Home / দেশ / মর্জিনা-লতিফ ট্রাস্টের মাসিক সভায় সিদ্ধান্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার পদাধিকার বলে উপদেষ্টা সদস্য

মর্জিনা-লতিফ ট্রাস্টের মাসিক সভায় সিদ্ধান্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার পদাধিকার বলে উপদেষ্টা সদস্য

পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ মর্জিনা-লতিফ ট্রাস্ট পাবনা’র মাসিক সভা বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) মনসুরাবাদ আবাসিক ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ট্রাস্টের মহাসচিব আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় গত ২ নম্বর সভায় গৃহিত সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। সভায় জানানো হয়, গত জুলাই মাস পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলায় মসজিদ সৌন্দর্য্যকরণ, নির্মাণ ও সম্প্রসারণ বাবদ বরাদ্দকৃত ৭০ লাখ টাকার মধ্যে ৩৮ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে পাবনা সদর উপজেলার ২১টি, চাটমোহরে ৯টি, আটঘরিয়ায় ৪টি, ভাঙ্গুড়ায় ২টি এবং ঈশ্বরদীতে ২টি মসজিদ অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। সাঁথিয়া, সুজানগর, ফরিদপুর ও বেড়া উপজেলার জন্য বরাদ্দকৃত টাকা এখনও প্রদান করা হয়নি। খুব শিগগিরই এসব উপজেলার জন্য বরাদ্দকৃত টাকা প্রদান করা হবে। যাকাত ফাণ্ডে টাকা দান করার জন্য ওয়াদাকৃত ট্রাস্টের সদস্যসহ বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তিবর্গের অধিকাংশই টাকা প্রদান করে সহযোগিতা করায় ট্রাস্টের মহাসচিব সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সভায় জানানো হয়, “শহরের আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় এবং শহীদ আহমেদ রফিক উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য ধার্য্যকৃত সম্ভাব্য ব্যয় ১৩ লাখ ৫০ হাজারের মধ্যে গত জুন মাস পর্যন্ত ৫ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।” এছাড়া সভায় ইউনিয়ন ভিত্তিক কেন্দ্রীয় মসজিদ হিসাবে অন্ততঃ ৫ তলা বিশিষ্ট জামে মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। তবে ঐ সব মসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ কাঠা জমি প্রদান করার শর্ত দেয়া হয়েছে। অন্যান্য মসজিদ নির্মাণের তুলনায় এসব ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নির্মাণের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হবে বলেও জানানো হয়। সভায় অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পাবনা জেলা পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর, ট্রাস্ট সদস্য ও পাবনা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন, ট্রাস্ট সদস্য ও পাবনা চেম্বার অব কমাসের্র সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব-উল-আলম মুকুল, ট্রাস্ট সদস্য ও শহীদ এম. মনসুর আলী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান প্রমূখ। জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “পাবনা জেলায় মর্জিনা-লতিফ ট্রাস্ট হত-দরিদ্র জনগণের জন্য যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তা সাধুবাদের দাবী রাখে। ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ধর্মীয় অনুপ্রেরণা যোগাতে মসজিদ নির্মাণ, মসজিদ সৌন্দর্য্যকরণ ও গোরস্থান উন্নয়ন; এছাড়া শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্কুল ও মাদরাসার একাডেমিক ভবন নির্মাণসহ অন্যান্য সকল জনকল্যাণমূলক কাজ আসলেই নিঃস্বার্থ ভাবে জনসাধারণের উদ্দেশ্যেই করা হয়ে থাকে।” তিনি বলেন, আমার জানা মতে, সারা দেশে এভাবে উল্লেখযোগ্য ট্রাস্টি কার্যক্রম পরিচালনা করে তার সংখ্যা খুব বেশী নয়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ট্রাস্ট তার জনহিতকর কার্যক্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যতেও আপামর জনসাধারণের প্রয়োজন ও চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে।” তিনি প্রস্তাব করেন, দেশের বেকার সমস্যা দূরীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ট্রাস্টের অন্যান্য কার্যক্রমের সাথে কারিগরী শিক্ষার জন্য বিশেষ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরামর্শ দেন। পাবনা জেলা পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর ট্রাস্টের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, এই ট্রাস্ট জনহিতকর বহু কাজ করে ইতিমধ্যেই সারাদেশে সুখ্যাতি অর্জন করেছে। তিনি এই ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ বিশ্বাসকে এমন জনহিতকর কাজ করার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ট্রাস্টের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। সভায় ট্রাস্টের মহাসচিব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা পরিষদ প্রশাসককে আগামীতে পদাধিকার বলে উপদেষ্টা সদস্য হিসাবে রাখার প্রস্তাব করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়। তিনি আরও বলেন, আমাদের ট্রাস্টের সদস্য পদের পরিবর্তে তাদেরকে উপদেষ্টা পরিষদের রাখার কারণ, ট্রাস্টের আর্থিক আয়-ব্যয় অনেক বড় এবং আমাদের সকল সদস্য-সদস্যার মতামত ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। এক্ষেত্রে কোন সমস্যার সৃষ্টি হলে ট্রাস্টের উপদেষ্টা পরিষদ দ্রুত তার সমাধান দিতে সক্ষম হবেন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পাবনা জেলা পরিষদ প্রশাসক এম. সাইদুল হক চুন্নু, ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, ট্রাস্টের সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান বিশ্বাস, রানা প্রপার্টিজ এণ্ড ডেভেলপার্সের চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বিশ্বাস রানা, মাসপো গ্র“পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী মর্তুজা বিশ্বাস সনি, ট্রাস্টের যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব হোসেন খান বাবলু, ট্রাস্টের সদস্য ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ (অব.) আব্দুল করিম, আটঘরিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেরুন নেছাপ্রমূখ।

