Home / ভিন্ন খবর / ১৬ই ডিসেম্বর মানে স্বাধীনতার আনন্দে দুই চোখের লোনা পানি

১৬ই ডিসেম্বর মানে স্বাধীনতার আনন্দে দুই চোখের লোনা পানি

আল আমিন রানা —————————————————–
১৬ই ডিসেম্বর মানে স্বাধীনতার আনন্দে দুই চোখের লোনা পানি ঝড়িয়ে প্রতিদিনের মতো নতুন একটি দিনের জন্য অপেক্ষা করা। প্রতিদিন নতুন একটা দিনের শুরু হয় সত্যিই তবে যে প্রত্যাশার দিন,অপেক্ষার দিন,প্রতিক্ষার দিন শুরু হয় তা আমরা আশা করি না। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা,যন্ত্রণা দুর্নীতির শৃঙ্খলে বন্ধি-বন্ধিমানুষের ও আনন্দ আছে। বিজয়ের দিনে সবার সাথে আকাশের পানে তাকানোর আনন্দ। ১৬ই ডিসেম্বর দিনটি বাঙ্গালীদের এক গৌরবময় বিজয়ের দিন। বিজয়ের আনন্দে বাঙ্গালীর ঘরে-ঘরে উল্ল্যাসের সুর উঠে। সুখের গান-আনন্দের গান বেজে উঠে প্রতিটি হৃদয়ে। স্বাধীনতার উচ্ছাসে আমরা একটু মাতাল হয়ে উঠি। আমরা আমাদের দেশ ভালবাসি। আমাদের ভালবাসা আমাদের কে নিয়ে কেন হয়ে উঠে হিংসার আগুন। আমরা কচি শিশুর মতো আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করি। আমাদের স্বাধীনতা আজো আমাদের মুখে দুবেলা খাবারের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। আমাদের স্বাধীনতা আজো নিশ্চিতে বাসায় ফিরে আসার আশা দিতে পারে না। বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বিশ্বজিৎতের হত্যার প্রমান করে আমরা নামে স্বাধীন হয়েছি। আসলে আমরা আজো পরাজিত। স্বাধীনতার সজ্ঞা হয়ত আরেক বার আমাদের শেখানো হবে। জোর করে আমাদের মুখস্ত করানো হবে,আমরা স্বাধীন দেশে বাস করি। পাচঁ বছর শেখানো হবে-শেখ মজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক। পরবর্তীতে পাচঁ বছর পর নতুন সরকার এসে আমাদের জোর করে শেখাবে,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক। ৩০লাখ মা বোনের কান্না আমরা ভুলে যাই,আমরা ভুলে যাই শহীদের জীবনের পরিবারের কথা। বুদ্ধীজীবদের আমরা মুখে কালো কাপড় দিয়ে রুদ্ধ করে দেই। ভাষা সৈনিকদের আমরা আরেকবার হত্যা করি। মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য যুদ্ধ। মাতৃভূমির কপালে বিজয়ের লাল টিপ পড়াতে লাখো শহীদ তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। হাজারো মা,বোন সম্ভ্রম হারিয়েছে। কত ত্যাগ,কত রক্ত,কত ব্যথা,বেদনা,যন্ত্রণা ৩০লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম আর কোটি মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীনতার বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো বাংলার দামাল ছেলেরা এই দিনে। ১৯৭১সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মুক্তিযোদ্ধা সাঁড়াশি আত্র“মণের মুখে বরর্ব পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ১৬ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। এবং এরই মধ্য দিয়ে ৯মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। আর জাতি অর্জন করে হাজার বছরের স্বপ্নের স্বাধীনতা। দীর্ঘ ৯মাস সশস্ত্র জন যুদ্ধে ৩০লাখ শহীদ এবং ২লাখ মা-বোনের সম্ভমহানির মধ্যদিয়ে ১৬ডিসেম্বর জাতির চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। আমাদের বিজয় ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অনেক কঠিন অনেক বেদনাদায়ক। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের পরের প্রজম্ম , যারা যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করিনি তারা হয়তো কখনই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারবোনা। ৭১ এ পাক বাহিনী আর রাজাকারদের নির্মমতা।
( লেখক কুয়েত প্রবাসী,কবি ও সাংবাদিক )

