Home / দেশ / বগুড়ায় অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে আ’লীগের দুই গ্র“পের সংঘর্ষ

বগুড়ায় অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে আ’লীগের দুই গ্র“পের সংঘর্ষ

নজরুল ইসলাম মিন্টু বগুড়া জেলা প্রতিনিধি ঃ বগুড়া গাবতলীর কাগইল ইউপি চেয়ারম্যান শফি আহম্মেদ স্বপন কর্তৃক স্থানীয় কাগইল বাজারে অবৈধভাবে ১০টি দোকানঘর নির্মাণ করে ইজারা দেয়ার নামে মোটা অংকের অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়াকে কেন্দ্র করে আ’লীগের ২ গ্র“পের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪ ব্যক্তি আহত হওয়ার খবার পাওয়া গেছে। এছাড়া স্থানীয় আ’লীগ অফিস, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি এবং ইউনিয়ন পরিষদের আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। খবর পেয়ে বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার মকবুল হোসেন, থানার ওসি (তদন্ত) ফাছির উদ্দিনসহ একদল পুলিশ গটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এলাকাবাসী জানান, গতকাল শুক্রবার বিকেলে ইউপি চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা শফি আহম্মেদ স্বপনের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী স্থানীয় আ’লীগ অফিসে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবিসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ সময় ঐ অফিসে থাকা গাবতলী পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক বিপুল মিয়া (২৮)কে রামদা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। পরে উক্ত ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ মোল্লা ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাহফুজুল হক সুইটের নেতৃত্বে চেয়ারম্যান স্বপন গ্র“পের উপর পাল্টা হামলা চালালে মিনহাজুল ইসলাম (৩০) সহ কয়েকজন আহত হয়। এ সময় সাধারণ মানুষও তাদের সাথে যোগ দিলে স্বপন চেয়ারম্যান প্রাণের ভয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। স্বপনের পক্ষের লোকজন দাবী করেছেন ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ও আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়েছে। ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ মোল্লা জানান, স্বপন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে তার সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী আ’লীগ অফিসে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখখ হাসিনার ছবি ভাংচুর করে। তিনি আরো জানান, স্বপন চেয়ারম্যানের বিভিন্ন অবৈধ কর্মকান্ড, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ তার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে। আব্দুর রশিদ জানান, স্বপন ও তার লোকজন ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ভাংচুর করে আমাদের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান শফি আহম্মেদ স্বপনের সাথে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর্জা মোহাম্মদ আলী রেজা জানান, আমি ঘটনাটি শোনার পর থানার ওসিকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। ঘটনাস্থলে যাওয়া থানার ওসি (তদন্ত) ফাছির উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে ঐ এলাকায় আ’লীগের ২ গ্র“পের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন...

বেনাপোলে বন্দর শ্রমিকের বাড়ি থেকে ২০ টি ককটেল জব্দ করেছে বিজিবি

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত শ্রমিকের বাড়ি থেকে ২০ টি তাজা ককটেল …