Home / দেশ / চাটমোহরে পিআইও বললেন -কোন প্রকল্পে অনিয়ম হচ্ছে না সব ঠিক আছে!

চাটমোহরে পিআইও বললেন -কোন প্রকল্পে অনিয়ম হচ্ছে না সব ঠিক আছে!

মোবারক বিশ্বাস ঃ পাবনার চাটমোহর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ বজলুর রশীদ উচ্চ কন্ঠে বললেন, চাটমোহরে কোন প্রকল্পে অনিয়ম হচ্ছে না। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ পিআইও অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি একথা বলেন। চলতি অর্থ বছরে ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্প, কাবিখা, টিআর প্রকল্পে নানা অনিয়ম, লুটপাট ও দূর্নীতির পরিপ্রেক্ষিতে পিআইও’র বক্তব্য জানতে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিনিধিকে দাম্ভিকতার সাথে এই কথা বলেন। পিআইও অফিসে জনৈক কালোবাজারীর অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে পিআইও বজলুর রশিদ বলেন, কেউ যদি অফিসে এসে বসে থাকেন, তাহলে আমি কি তাকে বের করে দেবো। সেতো ইউএনও অফিসেও বসে থাকেন। চলতি অর্থ বছরে চাটমোহরে ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্প, কাবিখা ও টি আর প্রকল্পে ব্যাপক লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এমপির আর্শীবাদ পুষ্ট পিআইও বজলুর রশিদ ইউএনও’র যোগসাজশে ব্যাপক দূর্নীতি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। ২য় দফা চাটমোহরে এসে তিনি দূর্নীতির ফুলকি উড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ।

পাবনা ঈশ্বরদীতে বন্ধুকে ডেকে নিয়ে খুন!
মোবারক বিশ্বাস ঃ পাবনা ঈশ্বরদীতে পলাশ শেখ (২৬) নামের এক যুবককে তার বন্ধুরা ডেকে নিয়ে খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দিবাগত রাতে বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে গিয়ে নিখোঁজ হন পলাশ। সে ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ট্রাফিক মোড় এলাকার এবাদত শেখের ছেলে। নিহত পলাশের বাবা এবাদত শেখ জানান, সোমবার দিন গত রাতে তার ছেলে পলাশকে কয়েকজন বন্ধু ডেকে নিয়ে যায়। রাতে তিনি আর বাড়িতে ফেরেন নি। রাতভর তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ ছিল। গতকাল মঙ্গলবার ভোরে ঈশ্বরদী ঢুলটি ফিসারিজের কাছে পলাশকে পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসি তার বাড়িতে খবর দেয়। বাড়ির লোকজন এসে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকবর হোসেন জানান খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনও তার মৃত্যু সম্পর্কে পুলিশ সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পায়নি বলে জানান তিনি। তবে পুলিশ জানায়, পলাশের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পাবনা ঈশ্বরদীতে বোরোর বাম্পার ফলনেও হতাশায় কৃষক
মোবারক বিশ্বাস ঃ এ বছর বোরো ধানের আবাদে বাম্পার ফলন হলেও ধানের দাম কমে যাওয়ায় ঈশ্বরদীর সকল কৃষকই চরম হতাশায় পড়েছেন। সারা বছর পর কৃষক বোরো ধান কাটার সময় যে আনন্দে থাকেন এবার ভালো ফলনে সেই আনন্দ আরও বেশি হওয়ার কথা থাকলেও কৃষকদের মনে নেই কোন উচ্ছাস। ঈশ্বরদীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এবার ধান উৎপাদনে খরচই ঘরে তুলতে পারছেন না ঈশ্বরদীর ধান আবাদীরা। ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবছর ঈশ্বরদীতে ২০ হাজার ৭৯৯ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ খুরশিদ আলম জানান, এসব জমিতে হাইব্রিড, আটাশ, উনত্রিশ, বিনা-৭, ব্রি-৫০ ও স্থানীয় টোপা বোরো জাতের ধান আবাদ হয়েছে। এবার এসব ধান আবাদে পানি সমস্যা ছাড়া তেমন কোন সমস্যা না থাকা এবং রোগ বালাই ও পোকার আক্রোমন তুলনামূলক কম থাকায় কৃষকদের ধান আবাদ করতে হিমশিম খেতে হয়নি। কৃষকরা জানান, এবার অন্যান্যবারের তুলনায় ধানে চিটাও কম ছিল। কৃষি অফিস ও কৃষকরা জানান, প্রতি হেক্টর জমিতে গড়ে প্রকার ভেদে ৬ থেকে ৮ মেট্রিক টন করে ধান উৎপাদন হয়েছে। মূলাডুলির নারী কৃষক তাহমিনা বেগম জানান, এবার ধান বেচে উৎপাদন খরচই ঘরে আসছেনা, তিনি জানান মূলাডুলি হাটে স্থানীয় ধান প্রতি মন বিক্রি হচ্ছে ৫১০ টাকা দরে অথচ এবার ধানের উৎপাদন খরচ হয়েছে ৬’শ টাকারও বেশি। ঈশ্বরদীর দরগাপাড়ার কৃষক নুরুজ্জামান জানান, হাটে ধান বিক্রি করতে পরিবহন খরচ বাদ দিলে প্রতিমন ধানের দাম সাড়ে ৪’শ টাকারও কম পড়ে। ঈশ্বরদী মোকারামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল প্রামানিক জানান, ধান লাগানো থেকে কাটা পর্যন্ত যে খরচ হয়েছে তাতে এবার ধান বেচে লাভ তো দূরে থাক মূলধন ঘরে তোলাই দায় হয়ে পড়ছে তাদের।


