Home / দেশ / ভগবান সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ভগবান সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ব্রহ্মণপাড়া প্রতিনিধি ॥
ব্রহ্মণপাড়া ভগবান সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি পুকুরের মাছ অবৈধ ভাবে বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিপুল অর্থে বিক্রি করলেও গুণধর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেন মাত্র ১৭হাজার টাকা। অপরদিকে কোন বিজ্ঞাপন ছাড়া পুকুরের মাছ বিক্রি বিধিসম্মত নয় বলেও জানিয়েছেন সচেতন জনগোষ্ঠী। ফলে এ ঘটনা নিয়ে এলাকার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে সরকারের উর্ধ্বতন মহলে স্থানীয়রা অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক সচেতন ব্যক্তি। অভিযোগ উঠেছে জনৈক জালাল মিয়ার নিকট তিনি গোপনে মাছ বিক্রি করে দীর্ঘ বছর যাবত ব্যক্তিগত ভাবে লাভবান হয়ে সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করেছেন। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জাবাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান তাহেরা বেগম বলেন, জালাল মিয়া পরিচিত বলে তার কাছেই তিনি মাছ বিক্রি করেছেন। তিনি আরো জানান রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ১৭ হাজার টাকা জমা দিয়ে তিনি মসজিদ সংস্কারের কাজ করেন এবং স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মাছ চাষের প্রশিক্ষন দেন।
এ ব্যাপারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার হোসেন জানান, বিজ্ঞপ্তী দিয়ে পুকুরের মাছ বিক্রি করলে সরকারের প্রায় প্রতিবছর আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা রাজস্ব আয় হতো। তিনি আরো বলেন; এটা চরম দুর্নীতি, যা একজন শিক্ষক থেকে আশা করা যায় না। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজিজুর রহমান সংবাদিকদের বলেন, স্কুলের পুকুরের মাছ বিক্রির বিধি হলো পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তী অথবা প্রকাশ্যে মাইকিং করে উম্মুক্ত নিলাম দেয়া। তিনি বিষয়টি বিধিসম্মত হয়নি বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায় কাগজপত্রে এই পুকুরটি ১ একর ৫১ শতক হলেও বাস্তবে পুকুরটির আয়তন ১ একর হলে বাকী সম্পত্তি ভূমি খেকোদের দখলে থাকলেও প্রধান শিক্ষিকা তা উদ্ধারে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলে গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে। এলাকার সুধীজন জানান বিদ্যালয়টি প্রায় ৩ যুগ পূর্বে সরকারী হলেও বিদ্যালয়ের পুকুর কখনোই বিধিগতভাবে লিজ না দিয়ে প্রধান শিক্ষকরা তাদের পছন্দের লোকদের কাছে বিপুল টাকার মাছ বিক্রি করে নামমাত্র রাজস্ব তহবিলে জমা দেন। এতে গত তিনদশকে প্রায়অর্ধকোটি টাকা আত্মসাত হয়েছে।

মো. অলিউল্লাহ সরকার অতুল,

About

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!