Home / দেশ / গালফ এয়ারের ফ্লাইটে ঢাকার যাত্রী ম্যাঙ্গালোরে!

গালফ এয়ারের ফ্লাইটে ঢাকার যাত্রী ম্যাঙ্গালোরে!

_

ভুল বাসে বা ট্রেনে চেপে ভুল গন্তব্যে যাওয়ার ঘটনা অহরহই ঘটে। কিন্তু ভুল বিমানে চেপে ভুল গন্তব্যে যাওয়ার ঘটনা বিরল। বিরল সেই ঘটনা ঘটালেন এক বাংলাদেশি। বাহরাইন থেকে দেশে ফিরছিলেন তিনি সন্তানের মৃত্যু খবর পেয়ে। কিন্তু ঢাকায় নয় তার বিমানটি গিয়ে পৌঁছে ভারতের ম্যাঙ্গালোরে বাজপে বিমানবন্দরে। মোহাম্মদ আলম মমতাজ উদ্দিন নামের এই বাংলাদেশির ওঠার কথা ছিলো গালফ এয়ারের ফ্লাইটে। কিন্তু ভুল করে চেপে বসেন এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি ফ্লাইটে। বিমানটি গত ২৫ মে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে বাজপে বিমানবন্দরে নামার আগেই অবশ্য পুত্রশোকে কাতর মমতাজউদ্দিন নিজের ভুল বুঝতে পারেন। ঢাকায় আসার জন্য শত আকুতি থাকলেও ভারতীয় ইমিগ্রেশনের কর্মীরা তাকে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের পরের ফ্লাইটে পাঠিয়ে দেন দুবাই। ইমিগ্রেশনের কর্তা ব্যক্তিরাতো এ ঘটনায় রিতিমতো হতভম্ব। তাদেরই একজনকে উদ্ধৃত করে টাইমস অব ইন্ডিয়া শুক্রবার এ খবর জানায়। ওই ইমিগ্রেশন অফিসার বলেন, এর আগে ভূয়া পাসপোর্ট, অবৈধ ভিসা এসব কারণে অনেককেই আটক করা হয়েছে কিংবা ফেরত পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এমন ঘটনা এটাই প্রথম। একেক জন বিমান যাত্রীকে বেশ কয়েকটি পর্যায়ে চেক করা হয়, সবকটি চেকপোস্ট এড়িয়ে কিভাবে এই যাত্রী ভুল বিমানে চেপে ম্যাঙ্গালোরে পৌঁছালেন তা বিষ্ময়ের। তিনি বলেন, এই ব্যক্তি ভারতীয় হলে তাকে আটক করা যেতো কিন্তু তিনি যেহেতু একজন বিদেশি আমরা নিয়ম অনুযায়ী তাকে দ্রুত ফিরতি প্লেনে তুলে দিয়েছি। ঘটনায় বিষ্মিত ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষও। বেশ কয়েকটি পর্যায়ে চেক করার পরও এমন ঘটনাকে এয়ারলাইন্সটির বড় ধরনের ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। মমতাজউদ্দিনের ক্ষেত্রে প্রথম ভুলটি হয় যখন তিনি বাহরাইন-ম্যাঙ্গালোর বোর্ডিং কার্ড সগ্রহ করেন। সন্তানের মৃত্যুর খবরই হয়তো তাকে আনমনা করে রাখে, যা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু এর পর বিমানে উঠে অন্যান্য যাত্রীদের দেখে, কিংবা বিমানের ভেতরের অবস্থা দেখেও তার মনে সন্দেহ হয়নি। এয়ার হোস্টেসকে দোষ দিতে নারাজ এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। কারণ যাত্রীর হতে বাহরাইন-ম্যাঙ্গালোরের বোর্ডিং পাস ছিলো। শেষ পর্যন্ত বিমানটি বাজপে বিমানবন্দরে অবতরনের ঠিক আধাঘণ্টা আগে বিষয়টি ধরা পড়ে। ফ্লাইাট কমান্ডার দ্রুত বিষয়টি জানিয়ে দেন মুম্বাই এয়ার ইন্ডিয়া কার্যালয়ে। তখনই মমতাজউদ্দিন জানান তিনি সন্তানের মৃত্যু খবর পেয়ে দেশে ফিরছিলেন। পরে বাজপে বিমানবন্দরে অবতরনের পর মমতাজউদ্দিনকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ফিরতি ফ্লাইটে দুবাইয়ে। সেখান থেকে তার ঢাকা পৌঁছার জন্যও টিকিট খরচ বহন করে এয়ার ইন্ডিয়া। সন্তানহারা দিকভ্রান্ত পিতার জন্য এটি একটি মানবিক বিবেচনা। কিন্তু গোটা বিষয়টিকে মোটেই ছোট করে দেখছে না এয়ার ইন্ডিয়া।

আরও পড়ুন...

নগরীতে জেএসইউএস ও সিডিডি আয়োজিত প্রতিবন্ধিতা ও একীভূত উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কর্মরত জাতীয় সংগঠন সেন্টার ফর ডিজএ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (সিডিডি) ও সিবিএম এর সহযোগিতায় বেসরকারী মানব উন্নয়ন মূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (জেএসইউএস)’র অংশগ্রহণে “প্রতিবন্ধিতা ও একীভূত উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ”গত ১৯ নভেম্বর ২০২০ ইংরেজী নগরীর দেওয়ানবাজারস্থ সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেএসইউএস নির্বাহী পর্ষদের সদস্য ও সংস্থার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সহ-সভাপতি ফারজানা রহমান শিমু, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভীন, ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ও পরিচালক কবি প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ ছাবের আহমেদ, নির্বাহী সদস্য শাহানাজ বেগম, সিনিয়র এসিসটেন্ট ডিরেক্টর এম এ আসাদ, এসিসটেন্ট ডিরেক্টর শহীদুল ইসলাম, সংস্থার শাখা ব্যবস্থাপকসহ অপরাপর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সিডিডি-এর পক্ষ থেকে থিমেটিক এক্সপার্ট মো: জাহাঙ্গীর আলম, সিডিডি’র কোঅর্ডিনেটর ও প্রজেক্ট ম্যানেজার তানবিন আহমেদ, শাহ জালাল, জুনায়েদ রহমান, হীরা বণিক উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক ধারণা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তি, সংস্থায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তি বিষয়ে ধারণা ও সকল কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সম্পৃক্তকরণের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত কর্মপদ্ধতি নির্ধারণসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মো: জাহাঙ্গীর আলম। কর্মশালা পরিচালনায় মো: জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “বর্তমান সরকারের আন্তরিকতা ও নানা উদ্যোগ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারের এ সংক্রান্ত অনেক আইন ও নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু  সে অনুযায়ি সচেতনতা না থাকায় এর সুফল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গ পাচ্ছেন না। আমাদের সকলের সম্মিলত প্রচেষ্টায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হতে পারে।” উদ্যোগ নিতে হবে আমাদের সকলকে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গে সংস্থার পরিচালক কবি প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন বলেন, “জেএসইউএস প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থা অপরাপর কর্মসূচীতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে।” ভবিষ্যতে সকল প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধিতা ইস্যুটি সর্বাগ্রে বিবেচনা করা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি বার্তা প্রেরক মো: আরিফুর রহমান প্রোগ্রাম ম্যানেজার (এসডিপি)