Friday, April 3, 2026
banglarbarta.com
  • Home
  • শীর্ষ সংবাদ
  • দেশ
    • সারাদেশ
      • ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • বিশ্ব
  • প্রবাস
    • কুয়েত
    • দূতাবাস
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিন্ন খবর
  • শোক সংবাদ
  • সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
  • ভিডিও
  • English
No Result
View All Result
  • Home
  • শীর্ষ সংবাদ
  • দেশ
    • সারাদেশ
      • ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • বিশ্ব
  • প্রবাস
    • কুয়েত
    • দূতাবাস
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিন্ন খবর
  • শোক সংবাদ
  • সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
  • ভিডিও
  • English
No Result
View All Result
banglarbarta.com
No Result
View All Result
Home দেশ সারাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার ঐতিহ্য

banglarbarta.com by banglarbarta.com
August 1, 2018
in ব্রাহ্মণবাড়িয়া
0
0
SHARES
30
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

তিতাস নদী

8095e7c0c2b261d5e3831dd1db36ebf0

তিতাস পাড়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়া। অদ্বৈত মল্লবর্মণের ‘‘তিতাস একটি নদীর নাম’’ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় যেমন, তেমনই তিতাস ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে দেশ বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। জেলার নাসিরনগর থানার চাতলপুর নামক স্থানে নিকটস্থ মেঘনা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে পূর্বমুখে প্রবাহিত হয়ে চান্দোরা গ্রামের উত্তরে-পশ্চিমে-দক্ষিণ মুখে অগ্রসর হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নিকট পূর্ব দক্ষিণ মুখে প্রবাহিত হয়ে আখাউড়া রেলজংশনের দক্ষিণে পশ্চিম-উত্তর মুখে গিয়ে নবীনগরের পশ্চিমে লালপুরের নিকট মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে। নদীটি ইংরেজী বর্ণ এম আকারে প্রবাহিত হচ্ছে । চাতলপুর থেকে লালপুরের দূরত্ব ১৬ মাইল হলেও সমগ্র নদীটি প্রায় ১২৫ মাইল দীর্ঘ । আর এই নদীটিই তিতাস নদী নামে পরিচিত । এছাড়া আরো কয়েকটি নদী তিতাস নদী নামে এই এলাকায় পরিচিতি লাভ করেছে । সেগুলি হলো :

(১) নবীনগর থানার পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত কালিগঞ্জ বাজারের উত্তরে মেঘনা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে একটি ছোট নদী দক্ষিণ মুখে গিয়ে পূর্ব দিকে মোড় নিয়ে জীবনগঞ্জ বাজারকে বাম পাশে রেখে দরিকান্দি গ্রামের উত্তর পার্শ্ব দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কালাইনগরের নিকট দক্ষিণমুখী গতি ধারন করে বাঞ্ছারামপুর থানাকে ডান পাশে রেখে ঘাঘুটিয়ার নিকট তিতাসের আর একটি গতিধারার সঙ্গে মিশে পশ্চিম মুখে গিয়ে উজানচরকে ডানপাশে ও হোমনা থানাকে বামপাশে রেখে শ্রীমদ্দির নিকট মেঘনা নদীতে পড়েছে । এটি তিতাস নদী নামেই পরিচিত । হোমনা থানায় এটি আবার চিতিগঙ্গা নামে পরিচিত ।

(২) আবার বাঞ্ছারামপুর থানার দরিকান্দি গ্রামের উত্তর পূর্ব দিক থেকে প্রায় অনুরূপ আকারের একটি নদী দক্ষিণ মুখে প্রবাহিত হয়ে রামকৃষ্ণপুরের নিকট আরো একটি তিতাস নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে ঘাঘুটিয়ার নিকট পূর্বোক্ত তিতাসের সঙ্গে মিলিত হয়েছে । এটিও তিতাস নদী নামে পরিচিত ।

