কুয়েতে আলোচিত এক গয়না চুরি ও অর্থ পাচারের মামলার বিচার সম্পন্ন করেছে দেশটির আপিল আদালত। এ ঘটনায় একজন ভারতীয় সেলসম্যানকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং এক কুয়েতি নারীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি চুরি হওয়া গয়নার সমপরিমাণ ৮,০৯,০০০ কুয়েতি দিনার জরিমানাও করা হয়েছে। এ মামলায় অভিযুক্ত নারীর মেয়েকে খালাস দিয়েছে আদালত। যদিও নিম্ন আদালত তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল, তবে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে আপিল আদালত সেই রায় বাতিল করে। দেশটির গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উল্লেখ তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত ভারতীয় সেলসম্যান প্রায় দুই বছর ধরে কর্মস্থল থেকে ৮০ লক্ষ দিনারেরও বেশি মূল্যের সোনার গয়না চুরি করেন। এই অপরাধে তাকে সহায়তা করেন ওই কুয়েতি নারী ও তার মেয়ে। আরও জানা গেছে, চুরি করা গয়না বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে এক পাকিস্তানি নাগরিকের কাছে বিক্রি করা হতো। বর্তমানে ওই পাকিস্তানি পলাতক এবং তাকে অনুপস্থিতিতে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেলসম্যান স্বীকার করেন, কুয়েতি নারী তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রলোভনেই তিনি এই চুরির সাথে জড়িয়ে পড়েন। চুরির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ তিনি সরাসরি ওই নারী ও তার মেয়ের কাছে হস্তান্তর করতেন।















Discussion about this post