Home / প্রবাস / ফ্রেস মেইল রেষ্টুরেন্ট এন্ড সুপার মার্কেটের বর্ষপুর্তি

ফ্রেস মেইল রেষ্টুরেন্ট এন্ড সুপার মার্কেটের বর্ষপুর্তি

করোনায় এতটাই ক্ষতিগ্রস্থ প্রবাসীরা তা পুরনে হীমসিম খাচ্ছেন অনেকেই। সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুক্ষিনে পড়েছে প্রবাসী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এই ক্ষতি কাটিয়ে পুনরায় ফিরে দাঁড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছেন অনেকেই। ক্ষতি কাটিয়ে পুনরায় ফিরে দাড়াঁতে অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করেন কুয়েতে সালমিয়া ফ্রেস মেইল মাতাম এন্ড বাকালার সত্বাধীকারি গিয়াস উদ্দিন। মাতামের বর্ষপুর্তিতে ক্রেতা আকৃষ্ট করতে লটারি  আয়োজন করেন । বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম, জিহন ইসলাম এবং সংগঠক বেলাল কেক কেটে বর্ষপুর্তি অনুষ্ঠানের শুরু করেন। ফ্রেস মেইল রেষ্টুরেন্ট এন্ড সুপার স্টোরের সত্বাধীকারি গিয়াস উদ্দিন বলেন এই করোনা মহামারির কারণে অকল্পনিয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এই ক্ষতি কাটিয়ে পুনরায় ফিরে দাঁড়াতে চেষ্টা করছি। বিজয়ীদের মাঝে ল্যাপটপ, মোবাইল সহ প্রায় চল্লিশটি দামী পুরস্কার বিতরন করা হয়। অসংখ্যা অতীথির আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে বর্ষপুর্তি শেষ হয়। 

কুয়েতে হোটেল ফ্রেস মিল সাথে সংযুক্ত আছে ফ্রেস ভেজিটেবলস ও ফ্রুডস্ এর দোকান দেশটি নান্দনিক কমার্শিয়াল সিটি সালমিয়া এলাকায়। নামটি ইংরেজীতে হলেও স্বত্তাধিকারী একজন বাংলাদেশী । নাম গিয়াস উদ্দীন তিনি গত ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করেই উন্নত মানের পরিবেশনায় ও সুস্বাদু অনন্য রুচির সম্মত খাবার তৈরী করে সারা ফেলে পুরো এলাকায় । কয়েক মাস যেতে না যেতেই বৈশ্বিক মহামারীর কবলে পরে কারফিউ লকডাউন ও স্বাস্হ্য বিধির বেরাজালে থমকে গেলেও নিজ মেধা অধ্যবসায়কে পুজিকরে পুনরায় হাল ধরেন । গিয়াস উদ্দীন তার অনিয়মিত কাষ্টমারকে নিয়মিত করতে লটারীর মাধ্যমে আকর্ষনীয় পুরস্কার এর আয়োজন করেন।

About banglarbarta.com

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!