Home / দেশ / বেনাপোলে বিপুল পরিমাণ আন্তর্জাতিক কলিং কার্ড সহ আটক ১

বেনাপোলে বিপুল পরিমাণ আন্তর্জাতিক কলিং কার্ড সহ আটক ১

মো. রাসেল ইসলাম,শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি: চোরাইপথে ভারতে পাচারকালে বেনাপোল সাদিপুর সেতু এন্টারপ্রাইজ এর অফিস থেকে ৪৩ হাজার ১৪০ পিস আন্তর্জাতিক কলিং কার্ড (স্ক্রার্চ কার্ড) সহ মো. আমিনুর (২২) নামে একজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।

মঙ্গলবার (২৫ মে) বেলা ১২টার দিকে বেনাপোল সাদিপুর সেতু এন্টারপ্রাইজ অফিস থেকে এসব কার্ড (স্ক্রার্চ কার্ড) সহ একজনকে আটক করা হয়। আটক আমিনুর সাদিপুর গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদে জানতে পারি ২ জন লোক প্রচুর পরিমাণ আন্তর্জাতিক কলিং কার্ড (স্ক্রার্চ কার্ড) বাংলাদেশ হতে ভারতে পাচারের উদ্দেশে সাদিপুর সেতু এন্টারপ্রাইজ এর অফিসের ভিতর অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল কোম্পানী সদরে কর্মরত নায়েব সুবেদার মো. ইউনুস আলী’র নেতৃত্বে একটি বিশেষ চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়ে সাদিপুর সেতু এন্টারপ্রাইজ এর অফিস হতে সন্দেহভাবে টেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় একটি কার্টুনসহ ১ জনকে আটক করা হয়। আটককৃত কলিং কার্ডের সিজার মূল্য আনুমানিক বাংলাদেশী টাকায় তিন কোটি বিরাশি লক্ষ ঊনপঞ্চাশ হাজার ছয়শত উনিশ টাকা।

যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. সেলিম রেজা বলেন, আটককৃত আন্তর্জাতিক কলিং কার্ড (স্ক্রার্চ কার্ড) এবং ধৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

About বাংলার বার্তা

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!