ হাম্মাদুর রহমান, প্রফেসর ড. মোঃ মোখলেছুর রহমান প্রমুখ ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল হক, প্রকল্পসমূহের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশণ(ইউজিসি)এবং সকল এসপিএমদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন আমাদের সকলকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে একসাথে কাজ করতে হবে। প্রকল্পের কাজসমূহ অত্যন্ত দক্ষতারসাথে,সুচারু ভাবে যথা সময়ে সম্পন্ন করতে হবে যাতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি পায়।তিনি আরও বলেন জাতীয় উৎপাদনশীলতায় বাকৃবির অবস্থান অন্যতম। বাংলাদেশের উন্নয়নের সিংহ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে কৃষিতে যার একক দাবীদার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। তাই এই প্রকল্পসমূহ যেন আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে সহযোগিতা করে সে দিকে আমাদের নজর দিতে হবে। উল্লেখ্য উচ্চ শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয় দফায় ১১ প্রকল্পে এ বিশ্ববিদ্যালয় মোট অর্থ বরাদ্ধ পাবে ২৬ কোটি ১৭ লক্ষ ৪ হাজার টাকা । ইতিপূর্বে প্রথম দফায় এ বিশ্ববিদ্যালয় ৫টি প্রকল্প পেয়েছিল।

বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো ময়মনসিংহ ২০১২ উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে বিসিএস ময়মনসিংহ শাখা
মোশাররফ হোসেন শুভ, ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ আগামী ৫-৯ এপ্রিল জেলা জিমনেসিয়াম ময়মনসিংহে “ডিজিটাল শিক্ষাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি” এই শ্লোগান নিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি পন্য ও সেবা ডিটিটাল জীবনধারা প্রদর্শনী বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি ময়মনসিংহ শাখার হলরুমে আয়োজন করা হয় সাংবাদিক সম্মেলনের। সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সহ সভাপতি মোঃ মঈনুল ইসলাম লিখিত ভাবে জানান, বাংলাদেশকে ডিজিটাল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তথ্য প্রযুক্তির কোন বিকল্প নাই। তাই সকলের মধ্যে তথ্য প্রযুক্তির পরিচিতি ও জ্ঞান বিস্তারের জন্য ময়মনসিংহে এই প্রথমবারের মত আয়োজন করা হচ্ছে বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো ময়মনসিংহ ২০১২। তিনি জানান ৬দিন ব্যাপী এই কম্পিউটার মেলায় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পন্য সামগ্রী, নেটওয়ার্ক ও ডাটা কমিউনিকেশন, টেলিকম সেবা, মাল্টিমিডিয়া, আইসিটি, শিক্ষা উপকরন, ল্যাপটপ, পামটপ, ডিজিটাল জীবনধারাভিত্তিক প্রযুক্তি ও পন্য ইত্যাদি উন্নত ও হালনাগাদ সংস্করন প্রদর্শন করা হবে। মেলায় শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক সচেতনতা কর্মসুচি, সেমিনারের আয়োজন করা হবে। ৬দিন ব্যাপী এই মেলার শুভ উদ্বোধন করবেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর একান্তসচিব-১ এবং একসেস টু ইনফরমেশনের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম খান, জেলা প্রশাসক লোকমান হোসেন মিয়া, ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়র ইকরামুল হক টিটু, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোঃ ফয়েজউল্যাহ খান। বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় এই ৬দিন ব্যাপী কম্পিউটার মেলার উদ্বোধন করা হবে। মেলা চলবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সহ সভাপতি মোঃ মঈনুল ইসলাম ময়মনসিংহে এই প্রথম আয়োজিত বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো ময়মনসিংহ ২০১২ মেলায় মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকার জন্য মোহনা টেলিভিশনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন । সাংবাদিক সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাধারন সম্পাদক ইসমাইল হোসেন তপন, বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো ময়মনসিংহ ২০১২ বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি ময়মনসিংহ শাখার আহবায়ক জয়প্রকাশ মন্ডল।

