Home / দেশ / পাবনায় ছোট ভায়ের হাতে বড় ভাই খুন

পাবনায় ছোট ভায়ের হাতে বড় ভাই খুন

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ পাবনা সদর উপজেলায় রোববার বিকালে ছোট ভাই আওকাত আলীর মারপিটে বড় ভাই শওকত আলী রিন্টুর (৫০) মৃত্যু হয়েছে। এলাকাবাসী জানান বাড়ী সিমানায় নারকেল গাছের চারা লাগানো নিয়ে বিকাল ৫টার দিকে শওকত আলী রিন্টু কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যয়ে ছোট ভাই আওকাত আলী বড় ভাই শওকত আলীকে লাঠি দিয়ে বেদম প্রহার করে। পরিবারের লোকজন তাকে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সন্ধায় ৭টার দিকে অবনতি হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে তিনি মারা যান। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (প্রসাশন) আফজাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় পাবনা থানায় মামলা একটি হত্যা মামলা হয়েছে।

পাবনা ঈশ্বরদীতে মটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত ১ জন আহত

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ পাবনা ঈশ্বরদীতে দুই মটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত ও ১ জন গুরতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। রোববার রাত সাড়ে ৯ টায় ঈশ্বরদীর ঢুলটি বহরপুর নামক স্থানে রশিদ ওয়েল মিলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যাক্ষদর্শী জানান, দ্রতগামী দুটি মটর সাইকেল রাত সাড়ে ৯টায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দুটি মটর সাইকেল ভেঙ্গে চুড়ে যায়। মটর সাইকেলের যাত্রী ঈশ্বরদী দাশুরিয়া মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে ফারুক হোসেন (৩৫) ও আটঘরিয়া উপজেলার আব্দুল করিমের ছেলে আতিকুর রহমান(২৬) ঘটনাস্থলেয় মারা যায়। পাবনা সদর উপজেলার টেবুনিয়া গ্রামের ছেলে মোবারক হোসেনের ছেলে সোহাগকে গুরতর আহত অবস্থ্যায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইসরাইল হোসেন ঘনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহতদের ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সোমবার সকালে প্রেরন করা হবে। এ ব্যাপারে একটি মামলা হয়েছে।

