Home / কুয়েত / বৈধ আকামাধারী প্রবাসীদের কুয়েতে প্রবেশে কোন বাধা নেই

বৈধ আকামাধারী প্রবাসীদের কুয়েতে প্রবেশে কোন বাধা নেই

সম্প্রতি কুয়েতে একটি সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে যারা কুয়েতের বাহিরে আছেন তারা ৩১ শে ডিসেম্বরের পরে কুয়েতে প্রবেশ করতে পারবে না। এমন খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা গুজব বলে স্থানীয় গনমাধ্যমে এক খবরে জানিয়েছে কুয়েতের জেনারেল রেসিডেন্সি বিষয়ক বিভাগ। আবাসিক বিষয়ক জেনারেল প্রশাসন নিশ্চিত করেছেন যে সব প্রবাসীরা কুয়েতের বাহিরে আছে যাদের বৈধ রেসিডেন্সি (আকামার মেয়াদ) আছে তাদের কুয়েতে প্রবেশের কোন বাধা নেই। স্বাস্থ্য প্রয়োজনীয়তা নির্দেশিত বিধি মেনে কুয়েত প্রবেশ করতে পারবেন।  

কুয়েতে সরসরি প্রবেশে ৩৪ টি নিষিদ্ধ থাকায় সে দেশের প্রবাসীরা অন্য দেশ ( দুবাই, ইস্তাম্বুল) থেকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে কুয়েতে প্রবেশ করছে।

যারা কুয়েতের বাইরে আছেন তারা অনলাইনে তাদের আকামার মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে আকাম নবায়ন করতে পারেন । মিনিস্ট্রি ওফঃ ইন্টেরিয়র যদি কুয়েতের বাইরে থাকা প্রবাসীদের নিয়ে নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে অবশ্যই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ প্রশাসনের মাধ্যমে ঘোষণা করে জানিয়ে দেয়া হবে বলে খবরে প্রকাশিত হয়েছে।

কুয়েত সরকার করোনা ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমন ও জনসমাগম এড়িয়ে  চলতে বলেছে।

মূলত একটি চক্র তাদের স্বার্থে বিভিন্ন মিথ্যা গুজব সংবাদ সোশাল মিডিয়ায় প্রচার চালিয়ে সাধারণ প্রবাসীদের বিভ্রান্তি করছে। ঐ চক্রটির এমন মিথ্যা গুজবে অনেক প্রবাসী আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে বলে মনে করেন বিশিষ্টজন। এমন গুজব এড়িয়ে চলার অনুরুধ জানান কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।

About বাংলার বার্তা

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!