Home / কুয়েত / শাহাবাগের জাগরণ মঞ্চের নতুন প্রজন্মের চেতনার সাথে সকল যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদন্ডের দাবীতে একতত্বা প্রকাশ করে কুয়েত প্রবাসীদের প্রদীপ প্রজ্বলন

শাহাবাগের জাগরণ মঞ্চের নতুন প্রজন্মের চেতনার সাথে সকল যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদন্ডের দাবীতে একতত্বা প্রকাশ করে কুয়েত প্রবাসীদের প্রদীপ প্রজ্বলন

শাহবাগ আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে কুয়েতে প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি পালন করে প্রবাসীরা। কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের হল রুমে মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সুধীজন তাদের পরিবার পরিজন সহ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত এবং সকল কর্মকর্তারা-কর্মচারি প্রবাসীদের এই আন্দোলনের সাথে একতত্বা প্রকাশ করে প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে যোগদেয়। মানবতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধী রাজাকার, আলবদর, আল শামসদের ফাঁসির দাবিতে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় পুরো দূতাবাস হল রুম। প্রবাসী সংগঠক আতাউল গনি মামুন এর নেতৃত্বে প্রবাসীদের পক্ষে প্রথম শ্রম সচিব কে এম আলী রেজার কাছে একটি স্মারকলিপি দেয়া হয়।

একুশে টিভিতে প্রচারিত খবর
iframe>

About

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!