Thursday, April 30, 2026
banglarbarta.com
  • Home
  • শীর্ষ সংবাদ
  • দেশ
    • সারাদেশ
      • ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • বিশ্ব
  • প্রবাস
    • কুয়েত
    • দূতাবাস
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিন্ন খবর
  • শোক সংবাদ
  • সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
  • ভিডিও
  • English
No Result
View All Result
  • Home
  • শীর্ষ সংবাদ
  • দেশ
    • সারাদেশ
      • ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • বিশ্ব
  • প্রবাস
    • কুয়েত
    • দূতাবাস
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিন্ন খবর
  • শোক সংবাদ
  • সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
  • ভিডিও
  • English
No Result
View All Result
banglarbarta.com
No Result
View All Result
Home সাহিত্য গল্প

“ছড়িয়ে থেকেও জড়িয়ে থাকা ” সময়ের দাবি

banglarbarta.com by banglarbarta.com
September 9, 2017
in গল্প
0
0
SHARES
20
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

“ছড়িয়ে থেকেও জড়িয়ে থাকা ”
সময়ের দাবি
–

সত্যরঞ্জন সরকার
সত্যরঞ্জন সরকার

পারিবারিক সম্পর্ক উন্নয়নে পরিবারের সদস্যসহ সামাজিক পরিবেশ,সামাজিক প্রথা, রীতি-নীতি আচার,সর্বোপরি পরিবারকে টিকিয়ে রাখার মূল দায়িত্ব ন্যাস্ত থাকতো এক সময়ে পরিবারের বয়োজেষ্ঠ কর্তা ব্যক্তির উপর।বিশেষ করে যৌথ পরিবার প্রথার যুগে সংসারের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করতেন পরিবারের যিনি বয়োজেষ্ঠ, সংসারের প্রয়োজন বা চাহিদা মিটানো সহ পরিবারের সকল সমস্যা সমাধানেও তিনিই ছিলেন শেষ কথা। দলপতি হিসাবে তার সফলতা ও ব্যর্থতার উপর নির্ভর করতো সাংসারিক উন্নতি বা অবনতি। গ্রামীন সমাজ ব্যাবস্থায় পরিরারের বয়োজেষ্ঠ সদস্যই সংসারের ত্রানকর্তা। আপদে বিপদে একমাত্র ভরসাস্থল, অভিজ্ঞতায় সমূদ্ধ বয়োজেষ্ঠরাই অন্যান্য আত্মীয় স্বজনের সংগে সেতু বন্ধনের কাজ করতেন, মোর্দ্দাকথায় তিনি থাকতেন সংযোজক হিসাবে। বৈবাহিক সম্পর্ক রচনার ক্ষেত্রে পরিবার প্রধানের মতামতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হোত। একই পরিবারের সদস্য হলেও সবার মতামতকেই প্রাধান্য দেওয়ার রেওয়াজ পরিবার প্রধান বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তির নিকট অগ্রাহ্য হলেও, নিরবে সবকিছুকে মেনে নেওয়ার যে কালচার সেদিন ছিল ,আজ তা সমাজ থেকে বিসর্জিত।
একক পরিবারে সমবেত সিদ্ধান্ত গ্রহনের রেওয়াজ নেই, ফলে যে কোন সিদ্ধান্ত স্বামী,স্ত্রীর সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই গৃহীত হয়। সেটার ভুল ভ্রান্তি শোধরানোর জন্যে মাথার উপরে কেউ থাকে না বিধায়, সিদ্ধান্ত ভুল হলেও আফশোষ করা ছাড়া কিছুই করার থাকে না । বিশেষ করে সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘‘বিবাহ” নামক সামাজিক বন্ধনে দুই পরিবারের আত্মীয়তার যে যোগসূত্র,তাতে একক পরিবারের কর্তা ব্যাক্তির যে ভূমিকা সেখানে সিদ্ধান্ত গ্রহনে ভুল হলে ভূলের মাশুল দিতে হয় নতুন দম্পতিকে। বিবাহ বিচ্ছেদ সামাজিক ভাবে অগ্রহনযোগ্য,কিন্তু আইনের আওতায় বৈধ হওয়াতে বিবাহ বিচ্ছেদের হার উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে, এ ক্ষেত্রে