Home / বিশ্ব / স্পেনে করোনার টিকা প্রদান শুরু

স্পেনে করোনার টিকা প্রদান শুরু

সাহাদুল সুহেদ, স্পেন: করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্পেনে টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রবিবার (২৭ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় কাস্তিয়া-লা মাঞ্চা প্রদেশের গুয়াদালাখারা শহরের লস ওলমস রোডের একটি বয়স্ক কেন্দ্রে আরাসেলি রোসারিও হিদালগো নামের ৯৬ বছর বয়সী একজন মহিলা সর্বপ্রথম এ টিকা গ্রহণ করেন। বয়স্ক কেন্দ্রটিতে ৭০ জন বৃদ্ধ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬০ জন রবিবার ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা গ্রহণ করবেন। দ্বিতীয় টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তি হলেন ঐ বয়স্ক কেন্দ্রে ১০বছর ধরে কাজ করা স্বাস্থ্যসেবা সহকারী মনিতা তাপিয়াস (৪৮)।
স্পেনে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা গ্রহণকারী প্রথম ব্যক্তি আরাসেলি রোসারিও হিদালগো টিকা গ্রহণের কয়েক মিনিট পর তার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ভাইরাস থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি কিনা, দেখা যাক। টিকা গ্রহণের পর তার কোন সমস্যা হচ্ছে কি না, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার টিভি চ্যানেলের এক সংবাদকর্মীর প্রশ্নের জবাবে আরাসেলি বলেন, তিনি খুব স্বাচ্ছন্দবোধ করছেন।
দ্বিতীয় টিকা গ্রহণকারী গুয়াদালাখারার ঐ বয়স্ককেন্দ্রের স্বাস্থ্যসেবা সহকারী মনিতা তাপিয়াস যখন টিকা নিচ্ছিলেন, তখন তিনি স্বীকার করেন যে তিনি নার্ভাস। তবে টিকা গ্রহণের পর তিনি বলেন, আমি গর্বিত একারণে যে স্পেনের প্রথম স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের মধ্যে তিনিই প্রথম এ টিকা গ্রহণ করেছেন। তিনি স্পেনের সবাইকে টিকা গ্রহণের বিষয়ে উৎসাহিতও করেছেন, যাতে করে করোনা মহামারি থেকে সবাই মুক্ত হতে পারেন।
স্পেনে শুরু হওয়া প্রথম পর্যায়ের টিকা গ্রহণের ব্যাপারে যারা অগ্রাধিকার পাবেন, তারা হলেন- বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী কেন্দ্রের লোক এবং ওখানকার স্বাস্থ্যসেবাকর্মী, ফ্রন্টলাইন স্বাস্থ্যকর্মী, বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ফ্রন্টলাইন কর্মী।
প্রসঙ্গত, স্পেন বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গ অতিক্রম করছে। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়াল্ডোমিটার এর তথ্য অনুসারে ইতোমধ্যে দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪৯হাজারের উপর মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন।

About banglarbarta.com

আরও পড়ুন...

কুয়েতে তরুন সফল উদ্যোক্তা

কুয়েতে সাধারণ এক গাড়িচালক হিসেবে প্রবাস জীবন শুরু। সেই থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সফল ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছেন । বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নিত্যব্যবহার্য পণ্য আমদানি করে এরই মধ্যে দেশটিতে বিশাল বাজার তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই প্রবাসী।শরীফ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।।  মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৩৮)। বন্ধুরা তাঁকে সম্মান করে মুফতি নামে ডাকেন। গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। শহিদুল ইসলামের বাবা মুহাম্মদ সুলতান আলী পেশায় একজন কৃষক। বাংলাদেশে থাকার সময় শহিদুল ইসলাম রাজধানীর মিরপুরের মাদ্রাসা দারুল উলুম থেকে দাওরায়ে হাদিস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি মুফতি উপাধি অর্জন করেন। এরপর কিছুদিন দেশে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন তিনি। শহিদুল ইসলাম জানান, ২০০৫ সালে কুয়েতে এসে কুয়েতি  নাগরিকের ওখানে গাড়িচালক হিসেবে তিনি দুই বছর কাজ করেন। সে কাজের সূত্রে কুয়েতের বিভিন্ন স্থান ও বাজার সম্পর্কে পরিচিত হন তিনি। পরে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মীর চাকরি  করেন।  পাশাপাশি ছোট খাট …

error: Content is protected !!