Home / দেশ / ইলিয়টগঞ্জে ৫’শ একর জমিতে ৬ লাখ বাঙ্গির চাষ

ইলিয়টগঞ্জে ৫’শ একর জমিতে ৬ লাখ বাঙ্গির চাষ

মোঃ হাবিবুর রহমান খান- কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জের দু’পাশের ৫’শ একর জমিতে প্রতি বৎসর ৬ লাখের উপরে বাঙ্গির চাষ করে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ঘুমহীন দিনরাত পাহারা দিয়ে দিয়ে বাঙ্গি চাষে ব্যাপক সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এ বাঙ্গি দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। প্রতি বৎসর এলাকার কৃষকরা বাঙ্গি চাষ করে ব্যাপক লাভও হয়েছেন। দেশের সবচেয়ে বেশি বাঙ্গি উত্তরাঞ্চলের পরে কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জে চাষ হয়। এখান দেশ বিদেশের লোকজন গাড়ী নিয়ে বাঙ্গি ক্রয় করে নিয়ে যায়। দেখতে সুন্দর ও খেতেও স্বাদ তাই সকলের প্রিয় বাঙ্গি। এই গরমে বাঙ্গির খুব একটা চাহিদা রয়েছে। তবে জমির কৃষকরা লাভবান না হলেও পাইকারী ব্যবসায়ী লাভবান হচ্ছেন বেশি। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়- ইলিয়টগঞ্জের টামটা গ্রামে অধিকাংশ কৃষকরা বাঙ্গি চাষের সাথে জড়িত। তিনশত বছর আগে চীন থেকে এই বাঙ্গির বীজ এনে চাষ করেছিল পূর্ব পুরুষেরা। আজও তারা এ ফসলটি ধরে রেখেছেন। এ বীজ চীন থেকে এসেছিল বলে এখানকার অধিবাসীরা একে চীনাল আবার কেউ কেউ চীনাবাঙ্গিও বলে থাকে। এর প্রকৃত মৌসুম মার্চ মে বেলে -দোঁআশ মাটিতে বাঙ্গি বেশ ভাল ফলে। খুব অল্প সময়ের মৌসুমী ফল এটি। মৌসুমটা আসতে না আসতেই যেন চলে যায় সময় স্বল্পতার কারণে কৃষকেরা ব্যস্ততাও অনেক। বছরে একবারই ফলে এই ফল। ডিসেম্বরের শুধুতেই এ চারা রোপন করা হয়। চলে ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত। টানা তিন মাস ধরে কৃষকের সংগ্রাম অব্যাহত থাকে। এ আবাদে আহামারি লাভ কিছু নেই, তবুও কৃষি প্রধান এ অঞ্চলের মানুষের জীবিকার একটি বিরাট অংশ পূরণ হয় বাঙ্গি থেকে। বাঙ্গিচাষী খলিল মিয়া জানান- বাঙ্গি চাষে খরচ কম হলেও বাঙ্গির দামও অনেকটা কম। তবে পাইকারী ক্ষেত্রে লাভবান হওয়া যায় না। খুচরা বিক্রেতারা বেশি লাভবান হয়। পাঁচ বিঘা জমিতে এবার তার বাঙ্গি ফেলেছে। জমি তৈরী বীজ ও সার ক্রয়, চাষাবাদ খরচ সব মিলিয়ে তার ব্যয় হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। ইতিমধ্যে জমির অর্ধেকের বেশি বাঙ্গি বিক্রি হয়ে গেছে। এ বাবাদ মোট পেয়েছেন ৩৯ হাজার টাকা। যে ধরনের ফলন হয়েছে তাতেও আরও ২০ হাজার টাকা তার হাতে আসার কথা। সেই ফজরের আযানের পর নামাজ পড়ে বেরিয়ে পড়েছেন জমিতে। ৪৭টি বাঙ্গি জমি থেকে তোলা হয়েছে তার। সকাল ৮টার মধ্যে ফড়িয়া এসে তার নিয়ে গেছে। দাম মিলেছে ছোট বড় মিলিয়ে ৯ টাকা হারে ৪’শত ২০ টাকা। সকালে ব্যস্ততা কেবল খলিল মিয়ারই নয়। এই গাঁয়ের অশীতিপর রহিম, আলী আযম, আসগর মিয়া এরা সবাই সেই ভোরে বাঙ্গি ক্ষেতে ছোটে এসেছেন। ছেলে বুড়ো সবাই ব্যস্ত বাঙ্গি তোলা আর বিক্রি নিয়ে। সকাল ৯টা বাজতেই সারি সারি দল বেধে মাথায় নিয়ে মহাসড়কের দিকে এগোতে থাকে সবাই। এখানে বাঙ্গি বোঝাই করার অপেক্ষায় আছে বহু ট্রাক। আছে ফড়িয়াও, তবে পাইকারী ব্যবসায়ীদের জ্বালায় অতিষ্ঠ এলাকার কৃষককুল। তাদের কথা লাভের ধন পিপঁড়াই খেয়ে যায়। এক একটা বাঙ্গি ১০/১২ টাকায় কিনলেও এ বাঙ্গি ঠিকই পাইকারী ব্যবসায়ী ২২/২৫ টাকা ধরে বিক্রি করছে। বাজারে এর খুচরা মূল্য আরও বেশি। এ ব্যাপারে পাইকারী ব্যবসায়ীরা জানালেন ভিন্ন কথা। রাস্তার খরচ, আর চাঁদা গুনতে গিয়ে তাদের খুব একটা লাভবান হয় না। পাইকারী ব্যবসায়ী পাঁচকিত্তা গ্রামের লিয়াকত আলী জানান- পুলিশ আর মস্তানী ভাতা দিতে না হলে বাঙ্গি পিছু আরও ২/৪ টাকা দিলেও তাদের পুষিয়ে যেত। সকাল ১০টা বাজতেই সড়কে লাইন বেঁধে রাখা বাঙ্গিগুলো ট্রাকে উঠাতে ব্যস্ত হয়েছে একটি দল। আস্তে আস্তে কৃষকেরা ব্যস্ততা কমতে শুরু করে। ইলিয়টগঞ্জ গ্রামটি ছোট হলেও বিস্তীর্ণ জমি রয়েছে এই গ্রামে। মাঠের পর মাঠ জুড়ে বাঙ্গির চাষ করা হয়েছে। ইলিয়টগঞ্জে প্রতি মৌসুমে কি পরিমাণ বাঙ্গি হয় তার সঠিক হিসাব স্থানীয় কৃষি অফিস দিতে পারেনি। এলাকাবাসীর মতে প্রতিটি সৌমুমে প্রায় ৬ লাখ বাঙ্গি ফলে বলে ধারণা করা হয়। ইলিয়টগঞ্জের প্রায় ৫’শ একর জমিতে কেবল বাঙ্গির চাষ হয়। তবে সরকার এ বিষয়ে বিবেচনা করলে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। এই বাঙ্গি রয়েছে ঔষধি গুণ। বাঙ্গি শরীরের জ্বালা-পোড়া কমিয়ে দেয়, গরম শরীর ঠান্ডা রাখে। এছাড়া বাঙ্গি থেকে সুগন্ধী তৈরী করা সম্ভব। ইলিয়টগঞ্জের বাঙ্গি দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি হচ্ছে- বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ প্রতিটি গ্রামাঞ্চলে ইলিয়টগঞ্জের বাঙ্গির ব্যাপক সুনাম রয়েছে।