অধিকাংশ একক পরিবারগুলিতে পরিবারের কর্তা ব্যক্তির ভুল সিদ্ধান্তের ফলেই এসব মাত্রারিক্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সহযোগিতা,সহমর্মিতা,এসব পরিবার থেকে উধাও হবার কারণে যথেচ্ছভাবে একক সিদ্ধান্তের বদৌলতে এ সব অনাচার সমাজকে সহ্য করতে হচ্ছে। আইন মানুষের জন্যে হলেও, সামাজিক রীতি,নীতি প্রথা এগুলোকে অস্বীকার করে আইন প্রতিষ্ঠিত হলে সে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকে না। কিছুদিন আগেও সামাজিক বিচার বলে একটা জিনিস ছিল, সামাজিক ভাবে ন্যায় অন্যায়ের বিচারে গুরুজনরা যে সিদ্ধান্ত নিতেন উভয় পক্ষের কাছেই তা মান্যতা পেত। এমনকি লঘু দন্ডে অন্যায়কারীর অন্যায়কে শাস্তিপ্রদানের মাধ্যমে সহনশীলতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হোত। আজ সমাজের গতিপথ আইনের রক্ষা কবচে এমনি স্থবির যে আইন আদালতের দোর গোড়ায় বছরের পর বছর সময় নষ্ট করেও তা বেগবান করা যাচ্ছে না, আর এর ফলে সামাজ জীবনে বিচার প্রাথীরা অতিষ্ঠ হয়ে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। আগে বলা হতো মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। সমাজ বদ্ধ ভাবে সামাজিক জীব হিসাবে বসবাস করছি। কর্মের তাগিদে শহর কেন্দ্রিক নগর জীবনের প্রভাবে প্রভাবান্বিত হয়ে নগরকে আশ্রয় করেই যদি বাস করতে হয়, তাহলে জন্মসূত্রে গ্রামীন জীবনের স্বাদ নগর জীবনের নাগরিকদের কাছে বিস্বাদ বা তেতো লাগতে বাধ্য। নগর জীবনে পড়শী মানুষের সংগে তো তার কোন আতিœক সম্পর্ক গড়ে উঠছে না। সে নিজে যেমন উদ্বা¯ুÍ তেমনি পড়শিরাও বিভিন্ন মতের,বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত, তারাও উদ্বাস্তু। নগরের উদ্বাস্তু জীবনে ফ্লাটে বা বাসায় থিতু হলেও পড়শীরা সবাই অপরিচিত, এ ক্ষেত্রে নগর জীবনে মেলামেশার অভাবে প্রতি প্রত্যেকেই যোজন যোজন দুরের বাসিন্দা। এ বাসিন্দাদের সংগে প্রাত্যহিক জীবনে মেলামেশায় উপরের লৌকিকতা,ভদ্রতা,বজায় থাকলেও অন্তরের সংগে অন্তরের যোগ হচ্ছে না বা হবে না। গ্রামীন জীবনে বিবাহ অনুষ্ঠানের প্রাক সম্পর্ক নির্ধারনে যে সব প্রচলিত প্রথা সে সব অস্বীকার করার ফলশ্রুতি হিসাবে আজ বিবাহ বিচ্ছেদের এ চরম অবনতিশীল পরিনতি। কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না বলেই এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দোষারোপ করে পার পেয়ে যাচ্ছে, সামাজিক কোন প্রতিরোধ কিংবা প্রতিবাদ আসছে না,কারণ যার যার –তার তার।কেউ জানলেও , বুঝলেও প্রয়োজন ছাড়া পক্ষে বা বিপক্ষে একটা বাক্যও খরচ করবে না, যেটা গ্রামীন সমাজে প্রতিবাদ মুখর কিছু মানুষ ছিল যারা সামাজিক ন্যায় অন্যায়কে তাদের দুরদৃষ্টি দিয়ে বিচার করে অন্যায়ের প্রতিকার করে সামাজিক ঐক্য রক্ষায় এবং সম্পর্কের সৌন্দর্য্য বর্ধনে গুরুত্ব পূর্ন ভূমিকা পালন করতো। আজ একক পরিবারে বিশেষ করে নাগরিক জীবনে সে সব হারিয়ে যাচ্ছে। আগে পড়শীরা কে কি করছে কার ছেলে মেয়ে পড়াশুনা করছে ,কে চাকরী পেলো এসব নিয়ে গ্রামের বারান্দায় চর্চ্চার সংস্কৃতি ছিল।ঘরে বসে রাজ্যের খবর এক নিমিষেই পাওয়া যেতো-কিন্তু আজ সে সব উধাও।ফলে নিকট পড়শীরাও আজ অজ্ঞাত,অপরিচিত। তাদের ভাল মন্দ,সুখ ,দুখের ভার তাদের নিজেদেরই বহন করতে হয়। সুখ দুঃখের ভাগ নেওয়ার কেউ নেই শুধু ‘একাকীত্বের জ্বালা যন্ত্রনা সহ্য করেই নিজের মতামতকেই প্রধান্য দিয়ে সামাজিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।