(৩) কোম্পানীগঞ্জ- নবীনগর সড়কের প্রায় মধ্যবর্তী স্থানে এবং সড়কের পূর্ব দিকে অবস্থিত পান্ডুগড় গ্রামের নিকট উৎপন্ন হয়ে পূর্বোক্ত সড়ক ভেদ করে পশ্চিম মুখে গিয়ে ধাপতিখোলা ও দীঘির পাড় গ্রামের পাশ দিয়ে গিয়ে পশ্চিম মুখে প্রবাহিত হয়ে কামাল্লা গ্রামকে উত্তর পাশে রেখে রামচন্দ্রপুর বাজারের দক্ষিণ দিক দিয়ে উত্তর পশ্চিম মুখী হয়ে বাজারের পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চিতিগঙ্গা নামক তিতাসের সহিত মিশেছে ।

তিতাস একটি প্রাচীন নদী । তিতাস নদীর নামে ‘তিতাস গ্যাস’নামকরণ করা হয় । মানুষের জীবন যাত্রা ও ভূমি গঠনে এ নদীর বিশেষ প্রভাব রয়েছে । তিতাস নদীর ধারা যদিও পরিবর্তিত হয়েছে একাধিক বার । তথাপি এর বিভিন্ন উপ-শাখা নদী চোখে পড়ে । জেলার নদী-তীরবর্তী এলাকাগুলোর মাঝে মাঝেই জেলে সম্প্রদায়ের বাস । তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন মৎস্য শিকার করা । তাছাড়া কৃষকেরা ও নিজেদের খাদ্যের জন্য বিভিন্ন মৌসুমে খালে-বিলে মাছ ধরে থাকেন । ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় প্রচুর হাওড়, খাল-বিল, জলাশয় থাকায় এখানে প্রচুর পরিমাণে মাছ পাওয়া যায়। জেলায়  ছোট-বড় অনেক পুকুর রয়েছে যেখানে দেশী-বিদেশী প্রচুর মাছ চাষ করা হয় ।

 

আচিল বা হাঁসলি মোরগ

be211c8cb988bdcc98b4e8c97ccd87c4

সরাইলের হাঁসলী মোরগ এর উচ্চতা, ক্ষিপ্রতা, দৈহিক শক্তি ও কস্ট সহিষ্ণুতার জন্য বিখ্যাত । মোঘল আমল থেকে এ অঞ্চলে মোরগ লড়াই চালু হয় বলে জানা যায় । বিশেষ করে সরাইলের দেওয়ানদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় মোরগ লড়াই এ অঞ্চলে বিশেষ তাৎপর্য লাভ করে । দুটি মোরগের মধ্যে অনুষ্ঠিত লড়াইয়ে মোরগের নখগুলোকে চোখা তীক্ষ্ণ করা হয় । যতক্ষণ না একটি মোরগ পরাজিত হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত লড়াই চলতে থাকে । সরাইলের দেওয়ান মনোয়ার আলী সুদূর ইরান থেকে মতান্তরে রায়বেরেলি থেকে একপ্রকার যুদ্ধবাজ মোরগ দেশে আনয়ন করেন । এ ধরনের মোরগকে হাঁসলি মোরগ বা আসলি মোরগ নামে সবাই চেনে। অত্যন্ত দুধর্ষ ও কষ্ট সহিষ্ণু হিসেবে এদের সুনাম আছে । এ মোরগ গুলো যুদ্ধের সময় যে কায়দায় পরষ্পরকে মার দেয় এগুলোর আলাদা নাম আছে । যেমন – নিম, কারি, বাড়ি, ফাঁক, ছুট ও কর্ণার। হাঁসলি মোরগ বিশেষ বৈশিষ্ট্য মন্ডিত । হাঁসলী মোরগের যে গুলোর গলায় পালক থাকে না সে গুলো অত্যন্ত জেদী যোদ্ধা হয়ে থাকে । এগুলো পরাজয় বরণে পিছু হটেনা । শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে থাকে । যোদ্ধা একজোড়া ভাল মোরগের দাম ২৫,০০০/- টাকা থেকে ৩০,০০০/-টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে ।

 

