Home / দেশ / নির্মানের একদিন পর ভেঙ্গে পড়া ড্রেনটি এখনও পূণঃ নির্মাণ করা হয় নাই

নির্মানের একদিন পর ভেঙ্গে পড়া ড্রেনটি এখনও পূণঃ নির্মাণ করা হয় নাই

মোঃ নাজমুল হক (ওয়ালিউল্লাহ) বাংলার বার্তা জামালপুর প্রতিনিধিঃ শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী শ্রীবরদী উপজেলার শ্রীবরদী পৌরশহরের ব্যস্ততম এলাকায় পৌর শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে মাস খানেক আগে পুরো পৌরশহরের একটি মাত্র নতুন ড্রেন নির্মাণ করা হলেও ড্রেনটি একদিন পরেই পুরোপুরিভাবে ভেঙ্গে পরেছে, ড্রেনটি পূর্ণনির্মাণ না করায় অত্র এলাকার জনগণের পানি ও পচা আবর্জনার দুর্গন্ধে চরম দুর্ভোগ পুহাতে হচ্ছে। জানাগেছে শ্রীবরদী পৌরশহরের উত্তর বাজারস্থ ব্যস্ততম এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য নতুন করা ড্রেনটি নির্মাণ কাজে নিম্নমানের ইট-সিমেন্ট ব্যবহার করার কারণে নির্মানের একদিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ ড্রেনটি ভেঙ্গে পরে যায়। সূত্র জানায় দলীয় লোকজনের মাধ্যমে ড্রেনটি নিম্নমানের ইট-বালি ও কমদামের সিমেন্ট ব্যবহার করার জন্যই ড্রেনটি ভেঙ্গে যায়। ড্রেনটি বর্ষার আগেই পূর্ণনির্মাণ করা না হলে পুরো পৌরশহরেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। এমনিতেই একটু বৃষ্টি হলেই পৌরশহরের কোথাও কোথাও হাটু পরিমাণ পানি জমে যায়। অত্র এলাকার লোকজনের একটাই দাবি বর্ষার আগেই ড্রেনটি পূণঃনির্মাণ করা হোক।

জামালপুরে বন্যা আরো অবনতি ॥ যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ৪৪ সে. মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে ১০ সে. মিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৪৪ সে. মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বেড়েছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ঝিনাই, জিঞ্জিরাম, দশ আনী ও সুবর্ণখালীরও। বন্যায় ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জের ১৩টি ইউনিয়নের নিুাঞ্চল প্লা¬াবিত হয়েছে। এসব ইউনিয়নের প্রায় ৮০ হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। পানি বন্দী মানুষের মাঝে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও গো খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন বাধ ও উচু স্থানে আশ্রয় নেয়া মানুষের ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজন।

আরও পড়ুন...

নগরীতে জেএসইউএস ও সিডিডি আয়োজিত প্রতিবন্ধিতা ও একীভূত উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কর্মরত জাতীয় সংগঠন সেন্টার ফর ডিজএ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (সিডিডি) ও সিবিএম এর সহযোগিতায় বেসরকারী মানব উন্নয়ন মূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (জেএসইউএস)’র অংশগ্রহণে “প্রতিবন্ধিতা ও একীভূত উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ”গত ১৯ নভেম্বর ২০২০ ইংরেজী নগরীর দেওয়ানবাজারস্থ সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেএসইউএস নির্বাহী পর্ষদের সদস্য ও সংস্থার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সহ-সভাপতি ফারজানা রহমান শিমু, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভীন, ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ও পরিচালক কবি প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ ছাবের আহমেদ, নির্বাহী সদস্য শাহানাজ বেগম, সিনিয়র এসিসটেন্ট ডিরেক্টর এম এ আসাদ, এসিসটেন্ট ডিরেক্টর শহীদুল ইসলাম, সংস্থার শাখা ব্যবস্থাপকসহ অপরাপর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সিডিডি-এর পক্ষ থেকে থিমেটিক এক্সপার্ট মো: জাহাঙ্গীর আলম, সিডিডি’র কোঅর্ডিনেটর ও প্রজেক্ট ম্যানেজার তানবিন আহমেদ, শাহ জালাল, জুনায়েদ রহমান, হীরা বণিক উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক ধারণা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তি, সংস্থায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তি বিষয়ে ধারণা ও সকল কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সম্পৃক্তকরণের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত কর্মপদ্ধতি নির্ধারণসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মো: জাহাঙ্গীর আলম। কর্মশালা পরিচালনায় মো: জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “বর্তমান সরকারের আন্তরিকতা ও নানা উদ্যোগ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারের এ সংক্রান্ত অনেক আইন ও নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু  সে অনুযায়ি সচেতনতা না থাকায় এর সুফল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গ পাচ্ছেন না। আমাদের সকলের সম্মিলত প্রচেষ্টায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হতে পারে।” উদ্যোগ নিতে হবে আমাদের সকলকে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গে সংস্থার পরিচালক কবি প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন বলেন, “জেএসইউএস প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থা অপরাপর কর্মসূচীতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে।” ভবিষ্যতে সকল প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধিতা ইস্যুটি সর্বাগ্রে বিবেচনা করা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি বার্তা প্রেরক মো: আরিফুর রহমান প্রোগ্রাম ম্যানেজার (এসডিপি)