ঈদকে সামনে রেখে জাল টাকার কারবারী চক্র সক্রিয়: ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ প্রতিবারের ন্যায় এবারও ঈদকে সামনে রেখে পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিলের ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, তাড়াশ, রায়গঞ্জ, গুরুদাসপুর, উল্ল¬াপাড়া, শাহজাদপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলার হাট বাজারগুলোতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে জাল টাকার আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে অন্যান্য বারের চেয়ে এবার যেন জাল টাকার আতঙ্ক বিরাজ করছে সবচেয়ে বেশি। প্রতিনিয়ত ব্যবসায়ীদের হাতে আসছে জাল টাকার নোট। ঝুঁট-ঝামেলা এড়াতে জাল নোট পাওয়া মাত্র তারা তা নষ্ঠ করে ফেলছেন। আর প্রশাসনের ঝামেলা এড়াতে অনেকেই নিরবে থাকছেন। জাল টাকার ছড়াছড়ি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কে। জাল টাকার কারবারি চক্রের সাথে সংশি¬ষ্টদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও সমালোচকদের অভিমত। খুচরা বিক্রেতা থেকে শুরু করে পাইকারী বিক্রেতাদের হাতে আসছে জাল টাকা। আইনি জটিলতা এড়াতে জাল টাকা হাতে পাওয়া মাত্রই ব্যবসায়ীরা তা নষ্ট করে ফেলছে। জাল টাকার নোটগুলো এতটায় সুক্ষèè যে প্রাথমিকভাবে তা (নকল) ধরা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। এতে করে একদিকে জাল টাকার কারণে যেমন বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে তেমনি অন্যদিকে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের মধ্যে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে। আর সুযোগ সন্ধানী জাল টাকার কারবারিরা কৌশলে বাজারে জাল টাকা ছড়িয়ে দিচ্ছে। ভূক্তভোগীরা জানান, ২০, ৫০, ১শ’, ৫শ’ ও ১০০০ হাজার টাকার জাল নোট বেশি দেখা যাচ্ছে। জালনোট গুলো নিত্য নতুন উন্নত প্রযুক্তিতে এতটায় সুক্ষèভাবে তৈরি যে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের চিনতে অনেকটা কষ্ট হচ্ছে। এমনকি নতুন ১০ টাকার নোটের উপর ছাপ দিয়ে ৫০ টাকার জাল নোট তৈরি হচ্ছে। জাল টাকার জল ছাপ ও নিরাপত্তা সুতাও দেয়া থাকছে। তাতে করে আসল-নকল চিনতে বেশ অসুবিধায় পড়ছে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ ক্রেতারা। এমনকি ব্যাংক কতৃপক্ষকেও জাল টাকা চিনতে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। এব্যাপারে আসল-নকল নোট চেনার জন্য ব্যাংকসহ বিভিন্ন অফিসে প্রচার প্রচারণা চালালেও জনসচেতণতায় তা যথেষ্ট নয়। ফলে জনসাধারণ জাল নোট নিয়ে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন। আগে ছোট অঙ্কের নোট জাল না হলেও বর্তমানে তা হচ্ছে। সম্প্রতি এক স্কুল শিক্ষক ব্যাংক থেকে বেতনের টাকা তুলেন এবং ওই ব্যান্ডিলের মধ্যে থেকে দু’টি ৫শ’ টাকার জাল নোট হাতে আসলে তাৎক্ষণিক তা নষ্ট করে ফেলেন। এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চাটমোহরের কয়েকজন বিক্রেতা জানান, প্রায় সময় জাল নোট হাতে আসছে কিন্তু ঝামেলা এড়াতে নষ্ট করে ফেলছি। তাছাড়া বড় অংকের নোটগুলো ভাল করে যাচাই বাছাই করে নেয়ার চেষ্টা করছি। স্থানীয় ব্যাংক থেকে অনেক সময় টাকা উত্তোলন করতে গেলে জাল টাকা আসছে। অতীতে ঈদ ও পুজার আগে হাট বাজারগুলোতে জাল টাকার কারবারীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে জাল টাকার কারবারীদের তৎপরতা ব্যাপক পরিমানে বেড়েছে। সারা দেশের ন্যায় পাবনার চাটমোহরসহ আশে-পাশের উপজেলা ও হাটবাজারগুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে জাল নোট সরবরাহের চক্ররা। একটি সূত্রে প্রকাশ, বর্তমানে এ চক্রটি মহিলাদেরকেও ব্যবহার করছে। চক্রটি অপেক্ষাকৃত বেশি ভীড় মার্কেটগুলো নিরাপদ ভেবে সেখানে হানা দিচ্ছে। আর নোটগুলো জাল চিহ্নিত হলে পাচ্ছে ঝামেলা এড়াতে চুপিসারে ভূক্তভোগী নোটটি নষ্ট করে নিজেকে বিপদ মুক্ত করতে হাজার হাজার টাকার ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এব্যাপারে আইনশৃংখলা বিভাগের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তার সাথে আলাপ করলে তিনি জানান, বহুদিন থেকেই এ ধরণের চক্র রয়েছে। কিছু ধরাও পড়ে আবার আইনের ফাঁক- ফোকড় দিয়ে জেল থেকে বেরিয়ে আবার তাদের তৎপরতা চালিয়ে থাকে। তারপরও আমরা সর্বদা তৎপর আছি এ ধরণের চক্র পাকড়াও করার জন্য। ঈদের সময় বিভিন্ন মার্কেটে আইনশৃংখলার লোকজন থাকবে-যাতে জাল টাকার চক্রসহ অন্যান্য অপরাধের সাথে জড়িত চক্র থেকে ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ও নির্বিঘেœ ব্যবসা করতে পারেন।