বান্নি/মেলা

বাঙ্গালীর হাজার বছরের ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলেমিশে আছে বিভিন্ন পার্বণ উপলক্ষ্যে মেলা বা লোক জমায়েতের। সম্রাট আকবর যখন নতুন খাজনা আদায়েল ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করেন তথন খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে বৈশাখ মাসের ১ তারিখ ক্ষেত্র বিশেষে তারিখ পরিবর্তন করে বিভিন্ন এলাকায় খাজনা আদায় করা হতো । দূরদূরান্ত থেকে আসা লোকজনের খাওয়া দাওয়ার সুবিধার্থে আনুসাঙ্গিক বিভিন্ন পসরা সাজিয়ে বসত ব্যবসায়ীরা । পরবর্তীতে এই জমায়েতটাই একটা উৎসবের রূপ লাভ করে মেলাতে পরিণত হয় । বিভিন্ন ধর্মীয়,রাজকীয় বা সামাজিক আচার অনুষ্ঠান যেখানে অনেক লোকের সমাগত হতো এ সকল স্থানেই কালক্রমে মেলা জমে উঠে । ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলে বিভিন্ন মাজারের উরশ শরীফ কে কেন্দ্র করে ২/৩ দিন আবার কোন কোন স্থানে সপ্তাহ ব্যাপী মেলা উদযাপিত হয়। সুদূর প্রাচীন কাল থেকে চলে আসা আমাদের চৈত্র মাসের কৃষ্ণা ত্রয়োদশী শতভিষা নক্ষত্র যুক্ত হলে যে বারুনী যোগ হয় এবং সেই যোগে গঙ্গাস্নানের নাম বারুনী স্নান। সরাইল থাকার ধিতপুরেও এ ধরনের বারুনী স্নান অনুষ্ঠিত হয় বলে গবেষক লুৎফুর রহমান তাঁর বইয়ে উল্লেখ করেছেন । ভাদুঘরের বান্নী ১৪ বৈশাখ প্রতি বৎসর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে । বারুনী স্নান নামক যে ধর্মীয় আচারকে উপলক্ষ্য করে ভাদুঘরের বান্নী হয়েছে তা আসলে কতটুকু বারুনী স্নানকে কেন্দ্র করে হয়েছে তা প্রশ্ন যুক্ত । অনেকে মনে করেন ভাদুঘরের মেলা খাজনা আদায়কে উপলক্ষ্য করেই অনুষ্ঠিত হয়ে থাকবে । তবে যে কোন উপলক্ষ্যেই মেলার প্রচলনটি শুরু হোক না কেন একথা আজ অনস্বীকার্য বর্তমান সময়েও এই মেলার আয়োজনে কোন ব্যত্যয় ঘটেনি এবং সকল ধর্মীয় লোকজনের এক মহামিলনে রূপান্তরিত হয়েছে এই মেলা । মেলা উপলক্ষ্যে ভাদুঘর এবং আশেপাশে গ্রামসমূহে এক উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করে । দূর দূরান্ত থেকে এ সকল গ্রামের অধিবাসীদের আত্মীয় স্বজন বিশেষ করে মেয়েরা নাইওরী ও পুত্র বধুদের আত্মীয় স্বজনদের অন্ততঃ এক সপ্তাহ আগেই নিমন্ত্রণ করে আনা হয়। স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই বিশাল মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

