Home / দেশ / কসবায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হাটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

কসবায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হাটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ গতকাল বুধবার (২১মে) বিকেলে ২০৩৯নং পিলার সংলগ্ন কসবায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে দু’দেশের যৌথ মালিকানায় সীমান্ত হাটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।
কসবা সীমান্তের কমলা সাগর দীঘির উত্তরপাড়ে তারাপুর এলাকায় ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে সীমান্ত হাটের আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে দু’দেশের সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগে ভারতের কমলাসাগর দীঘি পর্যটন এলাকায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট নাজমা বেগম। ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহীজলা জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট শ্রী ডি.কে চাকমা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ত্রিপুরা বিধান সভার সদস্য নারায়ন চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন; কসবা পৌর মেয়র মুহম্মদ ইলিয়াস, ত্রিপুরার শিল্প ও বাণিজ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী পরিচালক নরেন্দ্র আগারওয়াল, সীমান্ত হাট কমিটির সদস্য শ্রীমতি ছায়া সরকার প্রমুখ।
জানা যায়, বাংলাদেশের ৬৯.৬৬ শতাংশ ও ভারতের ৬৯.৬৬ শতাংশ ভূমিতে ভারত সরকারের ২ কোটি ৪৪ লাখ রুপি ব্যয়ে ৬০টি দোকান ঘর আগামী ৪ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে। তৈরীকৃত সীমান্ত হাটে বাংলাদেশের ৩০ জন ব্যবসায়ী ও ভারতের ৩০ জন ব্যবসায়ী নির্ধারিত পণ্য দ্রব্য বিক্রয় করতে পারবেন। প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত সীমান্ত হাটের কার্যক্রম চলবে। সীমান্ত হাট উপলক্ষ্যে দু’দেশের সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে আর্থিক ভিত্তি মজবুত হবে বলে দু’দেশের সীমান্ত অধিবাসীরা মনে করছেন।

কসবায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হাটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনকসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ গতকাল বুধবার (২১মে) বিকেলে ২০৩৯নং পিলার সংলগ্ন কসবায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে দু’দেশের যৌথ মালিকানায় সীমান্ত হাটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।কসবা সীমান্তের কমলা সাগর দীঘির উত্তরপাড়ে তারাপুর এলাকায় ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে সীমান্ত হাটের আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে দু’দেশের সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগে ভারতের কমলাসাগর দীঘি পর্যটন এলাকায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট নাজমা বেগম। ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহীজলা জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট শ্রী ডি.কে চাকমা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ত্রিপুরা বিধান সভার সদস্য নারায়ন চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন; কসবা পৌর মেয়র মুহম্মদ ইলিয়াস, ত্রিপুরার শিল্প ও বাণিজ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী পরিচালক নরেন্দ্র আগারওয়াল, সীমান্ত হাট কমিটির সদস্য শ্রীমতি ছায়া সরকার প্রমুখ। জানা যায়, বাংলাদেশের ৬৯.৬৬ শতাংশ ও ভারতের ৬৯.৬৬ শতাংশ ভূমিতে ভারত সরকারের ২ কোটি ৪৪ লাখ রুপি ব্যয়ে ৬০টি দোকান ঘর আগামী ৪ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে। তৈরীকৃত সীমান্ত হাটে বাংলাদেশের ৩০ জন ব্যবসায়ী ও ভারতের ৩০ জন ব্যবসায়ী নির্ধারিত পণ্য দ্রব্য বিক্রয় করতে পারবেন। প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত সীমান্ত হাটের কার্যক্রম চলবে। সীমান্ত হাট উপলক্ষ্যে দু’দেশের সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে আর্থিক ভিত্তি মজবুত হবে বলে দু’দেশের সীমান্ত অধিবাসীরা মনে করছেন।

About

আরও পড়ুন...

ভ্যাকসিন প্রাপ্তির তালিকায় বিদেশগামী কর্মীরা

কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন প্রাপ্তির তালিকায় অগ্রাধিকার প্রাপ্ত বিদেশগামী কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। iপ্রবাসী কল্যাণ ও …

error: বাংলার বার্তা থেকে আপনাকে এই পৃষ্ঠাটির অনুলিপি করার অনুমতি দেওয়া হয়নি, ধন্যবাদ