আপডেট :»-
  বাংলা-

ময়মনসিংহ জেলা নার্সারী মালিক সমিতি সভাপতির নার্সারীর ৫শতাধিক গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা ॥ শতাধিক গাছ উঠিয়ে নেয়ার অভিযোগ


নাজমুল হুদা মানিক. ময়মনসিংহ ॥ ময়মনসিংহ জেলা নার্সারী মালিক সমিতির সভাপতি মো: শাহজাহান এর ১০লাখ টাকার নার্সারী বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে বলে জানাগেছে। সদর উপজেলার আনন্দিপুর গ্রামের নার্সারী থেকে ৫শতাধিক গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা । গত দু‘দিনে দুর্বৃত্তরা নার্সারীর শতাধিক গাছ উঠিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ২১ কাটা জমির উপর ৮ বছরের লালিত নার্সারীটির মালিক বর্তমানে চারা বিক্রি করতে পারছেনা বলেও অভিযোগ করেছেন। জানাগেছে, সিরতা ইউনিয়নের আনন্দিপুর গ্রামে মো: শাহজাহান ২১ কাটা জমির উপর একটি নার্সারী স্থাপন করেন। বর্তমানে নার্সারীর বয়স ৮ বছর। নার্সরীতে তিনি বিভিন্ন জাতের ৫০ হাজার চারার চাষ করেন। নার্সারীতে আম, লিচু, বুবি, তেচপাতা, আমরা, জলপাই, নিম, হেগনি, লম্বু, পিয়ারা, লেবু, ইউকেলিপটাস, আকাশী, সেগুন, লটকন, চালতা, কদবেল, জাম, কাঠাঁল, করচা, সফেদা ইত্যাদি গাছের চারা রয়েছে। মাঝে মধ্যেই এলাকার কিছু দুস্কৃতিকারী নার্সরীতে প্রবেশ করে ঘাস কেনে নেয়। এ সময় তারা নার্সারীর চারা গুরা কেটে রেখে যায়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে গত পরশু দিন গ্রামের রাতে দুবৃত্তরা আম, জলপাই, শরবী, কাঠাঁল, মেহগনি সহ বিভিন্ন জাতের চারা কেটে ফেলে। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে দুবৃত্তরা আরো কঠোর হয়ে যায়। তারা বর্তমানে নার্সারী মালিক মো: শাহজাহানকে চারা বাজারজাত করতে দিচ্ছেনা। চারা তুলতে গেলে মহিলাদের সামনের সারিতে রেখে নার্সারী মালিকের উপর হামলা করে। বর্তমানে তারা নানা প্রকার হুমকি দিয়ে আসছে। সামাজিক ভাবে হেয় পতিপন্য করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। মো: শাহজাহান গত ৬বছার যাবৎ জেলা নার্সারী মালিক সমিতির দ্বায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, আনন্দিপুর গ্রামের মো: আব্দুল মজিদ (নেপাল) এর পুত্র মো: মানিক মিয়ার হুকুমে একই এলাকার দুলাল মিয়ার পুত্র মো: সুমন, মো: আব্দুল মজিদের পুত্র মো: সাইফুল, ছোবের পুত্র মো: আব্দুল গফুর, মো: আব্দুল মজিদ, মো: আব্দুল হামিদ এর পুত্র মো: সিরাজ আলী, মো: মোতালেবের পুত্র মো: ইছব আলী, মো: বাছির উদ্দিন এর পুত্র মো: আব্দুর রাজ্জাক, মো: আব্দুল খালেক, মো: আব্দুল মালেক, মো: আইনুল, মো: আব্দুল কাশেম, মো: মুক্তি সহ বেশ কয়েকজন গাছ কাটে। বর্তমানে নার্সারীতে গেলে তারা মালিককে প্রান নাশের হুমকি দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*

error: বাংলার বার্তা থেকে আপনাকে এই পৃষ্ঠাটির অনুলিপি করার অনুমতি দেওয়া হয়নি, ধন্যবাদ