পুতুল নাচ

2412054a107d1d007c74435822d2fc90

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুতুল নাচও ছিল দেশ বিখ্যাত। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রথম পুতুল নাচ সৃষ্টি করেছিলেন নবীনগর থানার কৃষ্ণনগর গ্রামের বিপিন পাল । তিনি হিন্দু ধর্মের বা পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে নিজস্ব স্টাইলে পুতুল নাচ করতেন । তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যবসায়িক পুতুল নাচের স্রষ্টা বলা হয়। বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই ঐতিহ্যবাহী পুতুল নাচকে বাঁচিয়ে রেখেছেন শহরের মেড্ডার ধন মিঞা । তিনি কৃষ্ণনগর গ্রামের গিরীশ আচার্যের পুতুল নাচের দলে পুতুল নাচের তালে তালে গান করতেন । শেষ পর্যন্ত ধন মিঞা নিজেই পুতুল নাচের দল সৃষ্টি করেন । ১৯৭৫ সনে ধন মিঞা টেলিভিশনে ধন মিঞা পুতুল নাচের যে কাহিনী গুলি প্রদর্শণ করেছিলেন তা হচ্ছে ‘বড়শি বাওয়া’‘বাঘে কাঠুরিয়াকে ধরে নেওয়া’এবং ‘বৈরাগী বৈরাগিনীর ঝগড়া’অন্যতম । ধন মিঞা শুধু দেশে নয়  বিদেশে ও খ্যাতি অর্জন করেছেন । তিনি ১৯৮০ সনে পুতুল নাচ দেখাতে সোভিয়েত ইউনিয়নে গিয়েছিলেন । তাঁর সাথে মোস্তফা মনোয়ার ও গিয়েছিলেন । ধন মিঞা রাশিয়ার মস্কো, তাসখন্দ, সমরখন্দ প্রভৃতি শহরে ২০ দিন অবস্থান করে পুতুল নাচ দেখিয়ে অকুণ্ঠ প্রশংসা পেয়েছিলেন । বর্তমানে তিনি আধুনিক মডেলে পুতুল তৈরী করছেন । জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের প্রচারে পুতুল নাচকে ব্যবহার করেছেন ।

নৌকা বাইচ

 

6c09a36fbd0cf9941dc682c71f707e5e

‌‘‘সখি করি গো মানা, কালো জলে ঢেউ দিওনা গো

সখি কালো জলে ঢেউ দিও না’’

উল্লেখিত গানের কলিটি ইংরেজ আমলে তিতাস নদীর নৌকা বাইচের একটি গানের অংশ । সুদূর অতীত কাল থেকে মনসা পূজা উপলক্ষে ভাদ্র মাসের প্রথম তারিখে তিতাসে এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে । এ অনুষ্ঠানটির প্রাচীনতা সম্পর্কে ত্রিপুরা জেলা গেজেটীয়ার থেকে জানা যায় যে, ১৯০৮ সালে অনুষ্ঠিত নৌকা বাইচ ছিল একটি ঐতিহাসিক প্রতিযোগিতা । ঐ প্রতিযোগিতায় আখাউড়া, আশুগঞ্জ, চান্দুরা এবং কুটির ইংরেজ পাট ব্যবসায়ীরা বহু সোনার মেডেল দিয়ে নৌকা বাইচ প্রতিযোগীদের পুরষ্কৃত করেছিলেন । তাছাড়া কুমিল্লা জেলা গেজেটীয়ার থেকে বৃটিশ শাসনামলে নৌকা বাইচ সর্ম্পকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক মি: ওয়ারস এর রিপোর্টের বর্ণনায় আরো জানা যায় যে, এখানে নিয়ম-দস্তুর মাফিক কোন নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হতো না । সাধারণ একটি নৌকা আর একটি নৌকাকে চ্যালেঞ্জ দিত এবং দাঁড়িরা তালে তালে দাঁড় ফেলে পাল্লা দিয়ে নৌকা চালিয়ে নিয়ে যেত । একটি নৌকা আর একটি নৌকাকে পেছনে ফেলে দিতে পারলেই তার জিত হতো । ১৯০৮ সালে কিন্তু আখাউড়ার কয়েকটি পাট কোম্পানীর দেওয়া স্বর্ণ পদকের জন্য দস্তুরমত নৌকা বাইচ হয়েছিল এবং তাতে এমন ভীষণ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল যে, পুলিশকে বহু কষ্টে শান্তি রক্ষা করতে হয়েছিল ।

ত্রিশের দশকেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর সংলগ্ন তিতাসের বুকে অতি জাঁকজমকের সাথে গণ উৎসব এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হতো । বিজয়ী নৌকাকে মেডেল, কাপ, শীল্ড, পিতলের কলস, পাঁঠা ইত্যাদি ট্রফি দেয়া হতো । নৌকা বাইচ উপলক্ষ্যে লঞ্চ, বিভিন্ন ধরনের নৌকা, কোষা, কলাগাছের ভেলা, এমন কি মাটির গামলাকে পর্যন্ত রং-বেরঙের কাগজের ফুল ইত্যাদি দিয়ে বিচিত্র সাজে সজ্জিত করা হতো।

 

