Home / কুয়েত / কুয়েতে জাঁকজমকভাবে শেষ হল মুজিববর্ষ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

কুয়েতে জাঁকজমকভাবে শেষ হল মুজিববর্ষ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

কুয়েতে ঝাকঝমক ভাবে অনুষ্ঠিত হলো মুজিববর্ষ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা,  ইতিহাস সৃষ্টি হলো স্থানীয় নাগরিক ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের  উপস্থিততে। বাংলার বার্তা: কুয়েতে মুজিববর্ষকে স্বরনীয় করতে বাংলাদেশ দূতাবাসের পৃষ্ঠপোষকতায় মুজিববর্ষ বিজয় দিবস কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট এসোসিয়েশন কুয়েত।  দীর্ঘ দুইমাস ২০টি দলের খেলা শেষে ফাইনালে ওসমানি কে হারিয়ে খেলায় জয়ী হয় জিলিব নাইট রাইডার্স।

সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গির খান পলাশের সভাপতিত্বে এবং সাধারাণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন ও নাছিমা সরকারের যৌথ সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান পুরস্কার বিতরন করেন।

ঝাকঝমক ভাবে অনুষ্ঠিত এই অনারম্ভর অনুষ্ঠানে ফারওয়ানিয়া  গভর্নোরেট  উচ্চপদস্থ  কর্মকর্তা  ফারওয়ানিয়া গভর্নোরেট এর ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিকিউরিটি আবদুল্লাহ সাফ্ফাহ আল মোল্লা, ডিরেক্টর অফ দ্যা মিউনিসিপালিটি  ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হুসাইন সারখোহ, ক্লিনিং এন্ড রোড ওয়ার্কস  ডিরেক্টর জেনারেল সাদ সালেম আল খিরিনিজ, কমান্ডার অফ জিলিব এরিয়া ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম আল দাই, হাতেম আল রশিদি, আবদুল আজিজ রশিদি সহ  উল্লেখযোগ্য স্থানীয় কুয়েতী  নাগরিক ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগন,  বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি লুৎফর রহমান মোকাই আলী সহ  অসংখ্য  প্রবাসী বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন।

বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মরুর বুকে এক টুকরো বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে তেমনি এই প্রথম উল্লেখযোগ্য স্থানীয় নাগরিক ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের  উপস্থিতিতে  মুজিববর্ষ  ইতিহাস হয়ে থাকবে কুয়েতে।

About banglarbarta.com

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!