Home / দেশ / বাংলাদেশের কোচ হতে চান মিক নিউয়েল।

বাংলাদেশের কোচ হতে চান মিক নিউয়েল।

রিচার্ড পাইবাসের কাছ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না পেয়ে মিক নিউয়েলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ইংলিশ কাউন্টি দল নটিংহ্যামশায়ারের ক্রিকেট পরিচালক নিউয়েল ক্রিকইনফোকে জানিয়েছেন বিসিবির সঙ্গে তার আলোচনা চলছে। পাকিস্তানের সাবেক কোচ পাইবাস প্রথম পছন্দ বিসিবির। দক্ষিণ আফ্রিকায় বসতি গড়া ইংলিশ কোচের সঙ্গে আলোচনায় অনেকটা এগিয়েছিলো। আটকে আছে বেতনসহ বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা নিয়ে। এই ফাঁকে বিসিবি তাদের দ্বিতীয় পছন্দ নিউয়েলের প্রতি আগ্রহ দেখায়। পাইবাস এবং নিওয়েল একই এজেন্টের কোচ। বাংলাদেশ কোচ হতে আগ্রহী নিউয়েল বলেছেন,‘আমার ইচ্ছে আছে আন্তর্জাতিক দলের কোচ হওয়ার। এই সুযোগ সব সময় আসে না। একটি এজেন্টের সঙ্গে আমার কয়েকবার কথা হয়েছে। এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও অনেক জেনে নিতে হবে। আর বিসিবির সঙ্গে আমার এখনও যোগাযোগ হয়নি। ইংলিশ এই কোচ নটিংহামশায়ারে দারুণ আছেন। কাবের সঙ্গে বন্ধন ছিন্ন করতে তার কষ্ট হবে বলেও জানিয়েছেন। স্টুয়ার্ট ল’কে বেছে নেওয়ার সময়ও আলোচায় ছিলোন নিউয়েল। কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়েছিলো। শেষপর্যন্ত ল কোচ হতে রাজি হওয়ায় নিউয়েলের ভাগ্য খোলেনি। এবার ভাগ্যের শিকে ছিড়তে পারে। তার অন্যতম কারণ হলো পাইবাসকে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বিসিবি থেকে তাতে শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের চাকরিটা তার না নেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। নিউয়েলকে কোচ করার বিষয়ে বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেছেন,‘এই মুহূর্তে বলা খুব কঠিন। আজকে পর্যন্ত অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিলো। কোন একজনের নাম বলা কঠিন। যে পর্যায়ে অগ্রগতি হয়েছে তাতে এক সপ্তাহ লেগে যাবে। এই মাসের শেষ দিকে গিয়ে নিশ্চিত হবে।’

আরও পড়ুন...

নগরীতে জেএসইউএস ও সিডিডি আয়োজিত প্রতিবন্ধিতা ও একীভূত উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কর্মরত জাতীয় সংগঠন সেন্টার ফর ডিজএ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (সিডিডি) ও সিবিএম এর সহযোগিতায় বেসরকারী মানব উন্নয়ন মূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (জেএসইউএস)’র অংশগ্রহণে “প্রতিবন্ধিতা ও একীভূত উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ”গত ১৯ নভেম্বর ২০২০ ইংরেজী নগরীর দেওয়ানবাজারস্থ সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেএসইউএস নির্বাহী পর্ষদের সদস্য ও সংস্থার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সহ-সভাপতি ফারজানা রহমান শিমু, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভীন, ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ও পরিচালক কবি প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ ছাবের আহমেদ, নির্বাহী সদস্য শাহানাজ বেগম, সিনিয়র এসিসটেন্ট ডিরেক্টর এম এ আসাদ, এসিসটেন্ট ডিরেক্টর শহীদুল ইসলাম, সংস্থার শাখা ব্যবস্থাপকসহ অপরাপর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সিডিডি-এর পক্ষ থেকে থিমেটিক এক্সপার্ট মো: জাহাঙ্গীর আলম, সিডিডি’র কোঅর্ডিনেটর ও প্রজেক্ট ম্যানেজার তানবিন আহমেদ, শাহ জালাল, জুনায়েদ রহমান, হীরা বণিক উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক ধারণা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তি, সংস্থায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তি বিষয়ে ধারণা ও সকল কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সম্পৃক্তকরণের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত কর্মপদ্ধতি নির্ধারণসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মো: জাহাঙ্গীর আলম। কর্মশালা পরিচালনায় মো: জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “বর্তমান সরকারের আন্তরিকতা ও নানা উদ্যোগ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারের এ সংক্রান্ত অনেক আইন ও নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু  সে অনুযায়ি সচেতনতা না থাকায় এর সুফল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গ পাচ্ছেন না। আমাদের সকলের সম্মিলত প্রচেষ্টায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হতে পারে।” উদ্যোগ নিতে হবে আমাদের সকলকে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গে সংস্থার পরিচালক কবি প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন বলেন, “জেএসইউএস প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থা অপরাপর কর্মসূচীতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে।” ভবিষ্যতে সকল প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধিতা ইস্যুটি সর্বাগ্রে বিবেচনা করা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি বার্তা প্রেরক মো: আরিফুর রহমান প্রোগ্রাম ম্যানেজার (এসডিপি)