Home / শীর্ষ সংবাদ / “নো মাস্ক,নো এন্ট্রি”স্লোগানে মানববন্ধন বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের
“নো মাস্ক,নো এন্ট্রি”স্লোগানে মানববন্ধন বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের

“নো মাস্ক,নো এন্ট্রি”স্লোগানে মানববন্ধন বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় এর পক্ষ থেকে মঙ্গলবার ১৭ নভেম্বর দুপুর দেড়টার সময় স্কুল প্রাঙ্গনে মাস্ক বিহীন স্কুলে প্রবেশ নিষেধ ও যশোরের নাভারনে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় সড়কের নিরাপত্তা চেয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ ইন্তাজুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে উপস্থিত স্কুলের সকল শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠানটি পালন করা হয়।

এ সময় স্কুলের প্রধান ফটকের বাইরে যশোর -বেনাপোল মেইন সড়কে ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা নো মাস্ক, নো এন্ট্রি, ও নাভারনে সড়ক দূঘর্টনায় বুরুজবাগান পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী মোছাঃ শেফা খাতুন(১৪) মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।

এসময় উপস্থিত শিক্ষকরা বলেন, সারাদেশের ন্যায় বেনাপোলের মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ে ‘নো মাস্ক,নো এন্ট্রি, প্রতিপাদ্য নিয়ে স্কুলের সকল শিক্ষক এবং ছাত্রীরা মাস্ক পরে ও ফেষ্টুন নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানববন্ধন পালন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ এনামুল হক, মোঃ শরিফুল ইসলাম, মোঃ আল-মামুন ও প্রমুখ।

About বাংলার বার্তা

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!