চৌদ্দগ্রামের সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ আহত ৫ জন

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ছুপুয়ায় গতকাল ট্রাক-মিনিট্রাকের মুখোমুখী সংঘর্ষে মিনিট্রাকের চালক ও ট্রাকের হেলপারসহ ২জন নিহত হয়েছে ও আহত হয়েছে ৫ জন। হাইওয়ে মিয়ারবাজার ফাড়িঁর উপ পরিদর্শক শ্যামল দল ও প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের ছুপুয়া এলাকায় চট্টগ্রামগামী পাট বোঝাই ট্রাক ও ঢাকাগামী কলা বোঝাই মিনি ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।এসময় মিনি ট্রাকের চালক রাঙ্গামাটি জেলার রানীর হাটের আবদুল্লাহ মিয়া (৩০) ঘটনাস্থলেই মারা যায়। গুরুত্বর আহত অবস্থায় ও ট্রাকের অজ্ঞাত পরিচয় হেলপারকে চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসার্ধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আহত ট্রাকের ৫ জন যাত্রীকে চৌদ্দদগ্রাম হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পুলিশ দূঘটনাকবলিত ট্রাক -মিনিট্রাক ও নিহতদেরউদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

কুমিল্লায় ১৬টি উপজেলায় মানববন্ধন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে দুর্ণীতি প্রতিরোধ সপ্তাহ পালিত

সবাই মিলে লড়বো, দুর্ণীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়বো- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সারা দেশের মতো কুমিল্লায়ও পালিত হচ্ছে দুর্ণীতি প্রতিরোধ সপ্তাহ-২০১২। দিবসটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার কুমিল্লায় টাউনহলের সামনেসহ জেলার ১৬টি উপজেলায় মহাসড়ক ও স্কুল-কলেজের সামনে দুর্ণীতি বিরোধী মানবন্ধনের আয়োজন করা হয়। নগরের কান্দিরপাড় এলাকায় জেলা দূনীতি প্রতিরোধ কমিটি ও সচেতন নাগরিক কমিটির আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। মানবন্ধন পথসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা দূণীর্তি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব শাহ মো: আলমগীর খান ও সহ-সভাপতি আলী আকবর মাসুম। মানববন্ধনে জেলার বিভিœœ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি আয়োজিত এ মানবন্ধনে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহন করে। পরে চৌদ্দগ্রাম সরকারী কলেজে “দুর্ণীতি প্রতিরোধে ছাত্রসমাজের ভূমিকাই প্রধান”- শিরোনামে এক বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