এ ক্ষেত্রে ভুল ভ্রান্তি যা কিছু সবই তার নিজের উপর বর্তায়। বড় জোর কিছু বন্ধু বান্ধবকে হয়তো সাথে পাই,কিন্তু তারাও অতিথি পাখির মত, শীত ফুরালেই নিজের জাগয়ায় প্রস্থান করে।আজ সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং তা কার্যকর করার ক্ষেত্রে পরিবারের কর্তা ব্যক্তির ইচ্ছায় চুড়ান্ত,যদিও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সেখানে থাকলেও তাদের ভূমিকা থাকে গৌন। দায়িত্ব নিয়ে যতেœর সংগে নিজের মত করে অপরের জন্যে ভাববার সেই প্রথা আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। সবাই যেন তার নিজের মত করে বাঁচবার চেষ্টায় আগে দৌঁড়ানোর ম্যারাথনে যোগ দিয়ে হোঁচট খেতে খেতে এগিয়ে চলেছে। ভুল ভ্রান্তি যা কিছু ঘটুক দায় দায়িত্ব সবই “সিন্ধান্ত গ্রহনকারীর ” কেউ তার পাশে দাঁড়াচ্ছে না। নগরে ফ্লাট জীবনের বাসিন্দাদের মধ্যে সোসাইটি গড়ে উঠলেও ক্ষমতার বা পদবীর দ্বন্দ্বে কেউ কাউকে পাশে আপন করে পাই না। সেখানে আত্মঅহংকার এত বেশী ক্রিয়াশীল যে তাঁর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় পরিবারের সকল সদস্যরাই সব কিছুর মধ্যে একলা নির্জন দ্বীপের বাসিন্দা হিসাবে বসবাস করে। ফ্লাট কালচারে ঘটা করে সামাজিক ভাবে মেলামেশার জন্য বিশেষ দিন,যেমন জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী,বাবা মার মৃত্যু দিবস এসব পালিত হলেও সেখানে সব কিছু যেন ছকে বাঁধা , রুটিন মাফিক চলে,প্রাণের সংগে প্রাণের কোন মিলন সেখানে গড়ে ওঠে না। দু’চার দন্ড কথা বলে সময় নষ্ট করার চেয়ে চার দেওয়ালের মাঝে আধুনিক প্রযুক্তির সংগে সঙ্গদান করাই উত্তম বলে মনে করে সবাই। যে কোন পার্টিতে বা কমিউনিটি সেন্টারে দীর্ঘদিন পরে কারো আপনজনের সাক্ষাৎ ঘটলেও প্রানের সে আবেগ, উচ্ছ্বাস যেন আজ স্ফুরিত হয় না। সব কিছুতেই দায়সারা ভাব, সহমর্মিতার গাঢ় রসে আজ আর তা জমাট বাঁধছে না-সব কিছুতেই আলুনী আলুনী ভাব।ব্যস্ত জীবনে ব্যস্ততার মাঝে দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে সবাই যেন কক্ষচ্যুত হয়ে একলা একলাই ঘুরছে।
কর্মজীবি স্বামী স্ত্রীরা অফিসে দিন কাটালেও বাসায় ফিরে রাত্রি যাপনের নিমিত্তে রুটিন মাফিক জীবন ধারার কোন ব্যত্যয় তারা ঘটান না। ছেলে মেয়ে থাকলে তারাও তাদের মত ঁেবচে থাকার আনন্দে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর মন মানসিকতা নিয়েই যন্ত্রবৎ হয়ে পড়ছে-প্রান খোলা হাসি,কান্না,ব্যাথা বেদনার সংগে তাদের কোন সংস্রব ঘটছেনা।
তারা আপনজনের জন্মের খবরে যেমন আনন্দ পাই না,তেমনি আপনজনের বিয়োগ বেদনায় তারা বিষাদগ্রস্থ হয়ে বিচলিত হয় না। মানবিকতার রসবোধ সেখানে শুষ্ক নিরস,সেখানে আনন্দ উচ্ছ্বাসের জায়গাা কোথায়? দিন শেষে যেমন রাত আসে,আবার রাত শেষে তেমনি দিন আসে। রুটিন বাঁধা জীবনও তেমনি এগিয়ে চলে। একক পরিবারে বসবাসকারি বিশেষ করে নগর জীবনে বাসিন্দারা কোনদিনই সামাজিক ভাবে মেলামেশায় যে সুযোগ পাই না, যা গ্রামীন জীবনে যৌথপরিবারের সদস্যরা পেয়ে থাকে। এক জনের পাশে আর এক জন নিঃশঙ্কোচে,নির্দ্বিধায়,সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় যেটা পড়শী হিসাবে ফ্লাট কালচারে কখনও সম্ভব নয়।