কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিকের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে পরিদর্শন করেছেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন। এ সময় তিনি আহতদের চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বুধবার ভোরে সংঘটিত হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ ভবন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় অন্তত ৬৩ জন আহত হন এবং একজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হন। আহতদের মধ্যে যাত্রী, বিমানবন্দর কর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। আহত বাংলাদেশিদের মধ্যে মানিকগঞ্জের শারমিন আখতার গুরুতর আহত অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ফরিদপুরের মো. রাসেল শেখকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সাতক্ষীরার মো. খলিল গাজী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যদিকে পটুয়াখালীর শিরিন আখতার এবং ঢাকার ধামরাইয়ের মো. শরিফুল ইসলাম প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। আহত বাংলাদেশিরা কুয়েতের ফারওয়ানিয়া হাসপাতাল এবং শেখ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহ হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাদের শারীরিক অবস্থার নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আহতদের দেখতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি বলেন, আহত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। এদিকে হামলার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম আংশিকভাবে ব্যাহত হলেও নিরাপত্তা মূল্যায়ন শেষে কিছু ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হয়েছে। কুয়েত সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশটির নাগরিক ও প্রবাসীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। হামলার ঘটনায় কুয়েতে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিলেও দূতাবাস জানিয়েছে, আহতদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।







Discussion about this post