Home / দেশ / প্রবাসী কর্মীদের সমস্যা সমাধানে কুইক রেসপন্স টিম

প্রবাসী কর্মীদের সমস্যা সমাধানে কুইক রেসপন্স টিম

বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে বিদেশ গমনেচ্ছু, কর্মরত ও প্রত্যাগত কর্মীরা নানা ধরনের সমস্যার মুখে পড়ছেন। দেশে অবস্থানকালেও তাঁরা ভিসাসংক্রান্ত বা অন্যান্য জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাই প্রবাসী কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য একটি কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

শনিবার (২৯ মে) ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়ে, বিভিন্ন সময়ে এবং বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে বিদেশ গমেনেচ্ছু, কর্মরত ও প্রত্যাগত কর্মীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এছাড়া দেশে অবস্থানকালীন সময়েও তারা ভিসা সংক্রান্ত ও অন্যান্য জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন। এ অবস্থায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক আরিফ আহমেদ খানকে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট কুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম প্রবাসীদের যেকোনো সমস্যার উদ্ভূত পরিস্থিতি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করবে।

কুইক রেসপন্স টিমের আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক আরিফ আহমেদ খান (০১৮১৯২৬২১৭২)। এ দলের অন্য সদস্যরা হলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সারওয়ার আলম (০১৭১২২০৭২২৭), বিএমইটির ঊর্ধ্বতন পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা (০১৭১১১১১৫৪৪), ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উপপরিচালক মো. জাহিদ আনোয়ার (০১৭১৬৮৬৯২২২), সহকারী পরিচালক মো. আজিজুল ইসলাম ভূঞা (০১৯৪২২২০০৫২), উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল কাদের (০১৩১১১৫৩৪৯১) ও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (০১৭৬০২১৭৮৫৩)।

About Jahir Raihan

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!