মানুষের আপদে,বিপদে,সুখের সময়ে যারা পাশে থাকে তারাই আপন জন।বসন্তের কোকিলের মত আপনজন,স্বার্থান্বেষী,আত্মীয়স্বজন,বন্ধুবান্ধব সবাই আজ পাশে থাকলেও মন খুলে মনের কথা কেউ কাউকে বলতে পারছে না। সবাই গুমরে গুমরে কাঁদছে- সে কান্নার তীব্রতা,দহন শক্তি সমাজ,সংসারকে পুড়িয়ে মারছে। বিবাহ বিচ্ছেদের কারনে হাজার হাজার পরিবারে মাতা পিতার যে অন্তঃর্জ্বালা তা বলার,দেখার যেন কেউ থাকছে না- উপরে উপরে এরা সুখে থাকলেও ভিতরে ভিতরে তাদের সুপ্ত আগ্নেয়গিরির র্লাভা যে কোন মুহুর্তে উদগীরণ হতে বাধ্য। এদের সান্ত¡না দেবার ,সাহস যোগাবার মানুষ আজ সমাজ থেকে উধাও। কেউ কাউকে আজ আর বিশ্বাস করতে পারছে না।এদের মনোবৈকল্যে সমাজও আজ বিষন্নতায় ভুগছে। যে সব পরিবারে সামাজিক ভাবে হেয় হবার কারন ঘটে,তাদের পাশে লোকলজ্জার ভয়ে কেউ পাশে এসে দাড়াচ্ছে না।ফলে বড় বেশী একাকী বড় বেশী শূন্যতা দেখা দেওয়ায় ঐ পরিবারে অনেক সময় আত্ম হননের কারনও ঘটছে।মানুষের কাছে যা অভিপ্রেত নয় তাকেই তা বাধ্য হয়ে মেনে নিতে হচ্ছে। যে জীবনধারায় একদিন সে অভ্যস্থ ছিল,ব্যতিক্রমী জীবনধারায় খাপ খাওয়াতে সময় লাগলেও এক সময় সে তাতে অভ্যস্থ হয়ে পড়ে। মনের উপর এর তীব্র প্রভাব সারাজীবনেও সে ভুলতে পারে না। ফলে,ফেলে আসা জীবনের সুখ স্মৃতিকে সে বেশী মনে করে এবং তাতেই তার আপাততঃ শান্তি মিললেও বাস্তবতায় সে যখন ফিরে আসে তখন হতাশা আর বিষন্নতায় তার সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। নগর জীবনের এ বাস্তবতা সর্বজনবিদিত। পাশাপাশি বাস করেও সবাই যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপের অধিবাসী। সামাজিক ভাবে মেলামেশার অভাবে হঠাৎ দু’একদিন জ্যাঁকজমক পূর্ণ অনুষ্ঠানে মেলামেশা করলেও প্রীতির বাঁধন ও ভালবাসা সেখানে জমাট বাঁধছে না।আলগা আলগা সে বাঁধনের গেরো জোড়া না লাগায়‘‘মন খুলে মনের কথা কেউ কাউকে বলতে পারছে না। বলতে পারলেও সহানুভূতির বাতাবরনে কেউ কাউকে সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে দুরে বসে মজা দেখার চেষ্টা করে। আজ তাই আপনজনের,একান্ত কাছের আপন মানুষের অভাব প্রতি প্রত্যেকটা পরিবারে যেন সবচেয়ে সত্যি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৃদ্ধ পিতামাতাকে রেখে সন্তানরা বিদেশে পাড়ি জমানোর কারনে অনেক ক্ষেত্রেই তাঁরা অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। কিšুÍ তাতে হিতে বিপরীত ঘটছে,সুযোগ সন্ধানী আত্মীয় স্বজন,প্রতিবেশী বন্ধুবান্ধবেরা অনেক সময় তাদের নিজেদের স্বর্থোদ্ধারে এসব মানুষে গুলোকে ঠকিয়ে তাদের সম্পদ,বাড়ি সব কিছু তাদের দখলে নিয়ে নিচ্ছে। এমন ঘটনার নজির ভুরি ভুরি মিলবে। কোথাও কোথাও এসব বয়স্কদের অর্থের বিনিময়ে ভালবাসা কিংবা তাদের সংগে সঙ্গ সুখের মাধ্যমে তাদের সুখ দুখের সাথী হবার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান তৈরী হয়েছে। অর্থের বিনিময়ে ভালবাসা খরিদ করে অনেকটা দুধের ন্বাদ ঘোলে মেটানোর মত দাড়ায়- তাতে না থাকে হƒদয়ের বন্ধন,না থাকে হƒদয়ের উষ্ণ উত্তাপ- তারপরেও এটাই আজ সমাজে গ্রহন যোগ্যতা পাচ্ছে। অর্থের মাধ্যমে বয়ষ্কদের সেবার চেয়ে সন্তানের উষ্ণ আলিঙ্গনেই তাদের বুক ভরিয়ে দিতে পারে-আর তাই একক পরিবারে বসবাস করেও যদি“ছড়িয়ে থেকে ও জড়িয়ে থাকা যায় তবেই হবে মঙ্গল,কল্যান হবে সমাজের এ কথা যেন আমরা ভুলে না যাই।