পাবনা চিনাখরা স্কুল এন্ড কলেজের কৃতিত্ব
পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাস ঃ চিনাখরা স্কুল এন্ড কলেজের এইচএসসি ২০১২ শিক্ষার্থীদের সাফল্যে কলেজ কর্তৃপক্ষ খুবই খুশি। কলেজটি দুলাই কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম এবং সুজানগর উপজেলার মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন বলে জানাগেছে। এইরুপ ফলাফলের মধ্যে একজন জিপিএ-৫, ছয়জন ‘এ’ এবং ছয়জন ‘এ-’ পেয়েছে। কলেজটির পাশের হার ৮৬%। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি দুলাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান জানান, প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখার ১৯৭২ সালে শুরু হলেও ২০১০ সালে কলেজ শাখার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। শুরুতেই মানবিক এবং ব্যবসা শিক্ষা শাখার ছেলেমেয়েরা যে ফলাফল করেছে তাতে আমরা এলাকাবাসী খুবিই খুশি। এই বছর হতে আমরা বিজ্ঞান বিভাগ চালু করব। আশা করি আমাদের শিক্ষক মন্ডলি ও এলাকাবাসীর সহযোগীতায় ভবিষ্যতে কলেজটি আরও সুন্দর রেজাল্ট করবে।

অনেক ত্যাগ তিতীক্ষা, জুলম নির্যাতনের মধ্যেও পাবনার সাংবাদিকরা সাহসিকতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন করছে যা প্রশংসার দাবী রাখে-এম সাইদুল হক চুন্নু

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ পাবনার জেলা পরিষদের প্রশাসক এম সাইদুল হক চুন্নু বলেছেন, পাবনা জেলার সাংবাদিকতা অনেক উচু মানের। রাজধানীর সাংবাদিকদের চেয়ে অনেক প্রতিভাবান সাংবাদিকের জন্ম এই পাবনায়। অনেক ত্যাগ তিতীক্ষা, জুলম নির্যাতন এমনকি প্রাননাশের অপচেষ্টার মধ্যেও এখানকার সাংবাদিকরা সাহসিকতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন করছে। যা সত্যই প্রশংসার দাবী রাখে। তিনি আরও বলেন, পাবনা জেলা পরিষদ বিগত ৬ মাসে যত জনকল্যান মুলক কাজ করেছে তা অতীতে ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে দেশে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করে চলেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে দেশের উন্নয়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে সাংবাদিকগণ নিরলস, নির্ভিক পেশাদারিত্বের ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী। গতকাল রোববার জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আটঘরিয়া প্রেসক্লাবের জন্য কম্পিউটার প্রদান অনুষ্ঠানে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম মাসুদুর রহমান, এনটিভি ও সমকালের পাবনাস্থ স্টাফ রির্পোটার এবিএম ফজলুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সরোয়ার হোসেন, মোহনা টেলিভিশনের পাবনা প্রতিনিধি খাইরুল ইসলাম বাসিদ। আটঘরিয়া প্রেসক্লাবের পক্ষে কম্পিউটার গ্রহন করেন আটঘরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুস সামাদ আজাদ, প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক শফিউল¬াহ শফি, দপ্তার সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্কাস প্রমুখ।

শারীরিক অক্ষমতা দমাতে পারেনি পাবনার হতদরিদ্র দিনমজুর কন্যা মুক্তাকে
পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ শারীরিক প্রতিবন্ধি ও দরিদ্রতা দমাতে পারেনি মুরর্শিদা খাতুন মুক্তা কে। প্রবল ইচ্ছা শক্তি তাকে সাফল্য এনে দিয়েছে। চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় সে পাবনার আটঘড়িয়া উপজেলার বেরুয়ান মহিলা কলেজের বাণিজ্য বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিন হাড়ল পাড়া গ্রামের হতদরিদ্র দিনমুজুর মইন উদ্দিনের ৪ মেয়ের মধ্যে সবার বড় মুক্তা। নিজের পায়ে ভাল ভাবে হাটতে পারেনা। ছোট বোনের উপর ভরকরে স্কুল,কলেজ করতে হয়েছে তাকে। হাতের সমস্যার কারনে নিজের ইচ্ছা মত লিখতে পারেনা। লেখা হয় খারাপ। মুক্তার মা জহুরা খাতুন বলেন, জন্মগত ভাবে প্রতিবন্ধি মুক্তা। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারিনি। শিক্ষক আসমত আলী জানান, মুরর্শিদা খাতুন মুক্তা ইংরেজীতে অত্যন্ত পারদর্শী। তার মধ্যে সৃজনশীল প্রতিভা রয়েছে। মুক্তা এস এস সি পরীক্ষাতেও বেরুয়ান বালিকা বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল। সে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আদর্শ শিক্ষক হতে চায়।