মিষ্টি, ছানামুখী

7793ea430cfbdd0ed7d3136a4b2d1298
বৃটিশ রাজত্ব কালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মিষ্টি, ছানামুখি এর সুখ্যাতি দেশ বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল । ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মিষ্টির সুনামের পেছনে যে ব্যক্তির নাম জড়িত তিনি হলেন মহাদেব পাঁড়ে । তাঁর জন্ম স্থান কাশী ধামে । তাঁর বড় ভাই দুর্গা প্রসাদ কিশোর মহাদেবকে নিয়ে কলকাতায় আসতে হয় । বড় ভাই এর মিষ্টির দোকানে মিষ্টি তৈরী শুরু করেন বালক মহাদেব । কিন্তু  বড় ভাই দুর্গা প্রসাদ পরলোক গমন করেন। নিরাশ্রয় হয়ে মহাদেব বেড়িয়ে পড়লেন নিরুদ্দেশে । অবশেষে এলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে । শতাধিক বছর পূর্বে তখন শহরের মেড্ডার শিবরাম মোদকের একটি মিষ্টির দোকান ছিল । তিনি মহাদেবকে আশ্রয় দিলেন । মহাদেব আসার পর শিবরামের মিষ্টির সুনাম ছড়িয়ে পড়ে । মৃত্যুর সময় শিবরামের মিষ্টির সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। মৃত্যুর সময় শিবরাম তাঁর মিষ্টির দোকানটি মহাদেবকে দিয়ে যান। জানা যায় যে, ভারতের বড়লাট লর্ড ক্যানিং এর জন্য একটি বিশেষ ধরনের মিষ্টি তৈরী করে পাঠানো হয়েছিল কলকাতায় । লর্ড ক্যানিং এবং স্ত্রী লেডী ক্যানিং এ মিষ্টি খেয়ে খুব প্রশংসা করেছিলেন । এরপর এ মিষ্টির নাম রাখা হয় ‘লেডি ক্যানিং’মিষ্টি বর্তমানে যা‘লেডি ক্যানি’নামে পরিচিত। তাঁর তৈরী আর একটি মিষ্টির নাম ‘ছানামুখী’। এ ছানামুখী বাংলাদেশের অন্য কোথাও তৈরী করতে পারে না। এ ছানামুখীর সুনাম এখনও দেশ বিদেশে অক্ষুন্ন রয়েছে। ১৯৮৬ সনে ইসলামাবাদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত অফিসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াঊল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লেডী ক্যানি খেয়ে উচ্ছ্বখিত প্রশংসা করেছিলেন যা পাকিস্তানের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল।

Post Views: 2
Previous Post

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

Next Post

এক নজরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Next Post

এক নজরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Discussion about this post

❑ আর্কাইভ

April 2026
S S M T W T F
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  
« Mar    
কুয়েত টাওয়ার আরব উপসাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা অমর প্রতীক

সরকার দেবে আমদানির অতিরিক্ত খরচ

৯ নেপালি শ্রমিকের মরদেহ দেশে পাঠালো কুয়েত

সৌদি স্থল সীমান্তে নতুন বাস সার্ভিস চালু

সৌদি স্থল সীমান্তে নতুন বাস সার্ভিস চালু

কুয়েত টাওয়ার আরব উপসাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা অমর প্রতীক

সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ালে শাস্তি: কুয়েতে নাগরিকরাও ছাড় পাচ্ছেন না

বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে ফিরতে চাইলে

Currently Playing

Breaking news প্রবাসী নিউজ

Breaking news প্রবাসী নিউজ

00:00:11
" data-ad-slot="">
ADVERTISEMENT

© 2026 banglarbarta.com All Right Reserved. ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন BANGLARBARTA

No Result
View All Result
  • Home
  • শীর্ষ সংবাদ
  • দেশ
    • সারাদেশ
      • ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • বিশ্ব
  • প্রবাস
    • কুয়েত
    • দূতাবাস
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিন্ন খবর
  • শোক সংবাদ
  • সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
  • ভিডিও
  • English

© 2026 banglarbarta.com All Right Reserved. ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন BANGLARBARTA

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist