Home / শীর্ষ সংবাদ / শার্শায় মাঠ জুড়ে বিভিন্ন জাতের সরিষা চাষ

শার্শায় মাঠ জুড়ে বিভিন্ন জাতের সরিষা চাষ

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলায় এ বছর বিভিন্ন জাতের সরিষা চাষ শুরু হয়েছে। অল্প সময় ও স্বল্প খরচে সরিষা চাষ করা যায় বলে এই অঞ্চলের কৃষকরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা চাষের দিকে ঝুঁকেছেন।

শার্শা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঠ জুড়ে সরিষা চাষ করেছেন কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে ব্যাপক লাভের আশায় আছেন তারা। রবি শস্যের মধ্যে সবার আগে ঘরে ওঠে এই ফসল। এবছর দ্বিগুণ চাষ হয়েছে সরিষা। চলতি মৌসুমে শার্শা উপজেলায় ২৫৮০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। কৃষকদের উচ্চ ফলনশীল সরিষা চাষে পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি কর্মকর্তারা। এই অঞ্চলের মাঠগুলো এখন সরিষা ফুলে ভরে উঠেছে। যেদিকে তাকানো হয় সেখানে হলুদ আর হলুদ। এবছর শার্শা উপজেলায় সরিষার উৎপাদন অনেক ভালো হয়েছে বলে জানালেন কৃষি কর্মকর্তা। কৃষি সমৃদ্ধ উপজেলার নাম শার্শা। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া সকল ধরনের ফসল চাষের জন্য উপযোগী। অন্যান্য ফসলের মত তৈল জাতীয় বিভিন্ন ফসল চাষ হয়ে থাকে এ উপজেলায়।

এক বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করতে খরচ হয় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। বিক্রি হয় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। কার্তিক মাসে সরিষা চাষ শুরু হয় এবং কাটা হয় পৌষ থেকে মাঘ মাসের শেষ পর্যন্ত।

শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার সৌতম কুমার শীল জানান, এ উপজেলায় এ বছর ২৫৮০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। কম খরচে ও অল্প সময়ে পতিত জমিতে সরিষা চাষ করা যায় বলে শার্শার কৃষকরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। এদিকে প্রতিনিয়ত নতুন করে সরিষা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা এবং পরামর্শ দেওয়া হয়।

About banglarbarta.com

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!