পূর্ব শত্র“তার জের ঈশ্বরগঞ্জের পল্লীতে পুকুরে বিষ ঢেলে প্রায় লাখ টাকার মাছ নিধন
মোশাররফ হোসেন শুভ, ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ: পূর্ব শত্র“তার জের ধরে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের পল্লীতে প্রতিপক্ষ পুকুরে বিষ ঢেলে প্রায় লক্ষাধিক টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের চরশংকর গ্রামের মাওলানা লিয়াকত আলীর সাথে প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান,আব্দুর রহমান ও মোজাম্মেল গংদের সাথে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল দীর্ঘ দিন ধরে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় গ্রাম্য সালিশ হলেও প্রতিপক্ষরা সিদ্ধান্ত না মেনে লিয়াকতের স্ত্রী শামছুন্নাহারকে বাড়িতে একা পেয়ে মারধর করে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়। এ নিয়ে গত ১ ফেব্র“য়ারি ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি মামলা হলে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে প্রতিপক্ষ। এর জের ধরে গত মঙ্গলবার রাতে কোন এক সময় লিয়াকতের বাড়ির পুকরের বিষ ঢেলে বিভিন্ন জাতের প্রায় একলাখ টাকা মূল্যের মাছ মেরে ফেলে। লিয়াকত জানান, প্রতিপক্ষরাই প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তার পুকরের মাছ বিষ দিয়ে মেরে ফেলে।

আরও পড়ুন...

নগরীতে জেএসইউএস ও সিডিডি আয়োজিত প্রতিবন্ধিতা ও একীভূত উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কর্মরত জাতীয় সংগঠন সেন্টার ফর ডিজএ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (সিডিডি) ও সিবিএম এর সহযোগিতায় বেসরকারী মানব উন্নয়ন মূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (জেএসইউএস)’র অংশগ্রহণে “প্রতিবন্ধিতা ও একীভূত উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ”গত ১৯ নভেম্বর ২০২০ ইংরেজী নগরীর দেওয়ানবাজারস্থ সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেএসইউএস নির্বাহী পর্ষদের সদস্য ও সংস্থার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সহ-সভাপতি ফারজানা রহমান শিমু, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভীন, ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ও পরিচালক কবি প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ ছাবের আহমেদ, নির্বাহী সদস্য শাহানাজ বেগম, সিনিয়র এসিসটেন্ট ডিরেক্টর এম এ আসাদ, এসিসটেন্ট ডিরেক্টর শহীদুল ইসলাম, সংস্থার শাখা ব্যবস্থাপকসহ অপরাপর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সিডিডি-এর পক্ষ থেকে থিমেটিক এক্সপার্ট মো: জাহাঙ্গীর আলম, সিডিডি’র কোঅর্ডিনেটর ও প্রজেক্ট ম্যানেজার তানবিন আহমেদ, শাহ জালাল, জুনায়েদ রহমান, হীরা বণিক উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক ধারণা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তি, সংস্থায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তি বিষয়ে ধারণা ও সকল কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সম্পৃক্তকরণের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত কর্মপদ্ধতি নির্ধারণসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মো: জাহাঙ্গীর আলম। কর্মশালা পরিচালনায় মো: জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “বর্তমান সরকারের আন্তরিকতা ও নানা উদ্যোগ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারের এ সংক্রান্ত অনেক আইন ও নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু  সে অনুযায়ি সচেতনতা না থাকায় এর সুফল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গ পাচ্ছেন না। আমাদের সকলের সম্মিলত প্রচেষ্টায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হতে পারে।” উদ্যোগ নিতে হবে আমাদের সকলকে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গে সংস্থার পরিচালক কবি প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন বলেন, “জেএসইউএস প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থা অপরাপর কর্মসূচীতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে।” ভবিষ্যতে সকল প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধিতা ইস্যুটি সর্বাগ্রে বিবেচনা করা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি বার্তা প্রেরক মো: আরিফুর রহমান প্রোগ্রাম ম্যানেজার (এসডিপি)