Home / দেশ / সারাদেশ / ২৭ ঘন্টা পর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাবনার কলেজ শিক্ষক জয়পুরহাট থেকে উদ্ধার-

২৭ ঘন্টা পর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাবনার কলেজ শিক্ষক জয়পুরহাট থেকে উদ্ধার-

মোঃ মোবারক বিশ্বাস-বাংলার বার্তা- পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনা থেকে নিখোঁজ হওয়া কলেজ শিক্ষকে ২৭ ঘন্টা পর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেছে জয়পুরহাট থানার পুলিশ। বুধবার রাত আটটার দিকে পাবনা শহরের নিজ বাসা থেকে বের হবার পর রেজাউল করিম নামের ওই কলেজ শিক্ষক নিখোঁজ হয়েছিলেন। রেজাউল করিম পাবনা পদ্মা কলেজের অর্থনীতি বিষয়ের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত এবং জামায়াতের অঙ্গ সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পাবনা জেলা শাখার সভাপতি। জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফরিদ হোসেন জানান, জয়পুরহাট চিনিকলের পাশে এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে রাত ১১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর অধ্যাপক রেজাউলকে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। উল্লেখ্য, গত বুধবার রাত ৮ টার দিকে শিক্ষক রেজাউল ইসলাম ডাক্তারের নিকট যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বেড় হয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় নিখোঁজ রেজাউল ইসলামের ভাই আব্দুস সোবহান গত বৃহস্পতিবার পাবনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।

চলনবিল উন্নয়ন প্রকল্পের বেহাল দশা ৩৫ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি

মোঃ মোবারক বিশ্বাস-বাংলার বার্তা- পাবনা প্রতিনিধিঃ চলনবিলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে ১৯৭৭ সালে গৃহীত ‘চলনবিল উন্নয়ন প্রকল্প’ দীর্ঘ ৩৫ বছরেও বাস্তবায়িত হয়নি। বিভিন্ন সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা প্রকল্প বাস্তবায়নে হাজারো প্রতিশ্র“তি দিলেও অদ্যাবধি কোন সরকারই তা বাস্তবায়ন করেনি। গত ৩৫ বছর যাবত প্রকল্পটি স্থবির হয়ে থাকায় অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যে কাঙ্খিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও নাটোর জেলার ৯টি উপজেলা নিয়ে চলনবিলের অবস্থান। ১৯৭৭ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন তহবিলের আর্থিক সহায়তায় চলনবিল এলাকায় বন্যানিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন, জলাবদ্ধতা দূর করে অধিক ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ৪৩ কোটি ৪৬ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ব্যয় নির্ধারণ করে তৎকালীন সরকার চলনবিল উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করে। সে সময় প্রকল্পের দাপ্তরিক কাজকর্মের জন্য নাটোরে দপ্তর স্থাপন করা হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সুবিধার্থে এবিসিডি পোল্ডারে বিভক্ত করে ২৫১ কিলোমিটার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ, ১৮৭ কিলোমিটার পানি নিষ্কাশন খাল, ২৪টি রেগুলেটর, ৫৮টি ফ্লাসিং আউটলেট ও ইনলেট, ৫৫টি ব্রিজ-কালভার্ট ও ১৩২টি ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। তার মধ্যে ১৯৭৮-৭৯ অর্থ বছরে গুরুদাসপুর উপজেলার খলিফাপাড়া হতে সিংড়া উপজেলার বিলদহর, কলম, শেরকোল থেকে রাজশাহীর বাগমারা পর্যন্ত এবং সিংড়া পৌরসভার নিংগইন থেকে চকপুর বিলভরাট-আত্রাই হয়ে নওগাঁর মহাদেবপুর পর্যন্ত প্রায় ২২৫ কিলোমিটার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ১৯৮৮ ও ২০০৩ সালের ভয়াবহ বন্যায় প্রায় ১০টি স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে নষ্ট হয় কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল। চলনবিল উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত না হওয়ায় আজো এসব বাঁধ মেরামত হয়নি। এতে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকায়। অকাল বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রতি বছর প্রায় আড়াইশ কোটি টাকার ফসল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এ অঞ্চলের কৃষক। এছাড়া প্রকল্প এলাকার রাস্তাগুলোতে বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচি আজো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। চলনবিল উন্নয়ন সোসাইটির সদস্য সচিব ডেইজি আহমেদ বলেন, চলনবিল উন্নয়ন প্রকল্পটি দীর্ঘ ৩৫ বছরেও বাস্তবায়িত না হওয়ায় এ এলাকার রাস্তাঘাট নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণসহ সার্বিক উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। যার ফলে অবহেলিত চলনবিলের মানুষের জীবনে কাঙ্খিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন দেওয়ান জানান, চলনবিল উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বর্তমানে কোন বরাদ্দ নেই। মহাজোট সরকারের শুরুর দিকে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ২৫০ কোটি টাকার একটি প্রস্তাব একনেকে পাঠানো হয়। কিন্তু এ পর্যন্ত তা পাস হয়নি। তাই এর কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে।

পাবনা ভাঙ্গুড়ায় পুলিশের বাঁধায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পন্ড
মোঃ মোবারক বিশ্বাস-বাংলার বার্তা- পাবনা প্রতিনিধিঃ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামি বিক্ষোভ মিছিল করতে চাইলে পুলিশের বাঁধায় তা পন্ড হয়ে যায়। বাদ আছর কলেজ মসজিদ থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর থেকেই পৌরশহরের বিভিন্ন সড়কে পুলিশকে টহল দিতে দেখা গেছে। এ সময় পুলিশের হাতে লাঠি ও হকিষ্টিক ছিল । দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বাদ আছর কলেজ মসজিদ চত্বর থেকে মিছিল শুরু করার জন্য নেতা-কর্মীরা সমবেত হতে থাকলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ গিয়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামির আমির অধ্যাপক মাওঃ আলী আছগরসহ নেতা-কর্মীকে অবরুদ্ধ করে রাখে । এ সময় উপজেলা আমীর পুলিশ প্রশাসনকে তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাঁধা না দিতে অনুরোধ করলে পুলিশ জানায় উপরের নির্দেশ রয়েছে এখানে কোন মিছিল -সমাবেশ করা যাবে না । এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করলেও বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের নির্দেশে পুলিশ তাতে বাঁধা দিয়েছে । এ ছাড়া থানা পুলিশ তাদের বিভিন্ন নেতা-কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে এবং রাস্তায় পেয়ে বিক্ষোভে অংশ গ্রহণ না করতে হুমকি দেয়।

About

আরও পড়ুন...

শার্শায় মাঠ জুড়ে বিভিন্ন জাতের সরিষা চাষ

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলায় এ বছর বিভিন্ন জাতের সরিষা চাষ শুরু হয়েছে। …

error: Content is protected !!