১৬ই ডিসেম্বর মানে স্বাধীনতার আনন্দেদুই চোখের লোনা পানিআল আমিন রানা —————————————————–১৬ই ডিসেম্বর মানে স্বাধীনতার আনন্দে দুই চোখের লোনা পানি ঝড়িয়ে প্রতিদিনের মতো নতুন একটি দিনের জন্য অপেক্ষা করা। প্রতিদিন নতুন একটা দিনের শুরু হয় সত্যিই তবে যে প্রত্যাশার দিন,অপেক্ষার দিন,প্রতিক্ষার দিন শুরু হয় তা আমরা আশা করি না। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা,যন্ত্রণা দুর্নীতির শৃঙ্খলে বন্ধি-বন্ধিমানুষের ও আনন্দ আছে। বিজয়ের দিনে সবার সাথে আকাশের পানে তাকানোর আনন্দ। ১৬ই ডিসেম্বর দিনটি বাঙ্গালীদের এক গৌরবময় বিজয়ের দিন। বিজয়ের আনন্দে বাঙ্গালীর ঘরে-ঘরে উল্ল্যাসের সুর উঠে। সুখের গান-আনন্দের গান বেজে উঠে প্রতিটি হৃদয়ে। স্বাধীনতার উচ্ছাসে আমরা একটু মাতাল হয়ে উঠি। আমরা আমাদের দেশ ভালবাসি। আমাদের ভালবাসা আমাদের কে নিয়ে কেন হয়ে উঠে হিংসার আগুন। আমরা কচি শিশুর মতো আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করি। আমাদের স্বাধীনতা আজো আমাদের মুখে দুবেলা খাবারের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। আমাদের স্বাধীনতা আজো নিশ্চিতে বাসায় ফিরে আসার আশা দিতে পারে না। বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বিশ্বজিৎতের হত্যার প্রমান করে আমরা নামে স্বাধীন হয়েছি। আসলে আমরা আজো পরাজিত। স্বাধীনতার সজ্ঞা হয়ত আরেক বার আমাদের শেখানো হবে। জোর করে আমাদের মুখস্ত করানো হবে,আমরা স্বাধীন দেশে বাস করি। পাচঁ বছর শেখানো হবে-শেখ মজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক। পরবর্তীতে পাচঁ বছর পর নতুন সরকার এসে আমাদের জোর করে শেখাবে,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক। ৩০লাখ মা বোনের কান্না আমরা ভুলে যাই,আমরা ভুলে যাই শহীদের জীবনের পরিবারের কথা। বুদ্ধীজীবদের আমরা মুখে কালো কাপড় দিয়ে রুদ্ধ করে দেই। ভাষা সৈনিকদের আমরা আরেকবার হত্যা করি। মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য যুদ্ধ। মাতৃভূমির কপালে বিজয়ের লাল টিপ পড়াতে লাখো শহীদ তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। হাজারো মা,বোন সম্ভ্রম হারিয়েছে। কত ত্যাগ,কত রক্ত,কত ব্যথা,বেদনা,যন্ত্রণা ৩০লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম আর কোটি মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীনতার বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো বাংলার দামাল ছেলেরা এই দিনে। ১৯৭১সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মুক্তিযোদ্ধা সাঁড়াশি আত্র“মণের মুখে বরর্ব পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ১৬ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। এবং এরই মধ্য দিয়ে ৯মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। আর জাতি অর্জন করে হাজার বছরের স্বপ্নের স্বাধীনতা। দীর্ঘ ৯মাস সশস্ত্র জন যুদ্ধে ৩০লাখ শহীদ এবং ২লাখ মা-বোনের সম্ভমহানির মধ্যদিয়ে ১৬ডিসেম্বর জাতির চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। আমাদের বিজয় ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অনেক কঠিন অনেক বেদনাদায়ক। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের পরের প্রজম্ম , যারা যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করিনি তারা হয়তো কখনই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারবোনা। ৭১ এ পাক বাহিনী আর রাজাকারদের নির্মমতা।( লেখক কুয়েত প্রবাসী,কবি ও সাংবাদিক )

About

আরও পড়ুন...

অধ্যক্ষ গোলাম সারোয়ার সাঈদীর মৃত্যু

আড়াইবাড়ি পীর পরিবারের সম্পর্কে জানতে পড়তে পারেন

ইসলাম ধর্ম প্রচার ও প্রসারের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় মুসলিম মনীষীগণের আগমনের মাধ্যমে ভারত …

error: বাংলার বার্তা থেকে আপনাকে এই পৃষ্ঠাটির অনুলিপি করার অনুমতি দেওয়া হয়নি, ধন্যবাদ