পাবনা সদর উপজেলায় ১ সেপ্টেম্বর থেকে ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য সংগ্রহ শুরু
পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ  পাবনা সদর উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নে ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ এর কার্যক্রম ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। নিয়োগকৃত তথ্য সংগ্রহকারীগণ বাড়ী বাড়ী গমন করে ২ নং ফরম (ভোটার হওয়ার ফরম) এবং ১২ নং ফরম (মৃত্যুর ফরম) ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পূরণ করবেন। এই তথ্য সংগ্রহ করার পর পরবর্তী কার্যক্রম পরে জানানো হবে। ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারী বা তার পূর্বে যাদের জন্ম এবং ইতিপূর্বে বাংলাদেশের কোথাও ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত নাই, তারা এই বছর ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। অর্থাৎ ১ জানুয়ারী ২০১৩ ইং তারিখে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে তারা এ বছর ভোটার হবেন এবং যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের যে কোন স্থানে তথ্য গোপন রেখে দ্বিতীয়বার ভোটার তালিকায় নাম অন্তুর্ভুক্ত করেন তাদেরকে এই দ্বৈত্য ভোটার হওয়ার জন্য জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন আইন ২০০৯ এর ১৮ ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কারো জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে বা পুড়িয়ে গেলে থানায় জিডি করে জিডি কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। এছাড়াও কারো জাতীয় পরিচয় পত্রে কোন তথ্য ভুল থাকলে তারা উপজেলা নির্বাচনে অফিসে সঠিক পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারবেন।

জনগনের স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করছে   এমপি প্রিন্স
পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ  পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ সরকারের যুব ক্রীড়া ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স বলেছেন, বর্তমান শেখ হাসিনার আওয়মীলীগ সরকার দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করার লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার জন্য উন্নতমানের যন্ত্রপাতি, চিকিৎসকদের নানামুখী সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করেছে। এরপরও দুরদুরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষ সময়মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হওয়াটা দুঃখজনক ব্যাপার। এটা মেনে নেয়া খুবই কষ্টকর। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার মান নিয়ে এক মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এমপি প্রিন্স এসব কথা বলেন। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ড. মনোয়ারুল আজিজের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএমএ পাবনা জেলার সেক্রেটারী ডা. আসলাম হোসেন বিশ্বাস মাসুদ, ডাঃ রিয়াজুল হক রেজা, ডাঃ অহমেদ তাউস, ডাঃ নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা সরদার মিঠু আহমেদ, জেলা যুবলীগের সভাপতি শরীফ উদ্দিন প্রধান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক জামিরুল ইসলাম মাইকেল, আওয়ামীলীগ নেতা কামরুজ্জামান রকি, হীরক হোসেন, কেএম হাসান হীরা কমিশনার প্রমূখ। এমপি প্রিন্স হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে বলেন, বর্তমান শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ সরকার দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চিকিৎসা খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এজন্য দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও সেবার মান নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করেছে। এরপরও দেশের মানুষ সময়মত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হলে বিষয়টি দুঃখ জনক। তিনি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আরো বলেন, হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকদের আরো বেশী সচেতন হয়ে সেবার মন নিয়ে জনগনের পাশে এগিয়ে আসতে হবে। শুধুমাত্র আর্থিক বিষয়টি বিবেচনা না করে মানব সেবার কথাটি মাথায় রেখে কাজ করার জন্য তিনি ডাক্তারদের প্রতি আহবান জানান। হাসপাতালে বহিরাগত দালালদের দৌরাত্ব কমানোর জন্য তিনি হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মনোয়ারুল আজিজ জানান, বিগত ৪০ বছরে চেয়ে বর্তমান শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ সরকার চিকিৎসা সেবার মান উন্নত করার লক্ষ্যে চিকিৎসকদের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে উৎসাহিত করেছেন। যা অন্য কোন সরকার করেনি। এ জন্য বর্তমান সরকারকে চিকিৎসকদেও পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান।

