কুয়েতে আবর্জনার কনটেইনার থেকে এক ভারতীয় প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আরেক ভারতীয় প্রবাসীকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। মরদেহটি কনটেইনারে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও ওই ব্যক্তির মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আটক ব্যক্তি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ফরেনসিক বিভাগের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ। কুয়েতের ইংরেজি দৈনিক আরব টাইমস–এর ২৪ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবর্জনার কনটেইনারে পরিচয়হীন এক প্রবাসীর মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অপারেশনস রুম। নিহত ব্যক্তির কাছে কোনো পরিচয়পত্র না থাকায় মরদেহটি পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের জন্য ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়। পরবর্তী তদন্তে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি মরদেহ উদ্ধারের স্থানটির কাছাকাছি একটি কক্ষে বসবাস করতেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে আরেক ভারতীয় প্রবাসীকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করে নিরাপত্তা বাহিনী। জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি স্বদেশির মরদেহ সরিয়ে আবর্জনার কনটেইনারে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাঁর দাবি, মৃত্যুর আগে ওই ব্যক্তি ওষুধ সেবন করেছিলেন। মৃত্যুর জন্য নিজেকে দায়ী করা হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই তিনি মরদেহটি সরিয়ে ফেলেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন। ঘটনাটিকে সন্দেহজনক মৃত্যু হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ফরেনসিক বিভাগের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।








Discussion about this post