 

[wpdevart_like_box profile_id=”https://www.facebook.com/Banglarbarta” connections=”show” width=”300″ height=”550″ header=”small” cover_photo=”show” locale=”en_US”]

Post Views: 63
Previous Post

স্বেচ্ছাসেবক লীগ কুয়েত কমিটির ঈদ পুনর্মিলনী

Next Post

নাইরে কেউ আপন

Next Post

নাইরে কেউ আপন

Discussion about this post

❑ আর্কাইভ

April 2026
S S M T W T F
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  
« Mar    
কুয়েত এয়ারপোর্টে টার্মিনাল ৪-এ চালু হলো সেলফ-সার্ভিস চেক-ইন সিস্টেম

কার্টুন নিয়ে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

কুয়েত টাওয়ার আরব উপসাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা অমর প্রতীক

সরকার দেবে আমদানির অতিরিক্ত খরচ

৯ নেপালি শ্রমিকের মরদেহ দেশে পাঠালো কুয়েত

সৌদি স্থল সীমান্তে নতুন বাস সার্ভিস চালু

সৌদি স্থল সীমান্তে নতুন বাস সার্ভিস চালু

কুয়েত টাওয়ার আরব উপসাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা অমর প্রতীক

সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ালে শাস্তি: কুয়েতে নাগরিকরাও ছাড় পাচ্ছেন না

Currently Playing

Breaking news প্রবাসী নিউজ

Breaking news প্রবাসী নিউজ

00:00:11
" data-ad-slot="">
ADVERTISEMENT

© 2026 banglarbarta.com All Right Reserved. ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন BANGLARBARTA

No Result
View All Result
  • Home
  • শীর্ষ সংবাদ
  • দেশ
    • সারাদেশ
      • ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • বিশ্ব
  • প্রবাস
    • কুয়েত
    • দূতাবাস
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিন্ন খবর
  • শোক সংবাদ
  • সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
  • ভিডিও
  • English

© 2026 banglarbarta.com All Right Reserved. ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন BANGLARBARTA

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist