Home / কুয়েত / বিদেশে শুধুই প্রবাসী নয় টাইগারও আছে

বিদেশে শুধুই প্রবাসী নয় টাইগারও আছে

বিদেশে নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে মেধা ও শ্রমের বিনিময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিষ্ঠিত অনেক প্রবাসী। একদিকে প্রবাসে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে রেমিটেন্স যোদ্ধারা দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন অন্যদিকে খেলায় এগিয়ে যাচ্ছেন। কুয়েত ক্রিকেট কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত ডোমেস্টিক ডেজার্ট লীগ টুর্নামেন্ট ২০২০ অনুষ্ঠিত হয়। এই টুর্নামেন্টে ভারত, পাকিস্থান বিভিন্ন দেশের ১৪টিম অংশ নেয়। এই খেলায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের টিম (জে কে আর) জিলিব নাইট রাইডার্স জয়ী হয়। শুক্রবার রাতে কুয়েতস্থ সোলাইবিয়া কেসিসি গ্রাউন্ডে বিজয়ী পুরস্কার গ্রহন করেন বাংলার দামাল সন্তানরা।

প্রবাসী বাংলাদেশীদের উচ্ছাসে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান স্থলে এক আনন্দের ঝড় বইতে থাকে। সে সময় জিলিব নাইট রাইডার্স (জে কে আর) এর ক্যাপ্টেন আজীজ জানান তারা কল্পনা করতে পারেননি যে এই খেলায় জয়ী হবে তবে বুকে সাহস এবং অন্তরে আশা ছিলো সেই আশা পুরন হলো। কুয়েতে আমরা বাংলাদেশীরা শুধু শ্রমিক নই খেলার মাধ্যমে আমাদের দক্ষতা দেখাতে পেরেছি বলে মনে করেন টিমের নাজিম উদ্দিন, মোয়াজ্জেম হোসেন সহ খেলোয়াড়রা। একটি বিদেশি টিম কুয়েত সুইডেস সেই টিমে খেলে ম্যান অব দ্যা মেচ এর গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশী বুলবুল আহমেদ।

কুয়েত সুইডেস টিমের কর্মকর্তা মীর মোসারফ হোসেন বলেন আমাদের কুয়েত সুইডেস টিমটি কোম্পানি কর্তৃক পরিচালিত হয়। এখানে বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড় আছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট এসোশিয়েশন এর সভাপতি জাহাঙ্গীর খান পলাশ বলেন বিদেশের মাটিতে এতগুলো বিদেশের খেলোয়ারড়দের সাথে খেলে বাংলাদেশীরা জয়ী হয়েছে, আমরা আনন্দি, এটা আমাদের গৌরব।

বাংলাদেশ ক্রিকেট এসোশিয়েশন এর উপদেষ্টা সাংবাদিক মঈন উদ্দিন সরকার সুমন বলেন এই জয়ে আমাদের দেশের ভাবমুর্তি ফুটে উঠেছে, বিদেশিরা মনে করবে বাংলার টাইগার শুধু দেশেই নয় বিশ্ব ছড়িয়ে আছে। এই জয়ে আবারো বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সুনাম বয়ে আনল প্রবাসী বাংলাদেশী ক্রিকেট খেলোয়াড়রা। তাদের উদ্বুদ্ধ ও আগ্রহী করতে প্রবাসী বিত্তবানদের সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তাহলে প্রবাসীদের সাফল্য গাঁথার গল্পগুলো আমরা তুলে ধরতে পারব।

About বাংলার বার্তা

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!