পাবনা সাঁথিয়ায় কিশোরীকে গণ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা

মোবারক বিশ্বাস ঃ পাবনার সাঁথিয়ার পল্লীতে মিতা (১৪) নামের এক কিশোরীকে গণ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের পার গোপালপুর গ্রামে।
এলাকাবাসি ও থানা সূত্রে জানা যায়,পার গোপালপুর গ্রামের ভ্যান চালক মিজানুর রহমান মিজানের কিশোরী মেয়ে মিতা খাতুন গত ২১মে সোমবার দিবাগত রাতে প্রকৃতির ডাকে ঘরের বাইরে গেলে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা মানব রুপি নরপশুরা জোর পূর্বক তুলে নিয়ে পার্শ¦বতী ছাত্তারের বাঁশ বাগানে গণ ধর্ষণ করে । ধর্ষণের পর নরপশুরা মিতার মুখের ভিতরে মাটি ঢুকিয়ে দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিতার পিতা মিজান একজন ভ্যান চালক ও মাতা-হাসিনা খাতুন অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে। সংসারে অভাবের কারনে মিতা নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা শেষ করে । সংসারে বাবা মায়ের অভাব মিটাতে বাড়িতে দর্জির কাজ করত। গতকাল মঙ্গলবার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল  মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ব্যাপারে সাঁথিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হক সরকার জানান,  মিতাকে  মুখে মাটি ঢুকিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণের বিষয়টি পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে । তবে আলামত দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) খন্দকার শামীম হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় আতংক বিরাজ করছে।

পাবনায় সাংবাদিক ফজলুর রহমান হত্যার প্রচেষ্টায় সন্ত্রাসীদের  গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে মৌন মিছিল ও স্মারকলিপি পেশ

মোবারক বিশ্বাস ঃ পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক, এনটিভি ও দৈনিক সমকালের স্টাফ রিপোর্টার এবিএম ফজলুর রহমান হত্যার প্রচেষ্টায় দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পাবনা প্রেসক্লাবের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার প্রথম দিনের কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল পাবনা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দের মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল এবং পাবনা পুলিশ সুপারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান। সকাল সাড়ে ১১ টায় মৌন মিছিলটি পাবনা প্রেসক্লাব চত্ত্বর থেকে শুরু হয়ে পাবনা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ পাবনা পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর পিপিএম এর কাছে সাংবাদিক ফজলুর রহমান হত্যার প্রচেষ্টায় দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবর একটি স্মারক লিপি প্রদান করে। পরে পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, আমরা দোষীদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। ইতিমধ্যে ২ জনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদেরও অচিরেই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
পরে পাবনা শহীদ মিনারের সামনে বক্তব্য রাখেন পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শিবজিত নাগ, সম্পাদক আহমেদ-উল-হক রানা।

আরও পড়ুন...

ভোক্তা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে ক্যাব

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: সকলের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে খাদ্যে ট্রান্সফ্যাটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভাবে নীতিমালা প্রণয়ন …