পাবনা ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্র নিহত আহত এক : দুই ঘন্টা রাস্তা অবরোধ
পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ ঈশ্বরদীর সাহাপুর পাঠশালা মোড়ে রবিবার দুপুরে এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় সাব্বির (১১) নামের এক স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সে ছলিমপুর জয়নগর কিন্ডার গার্টেনের পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্র। এই দুর্ঘনায় বাবা রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছেন। পাকশি পদ্মানদী থেকে বালু বোঝাই ট্রাক ঘটনা স্থলে মোটর সাইকেলকে পেছন থেকে চাপা দিলে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে উত্তেজিত এলাকাবাসী ও মোড়ের লোকজন দাশুড়িয়া- কুষ্টিয়া হাইওয়ে পাকা রাস্তা অবরোধ করে গাড়ি ভাংচুর করেছে। প্রত্যক্ষদর্শিদের সুত্রে জানা যায়, আহত রবিউল মোটর সাইকেলের পেছনে ছেলে সাব্বিরকে নিয়ে পাঠশালা মোড়স্থ নিজস্ব বাড়িতে ফিরতে ছিলো। এই সময় পেছন থেকে একটি বালু বোঝাই ট্রাক্টর তাদের মোটর সাইকেলেও উপর চাপা দেয়। মোটর সাইকেল থেকে শিশু সাব্বিব ছিটকে ট্রাক্টরের নিচে পড়ে পাকার সঙ্গে মিশে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। আর বাবা রবিউল মোটর সাইকেলসহ দুরে ছিটকে পড়ে আহত হন। উত্তেজিত লোকজন রাস্তা অবরোধ করে একটি ট্রাকে ভাংচুর চালায়। রাস্তা দুই ঘন্টা অবরোধ করে রাখায় ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, পাবনা ও নাটোর থেকে কুষ্টিয়াগামী এবং কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা, রাজশাহী, পাবনা গামি যাত্রীবাহী বাসসহ সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। নিহত সাব্বিরের মা সাবিনা ইয়াসমিন জানান, শনিবার রাতে সাব্বিরের বাবা ঠিকাদার রবিউল ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছেন। রবিবার সকালে সাব্বিরকে নিয়ে মহাদেবপুর নানার বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখান থেকে দুপুরে ফেরার পথে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। ছেলে হারিয়ে মা সাবিনা পাগল প্রায়। এর বেশি কিছু বলতে পারছিলেন না। বারবার ছেলের শোকে মুর্চা যাচ্ছিলেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা চলছিলো। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ছিলো বলে থানা থেকে দাবী করা হয়েছিলো। ’

সুজানগর তিনদিন ব্যাপী ফলদ ও বনজ বৃক্ষমেলার উদ্ভোধন
পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও সামাজিক বন বিভাগ সুজানগর এর ব্যবস্থাপনায় এবং উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ২২শে জুলাই হতে ২৪শে জুলাই তিনদিন ব্যাপী ফলদ ও বনজ বৃক্ষমেলার উদ্ভোধন। রবিবার উদ্ভোধন উপলক্ষ্যে সকাল ১০টায় এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি সুজানগর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্ত্বরে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এইচ এম নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফলদ ও বনজ বৃক্ষ মেলার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যদেন উপজেলা চেয়ারম্যান আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আমজাদ হোসেন এর স্বাগত বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যদেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ডাঃ সুফিয়া খানম শোভা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি একে এম বন্দে আলী, সহ সভাপতি আব্দুর কাদের রোকন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ লিয়াকত হোসেন, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন চৌধুরী ও কৃষিজীবি ধীরেন্দ্রনাথ সরকার প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠান শেষে ফিতা কেটে সুজানগর এন এ কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত তিনদিন ব্যাপী ফলদ ও বনজ বৃক্ষ মেলার উদ্ভোধন করেন প্রধান অতিথি সহ অন্যান্য অতিথি বৃন্দ।

About

আরও পড়ুন...

চট্টগ্রামে ক্যাব’র উদ্যোগে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার সাথে অ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে ক্যাব’র উদ্যোগে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার সাথে অ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত। ভোক্তাদের মাঝে শিক্ষা ও …

error: Content is protected !!