পাবনা সুজানগর ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীর বিয়ে
পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ  পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের বামুন্দী শেষ পাড়া গ্রামের বাবু শেখের কন্যা ও বামুন্দী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী আল্লাদী খাতুন (১৩) এর বিয়ে আজ শুক্রবার। জানা যায় জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী তার বয়স মাত্র ১৩ বছর। এ বিষয়ে দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাজাহান এর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান বিষয়টি বৃহস্পতিবার আমি এনজিও পাবনা প্রতিশ্র“তির কর্মীদের মাধ্যমে জানতে পারি এবং তার পর বিকালে  মেয়ের বাবা আমার কাছে বিয়ে দেবার অনুমতি নিতে আসলে আমি তাকে বিয়ে দিতে বারন করেছি তবে মেয়ের পরিবার বিয়ের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। এদিকে এলাকাবাসী বাল্য বিবাহ বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পাবনায় সন্ত্রাসী হামলার ৯ মাসেও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করেনি
পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ  পাবনা সদর উপজেলার আতাউল্লাপুর গ্রামে সন্ত্রাসী হামলার ৯ মাসেও মামলার কোন আমাসীদের পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। বরং আসামি পক্ষ বাদি মোসলেম উদ্দিনকে মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের আতাউল্লাপুর গ্রামে গত বছরের ১১ নভেম্বর সকালে আসামি নুর ইসলাম, নুর সালাম ও আব্দুল মণ্ডল একই গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের জমি দখল করতে লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমি দখল করতে যায়। এসময় ওই আসামিরা মোসলেম উদ্দিন ও তার ভাই আলাউদ্দিনকে ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৬ নভেম্বর পাবনা সদর থানায় ওই তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং ৩৭। মামলার বাদি মোসলেম উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, আসামিরা নিজ বাড়িতে অবস্থান করলেও এবং আমাকে মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে চললেও পুলিশ আসামিদেরকে গ্রেফতার করছে না।

মাদক বিরোধী অভিযানে পাবনায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৪ জনের সাজা
পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ পাবনা সদর উপজেলায় মাদক বিরোধী পুলিশি অভিযানে গতকাল ৪ জনকে গ্রেফতার করে পাবনা  থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাবনা থানা পুলিশ জানায়, মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসাবে গতকাল বৃহস্পতিবার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পৌর শালগাড়িয়া তালবাগান মহল্লার মৃত রতন শেখের ছেলে মোঃ আলামিন (২৫), শালগাড়িয়া নিকেরী পাড়ার মোঃ মাদু সেখের ছেলে সোহেল (২৬), গয়েশপুর ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের মোঃ শুকুর আলীর ছেলে মোঃ বাবু (৩৫) ও রাধানগর নারায়নপুর এলাকার মোঃ মিরাজুল ইসালামের ছেলে শাহাদুল ইসলাম (৪০)কে গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুল হালিম সাক্ষ্য প্রমান শেষে আলামীন, সোহেল, শাহাদুলকে ৬মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও বাবুকে ৭মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রাতেই দণ্ডপ্রাপ্তদের পাবনা জেলা কারাগারে প্রেরন করে পাবনা থানা পুলিশ।

পাবনায় শিশুর আত্বহত্যা
পাবনা থেকে মোবারক বিশ্বাসঃ পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নে বুধবার দিবাগত রাতে শোবার ঘরে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্বহত্যা করেছে ১০ বছরের এক শিশু। সে বিলখুনা গ্রামের মোঃ সোনা মিয়ার মেয়ে সোনালী খাতুন (১০) । এসআই ফজলে এলাহী জানায়, বুধবার রাতে পরিবারের সদস্যরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে উঠে দেখতে পায় সোনালী ঘরের ডাবের সাথে ঝুলছে। পরিবারের সদস্যরা দ্রত সোনালীকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত ডাক্তার সোনলীকে মৃত ঘোষনা করেন। সঙ্গে সঙ্গে পাবনা থানায় খবর দেওয়া হলে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌছে লাশের সুরতহাল তথ্য গ্রহণ করেন। পরবর্তিতে নিহতের পরিবারের সদস্যরা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুমতিক্রমে  ময়নাতদন্ত ছাড়ায় লাশ দাফন করেন। এ ব্যাপারে পাবনা থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। মামলা নং-৪৬,তাং-৩০-০৮-১২ ইং।

About

আরও পড়ুন...

অভাবের ঈদ স্বভাবের ঈদ

সব মিলিয়ে দেশের মানুষদের মাঝে এবারের ঈদ হয়ে উঠেছে অর্থনৈতিক দুর্দশা আর হতাশায় মিলেমিশে এক …

error: বাংলার বার্তা থেকে আপনাকে এই পৃষ্ঠাটির অনুলিপি করার অনুমতি দেওয়া হয়নি, ধন্যবাদ