ব্রাহ্মণপাড়ার ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরীর মৃত্যু

কুমিল্লায় ট্রেনের কাটা পড়ে এক কিশোরীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল রেলষ্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। শশদিল ষ্টেশন মাষ্টার জানায়, গতকাল ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল রেল ষ্টেশনের আউটার সিগনালে একটি রেল ব্রীজের ওপর কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক কিশোরী (১৫) মারা যায়।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে সাত ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ : যাত্রীদের দুর্ভোগ

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে লাইনে ত্রুটির দীর্ঘ ৭ ঘন্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার পরও মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে পুনরায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন এলাকার যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে উঠে। রেলষ্টেশনগুলোতে যাত্রীদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। জানা যায়- চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটি সোমবার দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটে হাড়গিলাতে এলে তার ব্রেকহোল্ডার বাল্ব নষ্ট গেলে এতে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হওয়ায় লাইনে ত্রুটি দেখা দেয়। এ কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট-নোয়াখালী-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লাসহ লাকসাম এবং আখাউড়া স্টেশনে আটকা পড়েছে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তুনানিশি ট্রেনটি রাত ১টা থেকে লাকসামে আটকে আছে। কুমিল্লা স্টেশনে আটকা পড়ে আছে পাহাড়িকা টেনটি এবং একটি আন্তঃ নগর। বিভিন্ন রুটে সব ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। এবং ট্রেনের জন্য যাত্রীরা অপেক্ষা প্রহর গুনতে হয়েছে। কুমিল্লার স্টেশন মাস্টার জানানন, সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে এ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে। কিন্তু টেকনিক্যাল কারণে দেরি হলো বলে জানান তিনি।

কুমিল্লার বুড়িচং ইনফুয়েঞ্জায় আক্রান্ত সাড়ে ৬ হাজার মুরগির মৃত্যু

ইনফুয়েঞ্জার রোগে আক্রান্ত হয়ে ৬ হাজার ৫শ লেয়ার মুরগির মৃত্যু হওয়ার খবর পাওয়ার গিয়েছে। গত ২৫শে মার্চ জেলার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের আবিদপুর গ্রামের সুমি-শান্তা পোল্ট্রি র্ফামে এ ঘটনা ঘটে। সরজমিন ঘুরে জানা যায় বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের আবিদপুর গ্রামের সুমি-শান্তা কলটি র্ফামের ডিম দেয়া ৬ হাজার ৫শ মুরগির মৃত্যু হয়েছে। র্ফামের মালিক মোঃ তাজুল ইসলাম জানায় গত কয়েক দিন যাবৎ ৬টি সেটের ৬ হাজার ৫শ মুরগি অতিরিক্ত গরমে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। এ ভিয়ান ইনফুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাবের কারনে আমার র্ফামের মুরগি গুলোনিধন করা হয়েছে। মালিক তাজুল ইসলাম আরো জানায় জেলার চান্দিনা কৃষি ব্যাংক থেকে গত বছর ২৪ লাখ কৃষি ঋণ নিয়েছি এ র্ফামের নামে এখানে এক কোটি টাকা পুজি বিনিয়োগ করা হয়েছে। সুমি-শান্তা র্ফাম থেকে প্রতিদিন ৫০ হাজার টাকার ডিম বিক্রয় করা হতো। এ রোগের কারনে অনেকেই র্ফামের ডিম মুরগি খাওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েদেন বলে জানা যায়। ওই খামারের রোগক্রান্ত সমস্ত মুরগি স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতার পুতে পেলা হয়েছে। অন্যদিকে ভারত থেকে চোরাই পথে নিম্ন মানের রোগক্রান্ত বাচ্ছা মুরগি এনে জেলার বিভিন্ন উপজেলার লালন পালন করে তা বাজারে বিক্রয়কারী খামারিদের বিরুদ্ধে উঠেছে নানা বিধ অভিযোগ। সাম্প্রতিক সময় দেখা যায় অনেক খামার আক্রান্ত মুরগি ধ্বংস না করে তা বাজারে কম দামে বিক্রিকরা শুরু করেছেন বলে প্রমান পেয়েছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কুমিল্লার পোলট্রি র্ফামের মালিক নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে কয়েকজন খামারি ও মুরগির ব্যবসায়ী জনিয়েছেন। সরকারি আশ্বাস সত্ত্বে ও ছয় মাস ধরে এ ভিয়ান ইনফুয়েঞ্জার আক্রান্ত খামারের মালিক কে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো তিপূরন দেওয়া হচ্ছে না। ক্ষতিপূরনের টাকা এমনিতেই অপ্রতুল এই অভিযোগ তুলে খামারিরা জানান তাও গত এক বছর ক্ষতি পূরনের টাকা দেওয়া বন্ধ রয়েছে। অনেকে এ ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

About

আরও পড়ুন...

চট্টগ্রামে ক্যাব’র উদ্যোগে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার সাথে অ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে ক্যাব’র উদ্যোগে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার সাথে অ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত। ভোক্তাদের মাঝে শিক্ষা ও …

error: Content is protected !!