Home / প্রবাস / সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমানকে মরণোত্তর ‘বীরউত্তম’ খেতাব প্রদানের অনুরোধ কমান্ডারস ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র শাখার
সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমানকে মরণোত্তর ‘বীরউত্তম’ খেতাব প্রদানের অনুরোধ

সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমানকে মরণোত্তর ‘বীরউত্তম’ খেতাব প্রদানের অনুরোধ কমান্ডারস ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র শাখার

সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমানকে মরণোত্তর ‘বীরউত্তম’ খেতাব প্রদানের অনুরোধ
সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমানকে মরণোত্তর ‘বীরউত্তম’ খেতাব প্রদানের অনুরোধ

সেক্টর কমান্ডার লে. কর্ণেল আবু ওসমান চৌধুরীকে মরণোত্তর ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করার অনুরোধও জানিয়েছে সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের যুক্তরাষ্ট্র শাখা।  একই সাথে আবু ওসমান চৌধুরীর মৃত্যুতে ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার নিউইয়র্কে এক শোক-সভার বক্তারা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদে (সদ্য প্রয়াত সেক্টর কমান্ডার সি আর দত্ত ও আবু ওসমান চৌধুরী ) এই দুই বীরের জন্যে ‘শোক প্রস্তাব’ গ্রহণ করতে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে এই কমান্ডারের অসাধারণ বীরত্বের ঐতিহাসিক স্বীকৃতির স্বার্থেই অপর সেক্টর কমান্ডারদের মত তাকেও এই খেতাব প্রদানের ফলে প্রকারান্তরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাতিঘর হিসেবে পরিচিত শেখ হাসিনার সরকারের ইমেজ আরো উজ্জ্বল হবে বলে প্রবাসীরা মনে করছেন। সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ এবং পরিচালনা করেন সেক্রেটারি মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারি। শুরুতে বাংলাদেশের এই দুই বীরের আত্মার শান্তি কামনায় সকলে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করেন। আবু ওসমান চৌধুরীর জীবনী নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক আলোচনায় অংশ নেন বীর প্রতিক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব:) মঞ্জুর আহমেদ, আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু, মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক, ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র  বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি আব্দুল কাদের মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা এম এ আওয়াল, ফোরামের কোষাধ্যক্ষ ও বিশ্ববাংলা টোয়েন্টিফোর টিভির চেয়ারম্যান আলিম খান আকাশ, মহিলা সম্পাদক সবিতা দাস, সাংস্কৃতিক সম্পাদক উইলি নন্দি, যুগ্ম-সম্পাদক আশরাব আলী খান লিটন, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল পাশা মানিক প্রমুখ। ফোরামের এ সভায় আরো ছিলেন তরুণ সংগঠক ও গীতিকার শামীম আকতার শরিফ, কমিউনিটি এ্যাক্টিভিস্ট এ টি এম মাসুদ, মোহাম্মদ ইলিয়াস আলী প্রমুখ। শোক সভা শেষে সকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, করোনার তাণ্ডবে থমকে যাওয়া কমিউনিটিকে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরিয়ে দেয়ার অভিপ্রায়ে আসছে রবিবার এই ফোরামের সদস্য-কর্মকর্তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে গভীর অরণ্যে বনভোজনে যাবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলে বিনোদনমূলক নানা আয়োজনে শরিক হবেন। এদিকে ‘বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়্যার ভেটেরান্স’৭১’ এর উদ্যোগে ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার অপরাহ্নে সদ্য প্রয়াত দুই সেক্টর কমান্ডার স্মরণে নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় এক সমাবেশ হবে। সেখানে প্রবাসের সকল মুক্তিযোদ্ধা এবং মুজিব আদর্শে উজ্জীবিতদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এই সংগঠনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ এবং সেক্রেটারি মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন।

About admin

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!