Home / দেশ / সন্ত্রাসী ও জঙ্গীদের কোন দেশ নেই : প্রধানমন্ত্রী-

সন্ত্রাসী ও জঙ্গীদের কোন দেশ নেই : প্রধানমন্ত্রী-

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে তাঁর সরকার কঠোর, সরকার এ ব্যাপারে কোন আপোষ করবে না। সন্ত্রাসী ও জঙ্গীদের কোন দেশ নেই উল্লেখ করে তিনি এসব অপরাধ দমনে সমনি�ত বৈশ্বিক ব্যবস্থা নেয়ার আহবান জানান। কমনওয়েলথের সদস্যপদ নবায়ন বিষয়ক কানাডার বিশেষ দূত সিনেটর হুগ সেগাল গতকাল সকালে এখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাত করতে গেলে শেখ হাসিনা একথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ওই সময় বর্তমান রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী আইভি রহমান, সাবেক অর্থ মন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া এমপি, ও আহসানউল্লাহ মাস্টার এমপি নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে বলেন যে, তাঁর সরকার বিগত ৩ বছরে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গীবাদ কঠোর হস্তে দমন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা এবং দেশের ৫শ� স্থানে একই সময়ে বোমা বিস্ফোরণসহ ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সংঘটিত হয়। �তাঁর সরকারের আমলে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের ১২টি আসনে উপ-নির্বাচন এবং সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনসহ সকল নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে� উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব নির্বাচনের ব্যাপারে কোন পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকান্ডের সাজাপ্রাপ্ত খুনী বর্তমানে কানাডায় অবস্থানকারী মেজর (অব.) নূর চৌধুরীকে ফেরত আনার ব্যাপারে শেখ হাসিনা বলেন, কানাডার উচিত বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য তাকে (নূর চৌধুরী) বাংলাদেশে পাঠানো। কানাডার বিশেষ দূত বলেন, বিষয়টি তিনি কানাডা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।
সেগাল শেখ হাসিনার দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং তাঁর নেতৃত্বে বিগত ৩ বছরে বাংলাদেশের অর্জিত সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বৈঠকে শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তিনি বলেন, তাঁর সরকার নির্বাচন কমিশন ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাসহ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরো জোরদার করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা ও জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া কোন দেশই কা�িখত লক্ষ্য অর্জন করতে পারে না। আলোচনায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জলবায়ূ পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য বিমোচন প্রাধান্য পায়। এ্যাম্বাসেডর এ্যাট-লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব শেখ এম ওয়াহিদ উজ জামান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোল্লা ওয়াহেদুজ্জামান, প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ ও বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার হিথার ক্রুডেন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

About

আরও পড়ুন...

চট্টগ্রামে ক্যাব’র উদ্যোগে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার সাথে অ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে ক্যাব’র উদ্যোগে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার সাথে অ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত। ভোক্তাদের মাঝে শিক্ষা ও …

error: Content is protected !!