Home / দেশ / মহাজোট সরকারের ৪৩ মাসে ও নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন নেই, হতাশায় নাসিরনগরবাসী

মহাজোট সরকারের ৪৩ মাসে ও নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন নেই, হতাশায় নাসিরনগরবাসী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : মহাজোট সরকারের ৪৩ মাসেও নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন না হওয়ায়, হতাশ হয়ে পড়েছে নাসিরনগরবাসী। নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামীলীগকে মতায় নিলে এলাকায় বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, নদী খনন করে এলাকার উন্নয়নে কাজ করবে বলে ২০০৮ সালে জাতীয়তাবাদী দলের শক্তঘাটি হিসেবে পরিচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নাসিরনগর আসনটি দখলে নেয় মহাজোট। এ আসন থেকে ৪ বারের মত সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন প্রবীন রানীতিবিদ এড: ছায়েদুল হক। নির্বাচনের পূর্ব মূর্হুতে আওয়ামীলীগের নেতারা প্রতিশ্রুতি
দিয়ে ছিলেন মহাজোট সরকার মতা গেলে প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ পৌছে দিবে। অজয় পাড়ার প্রতিটি গ্রাম বিদ্যুতের আলোকে আলোকিত হয়ে উঠবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা তথা এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হবে। মরা নদীগুলো খনন করে নৌ যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হবে। প্রতিটি ঘরে ঘরে একজনকে চাকুরী দেওয়া হবে বিনামুল্যে সার এবং ১০ টাকা কেজি চাউল দেওয়া হবে। কিন্তু আজও সে সব অঙ্গীকারের প্রতিফলন না দেখে নাসিরনগর বাসী। মহাজোট সরকার মতা আসার প্রায় ৪ বছরের অধিক সময় অতিবাহিত হলেও প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন তেমন একটা ঘটেনি। নদী খননের জন্য কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ দিয়ে নামে মাত্র উদ্ভোধন করেই আটকে গেছে কাজ। আওয়ামীলীগ নেতাদের মূখে উন্নয়নের বানী শুনে জনগণ ভোট দিয়ে মতা পাঠিয়ে ছিল। মহাজোট সরকার মতায় আসার পর এলাকার রাস্তাঘাটের যেমন কাংঙ্খীত উন্নয়ন হয়নি। তেমনি হয়নি বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান। আর ঘরে ঘরে চাকুরীতো আকাশ কুসুম কল্পনা। বরং চাকুরী দেওয়ার নাম করে উপজেলার শিক্ষিত বেকার ছেলে মেয়েদের করা হয়েছে হয়রানি। উল্লেখ যোগ্য রাস্তা ঘাটের মধ্যে নাসিরনগর ছাতিয়াইন রাস্তা উন্নয়ন হলেও নাসিরনগর চাপরতলা ছাতিয়াইন রাস্তার কাজ বাধাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে, এমন কি ঠিকারদার পালিয়ে যাওয়ার ও খবর পাওয়া গেছে। নাসিরনগর মাধবপুর সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চাষের জমিতে পরিনত হয়েছে। উপমহা দেশের প্রথম মুসলিম ব্যারিষ্টার এ রসুলের জন্মস্থান ঐতিহ্যবাহি গ্রাম গুনিয়াউক নাসিরনগর সংযোগ সড়কটি ভেঙ্গে ছুড়ে খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। ওই দুইটি রাস্তা সুস্থ মানুষ চলাফেরা করলেও অসুস্থ হয়ে পড়ে। নাসিরনগরের অধিকাংশ গ্রাম এখনো বিদ্যুৎ শুন্য। সন্ধ্যার পর পরই ওই সমস্ত গ্রামের উপর নেমে আসে অন্ধ্যকারের অমানিশা। যার জন্য ওই সমস্ত গ্রামে ঘটছে ঘন ঘন চুরি ডাকাতির মত অসংখ্য ঘটনা। মাননীয় সংসদ সদস্য এড: ছায়েদুল হক একজন প্রবীন ও সৎ রাজনীতিবীদ হিসাবে পরিচিতি থাকলেও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের নানা অন্যায়, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দূর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ জনগণের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে। অনেকই বলাবলি করছে এই দুই নেতার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। দুই নেতার দূর্নীতি আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্বস্থ একটি সূত্রে ও লোক মুখে শোনা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদকের বেশ কিছু দূর্নীতির প্রমান এ প্রতিনিধির হাতে এসে পৌছেছে। যা পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিক ভাবে প্রচার করে জন সম্মুখে প্রকাশ করার সম্ভাবনা রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খনন কাজ বেমালিয়া, লঙ্গন, বলবদ্রর প্রায় ৪৫ কি: মি: নদী খনন ব্যপক প্রচারণার মাধ্যমে উদ্ভোধন করা হলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। জানা গেছে নাসিরনগর চাতলপাড় অরুয়াইল রাস্তার নিমার্ণের প্রতিশ্র“তি দিয়ে ভলাকুট, খাগালিয়া কান্দি নামক স্থানের কিছু অংশে কাজ করেও বাকিটি বন্ধ রয়েছে।

আরও পড়ুন...

নগরীতে জেএসইউএস ও সিডিডি আয়োজিত প্রতিবন্ধিতা ও একীভূত উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কর্মরত জাতীয় সংগঠন সেন্টার ফর ডিজএ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (সিডিডি) ও সিবিএম এর সহযোগিতায় বেসরকারী মানব উন্নয়ন মূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (জেএসইউএস)’র অংশগ্রহণে “প্রতিবন্ধিতা ও একীভূত উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ”গত ১৯ নভেম্বর ২০২০ ইংরেজী নগরীর দেওয়ানবাজারস্থ সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেএসইউএস নির্বাহী পর্ষদের সদস্য ও সংস্থার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সহ-সভাপতি ফারজানা রহমান শিমু, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভীন, ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ও পরিচালক কবি প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ ছাবের আহমেদ, নির্বাহী সদস্য শাহানাজ বেগম, সিনিয়র এসিসটেন্ট ডিরেক্টর এম এ আসাদ, এসিসটেন্ট ডিরেক্টর শহীদুল ইসলাম, সংস্থার শাখা ব্যবস্থাপকসহ অপরাপর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সিডিডি-এর পক্ষ থেকে থিমেটিক এক্সপার্ট মো: জাহাঙ্গীর আলম, সিডিডি’র কোঅর্ডিনেটর ও প্রজেক্ট ম্যানেজার তানবিন আহমেদ, শাহ জালাল, জুনায়েদ রহমান, হীরা বণিক উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক ধারণা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তি, সংস্থায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্তি বিষয়ে ধারণা ও সকল কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সম্পৃক্তকরণের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত কর্মপদ্ধতি নির্ধারণসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মো: জাহাঙ্গীর আলম। কর্মশালা পরিচালনায় মো: জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “বর্তমান সরকারের আন্তরিকতা ও নানা উদ্যোগ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারের এ সংক্রান্ত অনেক আইন ও নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু  সে অনুযায়ি সচেতনতা না থাকায় এর সুফল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গ পাচ্ছেন না। আমাদের সকলের সম্মিলত প্রচেষ্টায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হতে পারে।” উদ্যোগ নিতে হবে আমাদের সকলকে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গে সংস্থার পরিচালক কবি প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন বলেন, “জেএসইউএস প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থা অপরাপর কর্মসূচীতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে।” ভবিষ্যতে সকল প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধিতা ইস্যুটি সর্বাগ্রে বিবেচনা করা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি বার্তা প্রেরক মো: আরিফুর রহমান প্রোগ্রাম ম্যানেজার (এসডিপি)