কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশন জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঁচ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় ফাঁসির মাধ্যমে এ দণ্ড কার্যকর করা হয়। এক বিবৃতিতে প্রসিকিউশন জানায়, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সংশ্লিষ্ট সকল আসামিকে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী আত্মপক্ষ সমর্থন, বিচার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ এবং আপিলের পূর্ণ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত থেকে শুরু করে তিন স্তরের আদালতের বিচার, আপিল ও চূড়ান্ত অনুমোদনের সকল ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পরই দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। যাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে ১. আলী মানাহি মুফরেহ আল-সুবাই (কুয়েতি নাগরিক) আল-আহমাদি প্রসিকিউশনের একটি মামলায় তিনি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, হত্যাচেষ্টার পাশাপাশি কালাশনিকভ স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ও অবৈধ গোলাবারুদ রাখার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন। তিনি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া কয়েকজন দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির একজন ছিলেন। ২. হাসান সালেম আয়েশ আল-রাশিদি (কুয়েতি নাগরিক) অপহরণ, পরিকল্পিত হত্যা, অবৈধভাবে আটক রাখা, মাদকদ্রব্য রাখা এবং লাইসেন্স ছাড়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি রাখার অভিযোগে তিনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন। তিনি তার এক বন্ধুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন। ৩. মাহমুদ হামদি আহমেদ হাসান (মিশরীয় নাগরিক) জোরপূর্বক অপহরণ, যৌন নিপীড়ন, অবৈধভাবে আটক রাখা এবং ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
৪. আহমেদ মোহাম্মদ কাতে ওবাইদ (বেদুন ) পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে তিনি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন। আলোচিত একটি হত্যা মামলায় আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। ৫. মালিহ আল-হুমাইদি মুফিজ আল-হারশানি (কুয়েতি নাগরিক) নিজের শাশুড়িকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে তিনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন। পারিবারিক বিরোধের এক পর্যায়ে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডে আদালত তাকে পরিকল্পিত হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দণ্ড কার্যকর হয়েছে। পাবলিক প্রসিকিউশন জানিয়েছে, উচ্চ আদালতসমূহের রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকার পর এবং কুয়েতের আমিরের অনুমোদন পাওয়ার পরই ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকল আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।








Discussion about this post